Maha Shivratri 2023: কালসর্প দোষের প্রভাবে জীবন তছনছ? মহাদেবের কৃপায় মিলবে মুক্তি! দেখুন কী করবেন

জ্যোতিষ মতে, কোষ্ঠীর অত্যন্ত ভয়াবহ একটি অবস্থা কালসর্প দোষ। কোনও জাতকের কোষ্ঠীতে এই দোষ দেখা দিলে তাঁর জীবন ছারখার হয়ে যায়। কালসর্প দোষে প্রভাবিত ব্যক্তি যা-ই করতে যাবেন, তাতেই ব্যর্থ হবেন। জীবনের সমস্ত শুভ প্রভাবই নষ্ট হয়ে যেতে পারে এই দোষের ফলে। তাই, কারুর কোষ্ঠীতে কালসর্প যোগ থাকলে তা নিবারণ করার জন্য বিশেষ পূজার্চনা করার পরামর্শ দেন জ্যোতিষবিদরা।

Kaal Sarp Dosh Remedies on Mahashivratri

জ্যোতিষবিদদের মতে, মহাশিবরাত্রিতে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে মহাদেবের পুজো করলেই এই দোষ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এই বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি পালিত হবে মহাশিবরাত্রি। দেখে নিন, এই দিনে কী কী উপায় করলে ভয়াবহ কালসর্প দোষ থেকে মুক্তি মিলতে পারে।

কালসর্প দোষ গঠিত হয় কখন?

কালসর্প দোষ গঠিত হয় কখন?

কোষ্ঠীতে রাহু ও কেতুর মাঝখানে যদি গ্রহ চলে আসে, তখন এই দোষকে কালসর্প দোষ বলা হয়। কালসর্প দোষের অনেক প্রকার আছে, যেমন - অনন্ত কালসর্প দোষ, কুলিক কালসর্প দোষ, শেশনাগ দোষ, বিষধর দোষ, ইত্যাদি। কাল নামে চিহ্নিত হয় রাহু। জ্যোতিষশাস্ত্রে, রাহুকে সাপের মুখ এবং কেতুকে সাপের লেজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বিবাহের উপর কালসর্প দোষের প্রভাব

বিবাহের উপর কালসর্প দোষের প্রভাব

কোনও ব্যক্তির কোষ্ঠীতে কেতু যখন সপ্তম ঘরে থাকে এবং রাহু প্রথম ঘরে থাকে, তখন কালসর্প দোষ বৈবাহিক জীবনে নানা বাধার সৃষ্টি করে। এই দোষের কারণে বিবাহিত জীবনে খুব খারাপ প্রভাব পড়ে। দাম্পত্য জীবন একেবারে দুর্বল হয়ে পড়ে। দম্পতিদের মধ্যে নানা সমস্যা, ঝুট-ঝামেলা দেখা দেয়। জীবনে একেবারেই সুখ, শান্তি থাকে না।

শিব পূজায় মেলে কালসর্প দোষ থেকে মুক্তি

শিব পূজায় মেলে কালসর্প দোষ থেকে মুক্তি

কোষ্ঠীতে কালসর্প দোষ থাকলে এই মহাশিবরাত্রিতে অবশ্যই শিবের পূজা করার ক্ষেত্রে কিছু উপায় করতে হবে-

১) মহাশিবরাত্রিতে উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বরে বা নাসিকের ত্রিম্বকেশ্বর জ্যোতিলিঙ্গ অথবা প্রয়াগরাজে অবস্থিত তক্ষকেশ্বর মহাদেব মন্দিরে বিধি মেনে পূজাচর্না এবং রুদ্রাভিষেক করা হলে কালসর্প দোষ থেকে মুক্তি মিলতে পারে।

২) কালসর্প দোষ থেকে বাঁচতে শিবরাত্রিতে মহাদেবকে এক জোড়া রূপোর সাপ নিবেদন করুন।

৩) মহাশিবরাত্রির দিন থেকে দিনে দু'বার মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ করুন। এর ফলে কালসর্প দোষের যাবতীয় খারাপ প্রভাব কেটে যায় বলে বিশ্বাস।

৪) শিবরাত্রির দিনে 'ওঁ নাগকুলায় বিদ্মহে বিশদন্তায় ধীমহি তন্নো সর্প প্রচোদয়াৎ' মন্ত্রটি জপ করুন।

৫) শিবলিঙ্গে দুধ ও জল নিবেদন করে রুদ্রাভিষেক করুন।

৬) কালসর্প দোষে আক্রান্ত ব্যক্তিরা মহাশিবরাত্রির পাশাপাশি নাগ পঞ্চমীতেও পূজার্চনা করুন। এতে কালসর্প দোষের খারাপ প্রভাব থেকে মুক্তি মিলতে পারে।

Disclaimer: এই আর্টিকেলটি সাধারণ তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। এই তথ্য ধর্মীয় আস্থা ও লৌকিক মান্যতার উপর আধারিত। এর সত্যতার দাবি করে না বোল্ডস্কাই বাংলা।

X
Desktop Bottom Promotion