শত চেষ্টা করেও চাকরি পাচ্ছেন না? এই মন্ত্রগুলি পাঠ করা শুরু করুন দেখবেন ঝটপট চাকরি পেয়ে যাবেন!

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই প্রবন্ধে আলোচিত মন্ত্রগুলির কোনওটি যদি ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে পাঠ করা যায়, তাহলে মনের ইচ্ছা পূরণ তো হয়ই, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নতির স্বাদ পেতেও সময় লাগে না।

শত শত শতাব্দি আগে হিন্দু শাস্ত্রের উপর একাধিক বই লেখা হয়েছিল। তাতে নানা মন্ত্রের ক্ষমতা এবং গুণগুণ সম্পর্কে যা বলা হয়েছিল, তা বাস্তিবকই চমকপ্রদ! কিন্তু দুঃখের বিষয় আধুনিক সমাজ সে সম্পর্কে খোঁজই রাখে না। তাই তো আজ এই প্রবন্ধে এমন কিছু মন্ত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হল, যা নিয়মিত পাঠ করলে মনের মতো চাকরি তো পাওয়া যায়ই, সেই সঙ্গে কর্মক্ষেত্র চুরান্ত উন্নতির স্বাদ পেতেও সময় লাগে না।

আজকাল কান পাতলে একটা কথা প্রায়ই শুনতে পাওয়া যায় যে চাকরির বাজার নাকি বেজায় খারাপ। তাই মনের মতো চাকরি পাওয়ার স্বপ্ন দেখা মানে বোকামি। কিন্তু আমি যদি বলি এমন কঠিন পরিস্থিতিতেও স্বপ্ন পূরণ সম্ভব, তাহলে কী বলবেন! এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই প্রবন্ধে আলোচিত মন্ত্রগুলির কোনওটি যদি ঠিক
ঠিক নিয়ম মেনে পাঠ করা যায়, তাহলে মনের ইচ্ছা পূরণ তো হয়ই, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নতির স্বাদ পেতেও সময় লাগে না। আসলে মন্ত্র পাঠ করার সময় যে শব্দ কম্পনের সৃষ্টি হয়, তার প্রভাবে জীবনে এত মাত্রায় পজেটিভ শক্তির বিকাশ ঘটতে শুরু করে যে চাকরি কেন, অফুরন্ত সুখ-সমৃদ্ধির সন্ধান পেতেও দেরি লাগে না।

এখন প্রশ্ন হল, বেকারত্বের যন্ত্রণা ঘোঁচাতে কী কী মন্ত্র পাঠ করা জরুরি?

১. সূর্য মন্ত্র:

১. সূর্য মন্ত্র:

চাকরি এবং মাত্রাহীন প্রাচুর্যের সন্ধান পেতে নিয়মিত সূর্য মন্ত্র পাঠ করা শুরু করতে পারেন। শাস্ত্র মতে এই মন্ত্রটি নিয়মিত জপ করলে মনের মতো চাকরি তো মেলেই। সেই সঙ্গে সাফল্যও চিরসঙ্গী হয়। প্রসঙ্গত, এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই মন্ত্রটি টানা ৪০ দিন পাঠ করলে দারুন ফল মেলে। শুধু তাই নয়, যদি রবিবার থেকে সূর্য মন্ত্র পাঠ করা শুর করা যায়, তাহলে আরও দ্রুত ফল মেলার সম্ভাবনা বাড়ে। মন্ত্রটি হল- "ওম হ্রাম হ্রিম হারুম শা সূর্য নামাহ!"

২. হানুমান মন্ত্র:

২. হানুমান মন্ত্র:

যে কোনও ধরনের বাঁধার পাহাড় সরাতে, মনের মতো চাকরি পেতে এবং নেগেটিভ শক্তির প্রভাব থেকে বাঁচতে হনুমান মন্ত্রের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। শুধু তাই নয়, কর্মক্ষেত্রে চুরান্ত সাফল্য লাভের যদি স্বপ্ন দেখে থাকেন, তাহলে সেই ইচ্ছা পূরণেও এই শক্তিশালী মন্ত্রটি সাহায্য করতে পারে। প্রসঙ্গত, মন্ত্রটি মঙ্গলবার থেকে পাঠ করা শুরু করতে হবে। এক্ষেত্রে হনুমান জির ফটো বা মূর্তির সামনে বসে এক মনে কম করে ১০ বার পাঠ করতে হবে মন্ত্রটি। এমনটা যদি নিয়মিত করতে পারেন, তাহলে সফলতা আপনার চিরসঙ্গী হবে। মন্ত্রটি হল- "ওম শ্রী বজ্রধেয়ায়া রামাভক্তায়া বায়ুপুত্রায়া নামাস্তুতে।"

৩. লক্ষী-গণেশ মন্ত্র:

৩. লক্ষী-গণেশ মন্ত্র:

শত চেষ্টা করেও মনের মতো চাকরি পাচ্ছেন না? কোনও চিন্তা নেই! কাল সকাল থেকেই এই মন্ত্রটি পাঠ করা শুরু করুন। দেখবেন স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগবে না। আসলে এই মন্ত্রটি এতটাই শক্তিশালী যে নিয়মিত যদি এটি পাঠ করা যায়, তাহলে মনের মতো চাকরি তো মেলেই। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নতিও ঘটে চোখে পরার মতো। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে নিয়মিত এই বিজ মন্ত্রটি জপ করা শুরু করলে জীবন সুখ-সমৃদ্ধিতে ভরে যেতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এই মন্ত্রটি রবিবার থেকে পাঠ করা শুরু করতে হবে। আর মন্ত্রটি জপ করতে হবে প্রতিটিন সকাল বেলা। মন্ত্রটি হল- "ওম গাম শ্রীম সর্বো সিদ্ধি প্রদেয়ী শ্রীমগম নমঃ"।

৪. শক্তি মন্ত্র:

৪. শক্তি মন্ত্র:

নিয়মিত এই মন্ত্রটি পাঠ করার মধ্যে দিয়ে যদি নিজেকে সর্বশক্তিমানের কাছে উৎসর্গ করে দিতে পারেন, তাহলে জীবনে চরম সফলতা পেতে সময় লাগে না। তাই কর্মক্ষেত্রে যদি চোখে পরার মতো সফলতার সাক্ষী হতে চান, তাহলে কাল থেকেই পাঠ করা শুরু করুন এই শক্তিশালী মন্ত্রটি। প্রসঙ্গত, নিয়মিত সকালবেলা এই মন্ত্রটি পাঠ করলে যে কেবল কর্মক্ষেত্রেই উন্নতি মেলে এমন নয়, সেই সঙ্গে কুদৃষ্টির খারাপ প্রভাব থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। মন্ত্রটি হল- "ওম আম গ্রিম ক্লিম চামুন্ডায়া ভিচ"।

৫. গায়েত্রি মন্ত্র:

৫. গায়েত্রি মন্ত্র:

সূর্যদয়ের আগে, দুপুর বেলা অথবা সূর্যাস্তের সময় যদি নিয়ম করে গায়েত্রি মন্ত্র পাঠ করা যায়, তাহলে মনের মতো চাকরি এবং সফলার স্বাদ পেতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, সুস্থ শরীর পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতেও এই মন্ত্রটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর মনের মতো চাকরি পাওয়া পাশাপাশি রোগমুক্ত শরীরের অধিকারি হয়ে উঠলে জীবনে সুখ-শান্তির যে কোনও দিন অভাব ঘটে না, তা তো বলাই বাহুল্য। মন্ত্রটি হল-"ওম ভুর ভুবাহ সোওয়াহা, তাৎ সাভিতুর ভারেনিয়াম, ভার্গো দেবাসায়া ধিমাহি, দিয়ো ইয়োনা প্রচোদয়া।"

Story first published: Thursday, March 8, 2018, 11:19 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion