Rath Yatra: স্নানযাত্রার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন জগন্নাথদেব, চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এই ঐতিহ্যবাহী ওষুধগুলি!

প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে মহা ধুমধাম করে অনুষ্ঠিত হয় রথযাত্রা উৎসব। প্রভু জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার মাসির বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার উৎসব এটি। এর আগে জ্যৈষ্ঠ মাসের দেবস্নানা পূর্ণিমা বা স্নানযাত্রায় স্নানের পরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিন ভাইবোন। ১৫ দিন যাবৎ (অনসর কাল) রাজ বৈদ্যের চিকিৎসা এবং সেবায় সুস্থ হয়ে উঠেই মাসির বাড়ির রওনা দেন জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রা।

অনসর কালে জগন্নাথদেব ভক্তগণের থেকে নিভৃতে থাকেন। এই সময় ভক্তরা ভগবানের দেখা পান না। ভগবানের স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে ১৫ দিন দর্শন বন্ধ রাখা হয়। এ সময় তাঁদের সারিয়ে তোলার জন্য অনেক ওষুধ দেওয়া হয়। অসুস্থতায় ভগবানকে শুধুমাত্র সাধারণ ভোগ নিবেদন করা হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক, জগন্নাথদেবকে দেওয়া সেই ঐতিহ্যবাহী ওষুধগুলি সম্পর্কে-

traditional medicine used to treat lord jagannath

'দশামূল' ও 'পানাভোগ'
আচারের অংশ হিসেবে এই দিনগুলিতে ভগবানকে শুধুমাত্র ফল এবং জল নিবেদন করা হয়। অসুখ থেকে সেরে ওঠার জন্য দশামূল ওষুধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এ ছাড়াও, ঝুনা, কাইন্থা আঠা-র মতো ওষুধও এই সময় ব্যবহার করা হয়।

'ফুলুরি তেলা'
দেবতাদের চিকিৎসার জন্য, ফুলুরি তেল নামক এক বিশেষ ধরনের তেল ব্যবহার করা হয়। জুঁই, চম্পা, চন্দন পাউডার, কর্পূর এবং অন্যান্য ভেষজ উপাদান দিয়ে এই তেল তৈরি করা হয়। দেবতাদের কাঠের মূর্তির গায়ে লাগানো হয় এই তেল।

'কস্তুরী নাভি'
চিকিৎসার আরেকটি চমকপ্রদ অংশ হল বিরল কস্তুরী নাভী-র ব্যবহার। যেহেতু তিন দেবতার মূর্তি কাঠের, তাই তাদের পোকামাকড় থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় যত্ন নেওয়া হয়। এ জন্য নেপাল থেকে আনা হয় কস্তুরী নাভীকে। দেবতাদের মূর্তি প্রতি ১২ বছরে একবার পরিবর্তন করা হয়, যা দেবতাদের নবকলেবর হিসেবে বলা হয়।

Disclaimer: এই আর্টিকেলটি ইন্টারনেটে উপলব্ধ তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। এই তথ্য ধর্মীয় আস্থা ও লৌকিক মান্যতার উপর আধারিত। এর সত্যতার দাবি করে না বোল্ডস্কাই বাংলা।

X
Desktop Bottom Promotion