Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
Gangasagar Mela 2023: মকর সংক্রান্তিতে গঙ্গাসাগরে কেন স্নান করেন মানুষ? কী এর মাহাত্ম্য?
বাংলা প্রবাদেই রয়েছে, 'সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার'। প্রতি বছর মকর সংক্রান্তিতে লক্ষাধিক পুণ্যার্থীরা গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান করতে এবং কপিল মুনির আশ্রমে পুজোর দেওয়ার জন্য ভিড় জমান। এই দিনেই গঙ্গাসাগরে মহা ধুমধাম করে বিরাট মেলার আয়োজন হয়, যা গঙ্গাসাগর মেলা নামে পরিচিত।
গঙ্গা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মিলন স্থানকে বলা হয় গঙ্গাসাগর। এটি একদিকে তীর্থভূমি আবার অন্যদিকে এটি মেলাভূমি। এই দুয়ের মেলবন্ধনে আবদ্ধ গঙ্গাসাগর-মেলা। গঙ্গা নদীর মর্ত্যে প্রত্যাবর্তন ও সগর রাজার পুত্রদের জীবন বিসর্জনের লোকগাঁথাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এই বিখ্যাত তীর্থস্থান গঙ্গাসাগর। কিন্তু মকর সংক্রান্তিতেই কেন গঙ্গাসাগরে এত বড় উৎসবের আয়োজন হয়? জেনে নিন এর ইতিহাস।

ইতিহাস
পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, অযোধ্যার ঈক্ষাকু বংশীয় রাজা সগরের অশ্বমেধ যজ্ঞের ঘোড়া চুরি করেন দেবরাজ ইন্দ্র। গঙ্গাসাগরে কপিল মুনি আশ্রমের পেছনে সেই ঘোড়াগুলি লুকিয়ে রেখেছিলেন দেবরাজ। সেই ঘোড়া খুঁজতে গিয়েই কপিল মুনির রোষে ভস্মীভূত হয়েছিলেন সগর রাজার ৬০ হাজার ছেলে এবং তাদের আত্মা নরকে নিক্ষিপ্ত হয়। সগর রাজার নাতি ভগীরথ স্বর্গ থেকে গঙ্গাকে নিয়ে এসে সগর পুত্রদের ভস্মাবশেষ ধুয়ে ফেলেন এবং তাদের আত্মাকে মুক্ত করে দেন।
কথিত আছে, সগর রাজার ছেলেদের উদ্ধার করতেই সগরের নাতি ভগীরথ কপিল মুনির নির্দেশ মতো স্বর্গ থেকে গঙ্গাকে মর্ত্যে নিয়ে আসেন। গঙ্গা শিবের জটা থেকে বেরিয়ে পৃথিবীতে প্রবাহিত হয়ে কপিল মুনির আশ্রমে পৌঁছায় এবং সাগরে গিয়ে মেলে। সেই দিনটি ছিল মকর সংক্রান্তি। তাই মকর সংক্রান্তিতে গঙ্গাসাগর স্নানের বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। আজও মানুষের মনে বিশ্বাস, এই পুণ্য দিনে গঙ্গা এবং সাগরের সঙ্গমে স্নান করলেই নাকি সমস্ত খারাপ থেকে মুক্তি মেলে।
এ ছাড়াও, লোক-কাহিনী অনুযায়ী, গঙ্গাসাগরে কপিল মুনির একটি আশ্রম ছিল। এক সময় সেটি সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে আশ্রমটিকে কেন্দ্র করে তার ভক্তদের সমাগম বাড়তে থাকে। প্রত্যেক বছর মকর সংক্রান্তি বা পৌষ-সংক্রান্তির পূণ্য তিথিতে লাখো লাখো লোকের সমাগম ঘটে এই সঙ্গমে। এই সমাগমকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বিরাট মেলা যার নাম গঙ্গাসাগর-মেলা।
কথিত আছে, সারা বছর নাকি এই আশ্রম সাগরের নীচেই অবস্থান করত। মকর সংক্রান্তিতে নাকি কপিল মুনির আশ্রম উঠে আসত গঙ্গার উপরে। তবে এর সত্যতা নিয়ে রয়েছে অনেক ধোঁয়াশা।
উদযাপন
পুণ্যস্নান এবং দান-ধ্যান সংক্রান্তির প্রধান কর্তব্য। মকর সংক্রান্তিতে গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান করতে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হয়। তারপর তীর্থযাত্রীরা কপিল মুনির মন্দিরে পূজা করতে যান। সাধুসন্তরা গঙ্গাসাগর মেলার বিশেষ আকর্ষণ। তীব্র শীত উপেক্ষা করে তারা ছাইভস্ম গায়ে মেখে অনাবৃত অবস্থায় ধর্মীয় নিয়ম পালন করেন।
শাস্ত্রজ্ঞরা বলেন, যিনি গঙ্গাসাগরে যেতে পারবেন না তিনি যে কোনও জলাশয়ে সাগরকে স্মরণ করে স্নান করতে পারেন।



Click it and Unblock the Notifications
