Gangajal Vastu Tips: বাস্তুদোষ থেকে কুনজর, সব সমস্যার সমাধান করবে গঙ্গাজল! কী ভাবে? জেনে নিন

হিন্দু ধর্মে গঙ্গাকে মাতৃ জ্ঞানে পুজো করা হয়। কথিত আছে, গঙ্গা স্নানেই মোক্ষ প্রাপ্তি হয়, সকল পাপ থেকে মুক্তি মেলে এবং বহু কষ্ট কেটে যায়। শাস্ত্র মতে গঙ্গাজল হল অমৃত সমান। তাই যে কোনও শুভ কাজে গঙ্গা জলের ব্যবহার অপরিহার্য। তাছাড়া, অনেক বাড়িতেই নিত্য পুজোর জন্য গঙ্গাজল ব্যবহৃত হয়।

বাস্তুশাস্ত্রেও গঙ্গা জলের শুভ প্রভাবকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়, গঙ্গার জল ঘরে রাখলে নেতিবাচকতা দূর হয় এবং শুভ শক্তির সঞ্চার ঘটে। বাস্তুবিদদের মতে, গঙ্গাজল ব্যক্তির জীবনের নানা সমস্যা দূর করতে পারে। জেনে নিন, গঙ্গাজলের কিছু বাস্তু উপায় এবং বাড়িতে গঙ্গাজল রাখার সঠিক নিয়ম।

Vastu Tips For Gangajal

গঙ্গাজলের বাস্তু উপায়
১) নিয়মিত বাড়ির চারিদিকে গঙ্গাজল ছেটান। এতে বাস্তু দোষের প্রভাব কমে এবং ঘরে পজিটিভ এনার্জি আসে।
২) পরিবারে যদি কলহ-বিবাদ চলতে থাকে, তাহলে প্রতিদিন সকালে গোটা বাড়িতে গঙ্গা জল ছেটান। এই উপায়ে নেগেটিভ এনার্জি ধ্বংস হয় এবং ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বাড়ে।
৩) ছোট বাচ্চারা খুব সহজেই কুনজরের কারণে প্রভাবিত হয়ে পড়ে। কোনও বাচ্চা অথবা পরিবারের সদস্যের ওপর নজর দোষ বা কুনজরের প্রভাব লক্ষ্য করা গেলে তাঁদের ওপর গঙ্গা জল ছেটানো উচিত।
৪) রাতে খারাপ স্বপ্ন দেখলে বা ভয় পেলে, সর্বদা ঘুমানোর আগে বিছানায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে দিন। এতে ভয়-ভীতি থেকে মুক্তি মিলবে।
৫) একটি পিতলের বোতলে গঙ্গাজল ভরে বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে রেখে দিন। এতে বাস্তু দোষ কাটবে এবং আপনার সব সমস্যার সমাধান হবে।
৬) গবেষণায় দেখা গেছে, যে ব্যক্তি প্রতিদিন গঙ্গার জল পান করেন, তিনি সুস্থ-সবল থাকেন এবং দীর্ঘজীবী হন। বলা হয়, গঙ্গাজল বুদ্ধি বাড়ায় এবং পাচনতন্ত্র ভাল রাখে।
৭) সোমবার শিবপূজার সময় গঙ্গাজল দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করুন। এতে ভোলেনাথ তুষ্ট হন এবং রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি মেলে।

গঙ্গাজল সংক্রান্ত নিয়ম
১) গঙ্গাজল কখনই প্লাস্টিকের বোতলে রাখবেন না। পূজার কাজে প্লাস্টিকের ব্যবহার অপবিত্র বলে বিবেচিত হয়। গঙ্গাজল সর্বদা ধাতুর তৈরি পাত্রে (লোহা ছাড়া) রাখা উচিত।
২) গঙ্গাজল সবসময় বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে বা ঈশান কোণে রাখা উচিত।
৩) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানে গঙ্গাজল রাখুন। ঠাকুর ঘরে গঙ্গাজল রাখা সবচেয়ে শ্রেয় এবং সেই স্থান সর্বদা পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত।
৪) অপরিচ্ছন্ন হাতে কখনও গঙ্গাজল ছোবেন না। সবসময় হাত ধুয়ে গঙ্গাজল স্পর্শ করুন।
৫) অন্ধকার স্থানে গঙ্গাজল রাখতে নেই। যেখানে গঙ্গাজল রাখবেন, রাতের বেলায় সেখানে আলো জ্বালিয়ে রাখুন। আলমারিতে বন্ধ করেও কখনও গঙ্গাজল রাখবেন না।
৬) আমিষ খেয়ে অথবা মদ্যপান করে গঙ্গাজল স্পর্শ করবেন না। যে ঘরে বসে আমিষ খাবার খান, সেখানে গঙ্গাজল রাখবেন না।

Disclaimer: এই আর্টিকেলটি সাধারণ তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। এই তথ্য ধর্মীয় আস্থা ও লৌকিক মান্যতার উপর আধারিত। এর সত্যতার দাবি করে না বোল্ডস্কাই বাংলা।

Story first published: Tuesday, May 30, 2023, 13:59 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion