ভগবান বিষ্ণুর লকেট পরলে কী কী উপকার পাওয়া যায় জানা আছে?

এই জগৎ সংসারের তিন সৃষ্টিকর্তার অন্যতম হলেন ভগবান বিষ্ণু।

এই জগৎ সংসারের তিন সৃষ্টিকর্তার অন্যতম হলেন ভগবান বিষ্ণু। তাই তো প্রতি বৃহষ্পতিবার তাঁর আরাধনা করার পাশাপাশি তার পায়ে ছোঁয়ানো বিষ্ণুর লকেট যদি পরা যায়, তাহলে জীবনের ছবি়টা বদলে যেতে সময় লাগে না।

এমন কথা কেন বলছি, তাই ভাবছেন নিশ্চয়? আসলে শাস্ত্র মতে ভগবান বিষ্ণু যদি একবার প্রসন্ন হন, তাহলে গৃহস্থের অন্দরে পজেটিভ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাবে কোনও ধরনের বিপদ ঘটার আশঙ্কা তো কমেই। সেই সঙ্গে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠার কারণে একের পর এক সুফল মিলতে শুরু করে, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

হিন্দু শাস্ত্রে উপর লেখা একাধিক বই অনুসারে বিষ্ণু দেবের আশীর্বাদ লাভ করতে বাড়ির ঠাকুর ঘরে দেবের ছবি রাখার পাশাপাশি দেবের লকেট পরলে এবং প্রতি বৃহষ্পতিবার "ওম নম নারায়না", এই মন্ত্রটি জপ করতে করতে ভদবান বিষ্ণুর আরাধনা করলে একের পর উপকার মিলতে শুরু করে, যেমন ধরুন...

১. নেগেটিভ শক্তির প্রভাব কমতে থাকে:

১. নেগেটিভ শক্তির প্রভাব কমতে থাকে:

যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে ভগবান বিষ্ণুকে সঙ্গে রাখলে খারাপ শক্তি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। ফলে কোনও ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও যায় কমে। শুধু তাই নয়, পরিবারের অন্দরে কোনও ধরনের কলহ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও যায় কমে। ফলে বাকি জীবনটা সুখ-শান্তিতে কেটে যায়। তাই তো বলি বন্ধু নানাবিধ বিপদ থেকে যদি দূরে থাকতে চান এবং পেতে চান অপার সুখের সন্ধান, তাহলে দেবের লকেট পরতে ভুলবেন না, সেই সঙ্গে প্রতি বৃহষ্পতিবার ভগবান বিষ্ণুর পুজো যদি করতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই! কারণ এমনটা করলে জীবনের ছবিটা বদলে যেতে সময় লাগে না।

২. রোগ-ব্যাধি দূরে পালাবে:

২. রোগ-ব্যাধি দূরে পালাবে:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে ভগবান বিষ্ণুর লকেট পরে থাকলে দেবের আশীর্বাদে দেহের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে আয়ু বাড়ে চোখে পরার মতো। প্রসঙ্গত, প্রতি বৃহষ্পতিবার দেবের আরাধনা করলেও কিন্তু সমান উপকার মেলে। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে দেবের পুজো করা শুরু করলে গৃহস্তের পরিবেশ এতটাই পবিত্র হয়ে যায় যে সেখানে দেবের আগমণ ঘটে। আর যেখানে বিষ্ণু দেব থাকেন, সেখানে মা লাক্ষ্মী না এসে থাকেন কীভাবে বলুন!

৩. অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে:

৩. অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে:

যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাগ লাভ করলে মা লক্ষ্মীর সঙ্গ লাভ করতে সময় লাগে না। আর এমনটা যখন হয়, তখন অনেকে অনেক টাকার মালিক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি যে কোনও ধরনের অর্থনৈতিক সমস্যাও দূর হয়। তাই তো বলি বন্ধু অল্প সময়ে যদি বড়লোক হয়ে উঠতে চান, তাহলে ভগবান বিষ্ণুকে সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না যেন!

৪. যে কোনও ধরনের সমস্যা কমে যেতে সময় লাগে না:

৪. যে কোনও ধরনের সমস্যা কমে যেতে সময় লাগে না:

শাস্ত্র মতে ভগবান বিষ্ণুর লকেট পরার পাশাপাশি প্রতি বৃহষ্পতিবার যদি "ওম নমো নারায়না", এই মন্ত্রটি ১০৮ বার জপ করা যায়, তাহলে যে কোনও ধরনের সমস্যা কমে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া মানসিক শান্তিও ফিরে আসে। শুধু তাই নয়, মনের জোর এতটা বেড়ে যায় যে জীবন পথে চলতে চলতে সামনে আসা যে কোনও বাঁধা পেরতেই কোনও কষ্ট সহ্য করতে হয় না।

৫. কর্মজীবনে চরম সফলতা লাভের সম্ভাবনা যায় বাড়ে:

৫. কর্মজীবনে চরম সফলতা লাভের সম্ভাবনা যায় বাড়ে:

এমনটা বিশ্বাস করা হয়, যে গৃহস্থে ভগবান বিষ্ণু এবং মা লক্ষ্মীর আগমণ ঘটে, সেখানে শুভ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে, আর যেখানে পজেটিভ শক্তির অবস্থান ঘটে, সেখানে গুড লাক সঙ্গ নিতে সময় লাগে না। ফলে কর্মজীবন থেকে সামাজিক জীবন, সব ক্ষেত্রেই সম্মান বৃদ্ধির সম্ভাবনা যায় বেড়ে। সেই সঙ্গে চোখে পরার মতো পদন্নতি লাভের পথও প্রশস্ত হয়।

৬. খারাপ শক্তির প্রভাবে কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে:

৬. খারাপ শক্তির প্রভাবে কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে:

ভগবান বিষ্ণু হলেন সমস্ত শক্তির আধার, তাই তো দেবকে সঙ্গে রাখলে কালো যাদুর কোনও প্রভাব পরার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে প্রতিপক্ষদের কু-দৃষ্টির প্রভাবে কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও যায় কমে। প্রসঙ্গত, আজকের প্রতিযোগিতাময় পরিবেশে যেখানে সবাই সামনের জনকে মেরে আগে যাওয়ার চেষ্টায় লেগে রয়েছে, সেখানে কেউ আপনার উন্নতিতে ইর্ষান্বিত হয়ে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে না, সে বিষয়ে আপনি কি নিশ্চিত? তাই তো বলি বন্ধু, নিজেকে এবং পরিবারে বাকি সদস্যদের খারাপ শক্তির প্রভাব থেকে বাঁচাতে ভগবান বিষ্ণুর লকেট পরতে ভুলবেন না যেন!

Story first published: Thursday, June 14, 2018, 11:00 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion