For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

শোওয়ার ঘরে এদের ছোঁয়ায় শান্ত হবে মন

|

প্রচণ্ড দ্রুত গতিতে ছুটে চলা জীবনে স্ট্রেস সর্বক্ষণের সঙ্গী। একচিলতে ঘর আপনাকে সেখানে পারে শান্তি দিতে। মনের এবং শরীরের- দু'য়েরই শান্তি। ওই ঘরই পারে স্ট্রেস সরিয়ে ফেলে মনকে শান্ত করতে। আর বলাবহুল্য এই ঘরটি শোওয়ার ঘরই হওয়া উচিত। কিন্তু অসচেতনতার কারেণ শোওয়ার ঘরে অনেক সময়ই আমরা এমন কিছু রাখি যা মনকে শান্ত করার বদলে উল্টো ফল করে। আর এমন কিছু জিনিস, যা রাখলে স্ট্রেস দূরে যায়, তা আমরা অজ্ঞানতার কারণে শোওয়ার ঘরে রাখিই না। রইল এমনই কিছু জিনিসের তালিকা, যা শোওয়ার ঘরে রাখলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। তবে মনে রাখা দরকার, সবার আগে এইঘর হতে হবে অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন।

১। ছোট গাছ

১। ছোট গাছ

শোওয়ার ঘর বা বেডরুমে গাছ রাখার পদ্ধতি খুব নতুন নয়। কিন্তু অনেকেই গাছ রাখার বিষয়ে খুব একটা সচেতন নন। এমন গাছ রাখেন, যা আলোর অভাবে রুগ্ন হয়ে পড়ে। বা ফুল গাছ রাখেন, যার ফুল শুকিয়ে যাওয়ার সময় ঘরের বাসিন্দাদের মধ্যে অবসাদ দেখা দেয়। গাছ মনকে শান্ত রাখার বড় উপাদান এবং শোওয়ার ঘরের জন্য অত্যন্ত ভালো সহবাসী। কিন্তু তার জন্য বনসাই বা সাকুল্যান্ট জাতীয় গাছ রাখা দরকার। এদের আলো কম লাগে। জলও কম লাগে। এবং খুব বেশি বড়ও হয় না। ফলত অলপ পরিচর্যায় বাঁচতে পারে। স্প্যাথিফাইলাম (পিস লিলি) বা অ্যানথুরিয়াম জাতীয় গাছও রাখতে পারেন। এরা সাকুল্যান্ট নয়। কিন্তু এদের ফুল কয়েক মাস ধরে একরকম ভাবে থাকে। আর নাসা-র গবেষণা অনুযায়ী, এই দুই গাছই ঘরের বাতাস পরিশুদ্ধ করার ক্ষেত্রে অতুলনীয়।

২। সুগন্ধী

২। সুগন্ধী

চিন বা জাপানি সংস্কৃতিতে ধূপ বা অন্য সুগন্ধীর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে এই সুগন্ধীর সঙ্গে মেডিটেশনের একটা যোগ রয়েছে। সহজেই সংগ্রহ করতে পারেন ল্যাভেনডার কামিং ওয়েল। ডিফিউজার বা মোমবাতিতে ই তেল ব্যবহার করতে পারেন। মোমবাতির ক্ষেত্রে সুবিধা হল, সুগন্ধের পাশাপাশি ঘরে শান্ত একটা আলোও পাবেন। রাতে বাড়ি ফিরে ঘুমানোর আগে এই পদ্ধতির সাহায্য নিলে মন শান্ত হবে।

৩। গোছানো জায়গা

৩। গোছানো জায়গা

ঘরের এখানে সেখানে কাগজপত্র বা জিনিস পড়ে থাকলে মন খারাপ হয়। হয়তো সেগুলোর কোনওটাই নোংরা নয়, কিন্তু এলোপাথারি পড়ে থাকলে অগোছালো অবস্থা চোখে পড়লেই মন খারাপ হতে বাধ্য। তাই চেষ্টা করুন ঘরের মদ্য এমন জায়গা খুঁজে বের করতে, যেখানে এই প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোকে গুছিয়ে রাখা যায়। এবং চেষ্টা করুন সেই গুছিয়ে রাখার জন্য ব্যবহৃত বাক্স বা ব্যাগগুলোও যেন সব সময় চোখের সামনে না থাকে। খাটের তলা বা পাল্লা-ঢাকা আলমারির ভিতর সেই বাক্সগুলো রাখুন।

৪। রং বাছুন

৪। রং বাছুন

আপনার প্রিয় রং লাল হলেই যে শোওয়ার ঘরের দেওয়াল লাল করতে হবে, তেমন কোনও মানে নেই। কারণ কিছু রং মনকে শান্ত করে, আর কিছু রং মনকে উত্তেজিত করে। নীল, ছাইরং (গ্রে) বা অনুজ্জ্বল সাদা মনকে শান্ত করে। সেখানে কমলা, লাল বা উজ্জ্বল সবুজ মনকে উত্তেজিত করে তোলে। এই উত্তেজনারও দরকার আছে। কিন্তু সেটা কাজের ক্ষেত্রে। তাই বসার ঘরে কমলা, লাল বা সবুজ ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু শোওয়ার ঘরের দেওয়াল থেকে শুরু করে অন্য আসবাবের রংও নীল, ধূসর বা সাদার মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন।

৫। কনসোল ওয়্যারিং

৫। কনসোল ওয়্যারিং

শোওয়ার ঘরে খোলা তার মনের ওপর মারাত্মক চাপ ফেলে। তাই কোনও খোলা তার রাখবেন না। এই ঘরের ওয়্যারিং অবশ্যই দেওয়ালের ভিতর দিয়ে, অর্থাৎ কনসোল হতে হবে। অন্য ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রের তারও এমনভাবে রাখুন, যাতে চোখে না পড়ে। তাতে মন ভালো থাকবে। সবচেয়ে ভালো হয়, যদি ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র থেকে শোওয়ার ঘর মুক্ত রাখেন।

৬। কোমলতার ছোঁয়া

৬। কোমলতার ছোঁয়া

বিছানা পরিষ্কার রাখতে হবে, সে কথা বলাবাহুল্য। বিছানা হতে হবে কোজি। এবং গদি যত বেশি নরম হবে, তত ভালো হয়। (তবে যাঁদের শারীরিক সংস্যা আছে, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শে গদি নিতে হবে)। কিন্তু বিছানার পাশাপাশি অন্যত্রও কোমলতার ছোঁয়া রাখুন। যেমন ধরুন বিছানার সামনে পায়ের কাছে নরম পাপোষ, ছোট ‘চেস্ট অফ ড্রয়ার্স'-এর ওপর নরম ছোট্ট গদির ছোঁয়া রাখুন। সেখানে স্পর্শ লাগলে ভালো লাগবে। ঘরও হয়ে উঠবে কোজি।

Read more about: bedroom
English summary

keep these things in your bedroom to keep yourself calm

6 things to keep in your bedroom to keep yourself calm.
X