প্রতি শুক্রবার মা লক্ষ্মীর পুজো করার মধ্যে দিয়ে নানা সুফল পেতে রাশি অনুসারে এই নিয়মগুলি মানতে হবে!

প্রতি শুক্রবার লক্ষ্মী মন্ত্র জপ করার মধ্যে দিয়ে যদি দেবীর অরাধনা করা যায়, তাহলে নানাবিধ সুফল মেলে। যেমন ধরুন- বড়লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হয়, রোগ-ব্যাধি সব দূরে পালায়, ব্যবসায় উন্নতি লাভের পথ প্রশস্ত হয়, কর্মক্ষেত্রে চটজলদি উন্নতি লাভের স্বপ্ন পূরণ হয়, খারাপ শক্তির প্রভাবে কোনও বিপদ ঘটার আশঙ্কা কমে এবং মনের ছোট থেকে ছোটতর ইচ্ছা পূরণ হতেও সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, মেলে আরও অনেক উপকার। তবে এই সব সুফল তখনই মেলে যখন মা তাঁর ভক্তের উপর বেজায় প্রসন্ন হন। তাই প্রশ্ন হল মা লক্ষ্মীর মন জয় করা যাবে কীভাবে?

Heres how to please Goddess Laxmi this Diwali, according to your Zodiac sign

এক্ষেত্রে রাশি অনুসারে নানা নিয়ম মেনে প্রতি শুক্রবার দেবীর অরাধনা করতে হবে, তাহলেই দেখবেন কেল্লা ফতে! তাহলে আর অপেক্ষা কেন বন্ধু, মায়ের আশীর্বাদে জীবনের প্রতিটি দিনকে যদি অনন্দে ভরিয়ে তুলতে চান, তাহলে নিজের রাশিটা জেনে নিয়ে এই প্রবন্ধে একবার চোখ রাখুন। দেখবেন জীবনটাই বদলে যাবে!

প্রসঙ্গত, দেবীর অরাধনা করার সময় রাশি অনুসারে সাধারণত যে যে নিয়মগুলি মেনে চলা জরুরি, সেগুলি হল...

১. মেষরাশি:

১. মেষরাশি:

মা লক্ষ্মীর মন জয় করতে আপনাদের প্রথমেই যে কাজটা করতে হবে, তা হল ঠাকুর ঘরের রং বদলে উজ্জ্বল লাল রং করতে হবে। সেই সঙ্গে প্রতি শুক্রবার দেবীর সামনে মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে এক মনে মা লক্ষ্মীর অরাধনা করতে হবে। তাহলেই দেখবেন মনের সব ইচ্ছা পূরণ হতে সময় লাগবে না।

২. বৃষরাশি:

২. বৃষরাশি:

মা লক্ষ্মীর অরাধনা করার সময় একটা পদ্মফুল তাঁর সামনে রাখতে হবে। আর পুজোর শেষে সেই ফুলটা আপনি যেখানে টাকা রাখেন, সেখানে রাখলে দেখবেন অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে চোখে পরার মতো। সেই সঙ্গে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত নানাবিধ সমস্যা মিটে যেতেও সময় লাগবে না। প্রসঙ্গত, এই নিয়মটি মানার পাশাপাশি যদি ঠাকুর ঘরে সাদা রং করতে পারেন, তাহলে কিন্তু আরও বেশি মাত্রায় উপকার পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৩. মিথুনরাশি:

৩. মিথুনরাশি:

পুরাণ অনুসারে যে গৃহস্থে গণেশ ঠাকুর বিরাজমান করেন, সেই পরিবারে মা লক্ষ্মীরও আগমণ ঘটে। তাই তো বলি বন্ধু, আপনারা যদি মায়ের মন জয় করতে চান, তাহলে দেবী লক্ষ্মীর পাশাপাশি গণেশ দেবের অরাধনা করতেও ভুলবেন না যেন! আর পুজোর শেষে হলুদ দিয়ে বানানো মালা গণেশ দেবকে পরাতে হবে। তাহলেই দেখবেন নানাবিধ সুফল মিলতে সময় লাগবে না।

৪. কর্কটরাশি:

৪. কর্কটরাশি:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে দেবী লক্ষ্মীর পুজো করার পর যদি এই রাশির জাতক-জাতিকারা গরুকে সবুজ ঘাস খাওয়াতে পারেন, তাহলে গৃহস্থে মায়ের আগমণ ঘটতে সময় লাগে না। আর বাড়িতে স্বয়ং মা লক্ষ্মী বিরাজ করলে জীবনের ছবিটা বদলে যেতে যে সময় লাগে না, তা কি বলার অপেক্ষা রাখে! প্রসঙ্গত, বিশেষজ্ঞদের মতে কর্কটরাশির জাতক-জাতিকারা যদি ঠাকুর ঘরে সবুজ রং করেন, তাহলে নাকি দেবীর আশীর্বাদে বড়লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হয় চখের পলকে।

৫. সিংহরাশি:

৫. সিংহরাশি:

অনেক দিন কি বাড়িতে রং করা হয়নি? তাহলে বন্ধু ঝটপট বাড়িটা রং করে ফেলুন। আর লাল রঙের ব্যবহার বেশি মাত্রায় করতে ভুলবেন না যেন! সেই সঙ্গে প্রতি শুক্রবার মায়ের সামনে এবং তুলসি তলায় সারা রাতা এতটা প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখবেন। তাহলেই দেখবেন মায়ের আশীর্বাদে আপনাদের পরিবারে যেমন সুখ-সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগবে, তেমনি যে কোনও সমস্যা মিয়ে যেতেও সময় লাগবে না।

৬. কন্যারাশি:

৬. কন্যারাশি:

এই রাশির জাতক-জাতিকাদের লক্ষ্মী দেবীর অরাধনা করার সময় সিল্কের তৈরি আসনে বসে পুজো করতে হবে। সেই সঙ্গে পুজোর ঘরে সাদা রঙ করতে হবে। তাহলেই দেখবেন মায়ের আশীর্বাদে নানাবিধ উপকার মিলতে শুরু করেছে।

৭. তুলারাশি:

৭. তুলারাশি:

আপনার গৃহস্তে মায়ের আগমণ ঘটুক, এমনটা যদি চান, তাহলে প্রতি শুক্রবার, মা লক্ষ্মীর মন্দিরে গিয়ে একটা নারকেল চড়াতে হবে। সেই সঙ্গে ৯ জন অবিবাহিত মহিলাকে মিষ্টি বা ওই জাতীয় কিছু খাওয়াতে হবে। এমনটা করলেই দেখবেন বাড়িতে মায়ের পায়ের ছাপ পরতে সময় লাগবে না।

৮. বৃশ্চিকরাশি:

৮. বৃশ্চিকরাশি:

গুরু মন্ত্র পাঠ করার পাশাপাশি এরা যদি ঠাকুর ঘরে সাদা রং করেন, তাহলে মা বেজায় প্রসন্ন হন কিন্তু!

৯. ধনুরাশি:

৯. ধনুরাশি:

মায়ের আশীর্বাদে কর্মক্ষেত্রে চটজলদি উন্নতা লাভের পাশাপাশি অনেক অনেক টাকার মালিক হয়ে উঠতে এই রাশির জাতক-জাতিকাদের বাড়িতে এবং কোনও লক্ষ্মী মন্দিরে অশ্বত্থ গাছের চাড়া পুঁততে হবে। সেই সঙ্গে টাকুর ঘরের রং বদলে নীল রং করে ফেলতে হবে। তাহলেই দেখবেন কেল্লা ফতে!

১০. মকররাশি:

১০. মকররাশি:

জীবন পছে চলতে চলতে সামনে আসা যে কোনও সমস্যা মিটে যাক, এমনটা যদি চান, তাহলে প্রতি শুক্রবার লক্ষ্মী মন্ত্র জপ করার মধ্যে দিয়ে দেবীর অরাধনা করা শুরু করুন। সেই সঙ্গে মাটিতে শোয়ার অভ্যাস করুন। এমনটা করলেই দেখবেন সব সমস্যা তো মিটে যাবেই, সেই সঙ্গে সুখ-শান্তির ঝাঁপি খালি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পাবে।

১১. কুম্ভরাশি:

১১. কুম্ভরাশি:

মা লক্ষ্মীকে প্রসন্ন করতে প্রথমে আপনাদের ঠাকুর ঘরের দেওয়ালে সাদা রং করতে হবে। সেই সঙ্গে বাড়ির মূল ফটকে বট গাছের মূল ঝোলালে গৃহস্থে দেবীর আগমণ ঘটতে দেখবেন সময় লাগবে না।

১২. মীনরাশি:

১২. মীনরাশি:

বাড়িতে মানি প্লান্ট গাছ রাখার পাশাপাশি শুক্রবার করে কোনও হনুমান মন্দিরে গিয়ে খাবার বা বস্ত্র দান করা শুরু করলেই দেখবেন দেবী বেজায় প্রসন্ন হবেন। আর এমনটা হওয়া মাত্র আপনার জীবনের ছবিটা যে বদলে যাবে, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে!

X
Desktop Bottom Promotion