Maha Shivratri 2022 : পয়লা মার্চ মহাশিবরাত্রি, জেনে নিন চার প্রহরের পুজোর সময় ও পূজা পদ্ধতি

ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতেই প্রতি বছর মহাশিবরাত্রি উদযাপিত হয়। এবার মহাশিবরাত্রি পড়েছে পয়লা মার্চ, মঙ্গলবার। মহাশিবরাত্রিতে সারারাত জেগে ভক্তরা দেবী পার্বতী ও শিবের পূজা করেন। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, ফাল্গুন কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে মহাদেব ও দেবী পার্বতীর বিয়ে হয়েছিল।

maha shivratri 2022 date and puja time

মহাশিবরাত্রিতে শিবের আরাধনা করলে মনোস্কামনা পূরণ হয় এবং সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি আসে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, ২০২২ সালে মহাশিবরাত্রির তিথি, পূজার শুভক্ষণ।

মহাশিবরাত্রির তিথি ও শুভক্ষণ

মহাশিবরাত্রির তিথি ও শুভক্ষণ

চতুর্দশী তিথি শুরু - পয়লা মার্চ, মঙ্গলবার ভোররাত ৩টা ১৬ মিনিটে

চতুর্দশী তিথির সমাপ্তি - ২ মার্চ, বুধবার মধ্যরাত ০১টায়

মহাশিবরাত্রির ৪ প্রহরের পুজোর সময়

মহাশিবরাত্রির ৪ প্রহরের পুজোর সময়

প্রথম প্রহরের পূজার সময় - ১লা মার্চ, সন্ধ্যা ৫টা ৪০ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৪৪ মিনিট।

দ্বিতীয় প্রহরের পূজার সময় - ১লা মার্চ, রাত ৮টা ৪৪ মিনিট থেকে রাত ১১টা ৪৯ মিনিট।

তৃতীয় প্রহরের পূজার সময় - ১লা মার্চ, রাত ১১টা ৪৯ মিনিট থেকে ২ মার্চ রাত ২টা ৫৩ মিনিট।

চতুর্থ প্রহরের পূজার সময় - ২ মার্চ, রাত ২টা ৫৩ মিনিট থেকে সকাল ৫টা ৫৭ মিনিট।

ব্রতভঙ্গের সময় - ২ মার্চ, বুধবার সকাল ৫টা ৫৭ মিনিট।

মহাশিবরাত্রির পূজা বিধি

মহাশিবরাত্রির পূজা বিধি

বিশ্বাস করা হয়, সমস্ত দেব-দেবীর মধ্যে মহাদেবকে সন্তুষ্ট করা সবচেয়ে সহজ। মহাশিবরাত্রির দিনে ব্রহ্ম মুহুর্তে উঠে স্নান সেরে নিন। ছোটো ঘটিতে জল ও দুধ ভরে, তার সঙ্গে ফল, বেলপাতা, ধুতুরা, আকন্দ ফুল নিয়ে নিকটবর্তী মন্দিরে গিয়ে শিবলিঙ্গে অর্পণ করুন। ঘরের শিবলিঙ্গেও অর্পণ করুন। পঞ্চামৃত দিয়েও শিবের অভিষেক করতে পারেন।

আপনি চাইলে বাড়িতে শিব-পার্বতীর পূজা করতে পারেন। ভগবানকে চন্দন, অক্ষত, লবঙ্গ, এলাচ, পান-সুপারি, ধুতুরা ফুল, ফল, বেলপত্র, দুধ, দই, ঘি, মধু, ভাং বা সিদ্ধি, ইত্যাদি নিবেদন করুন। সঠিক বিধি মেনে পুজো করুন। মহাশিবরাত্রিতে শিব পুরাণ পাঠ করুন এবং মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র বা শিবের পঞ্চাক্ষর মন্ত্র ওঁ নমঃ শিবায় জপ করুন। গোটা রাত্রি প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখুন।

মহাশিবরাত্রি পূজার তাৎপর্য

মহাশিবরাত্রি পূজার তাৎপর্য

শিবরাত্রির অর্থ হল 'শিবের মহা রাত্রি'। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনেই পার্বতীর সঙ্গে মহাদেবের বিয়ে হয়েছিল। বিশ্বাস করা হয়, মহাশিবরাত্রি ব্রত করলে সমস্ত দুঃখ-কষ্ট ও দুর্ভোগের অবসান ঘটে। এই দিনে নিষ্ঠাভরে মহাদেবকে স্মরণ করলে ভোলেনাথ সন্তুষ্ট হন এবং মনের ইচ্ছা পূর্ণ করেন। ভোলেবাবার আশীর্বাদে ঘরে সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি বিরাজ করে।

X
Desktop Bottom Promotion