Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভে প্রয়াগরাজে যাচ্ছেন? এই মন্দিরগুলি না দেখলে আপনার যাত্রা কিন্তু অসম্পূর্ণ!

By Bhagysree Sarkar

Mahakumbh 2025: কুম্ভমেলা হল হিন্দুধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থযাত্রা এবং উৎসব। ইতিমধ্যেই প্রয়াগরাজে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতি ১২ বছর অন্তর একবার পূর্ণকুম্ভের আয়োজন হয়। ১২টি পূর্ণকুম্ভের পর আয়োজিত হয় মহাকুম্ভ (Mahakumbh Mela 2025)। চলতি বছরে আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে মহাকুম্ভমেলা। এই সময়ে, লক্ষ লক্ষ ভক্ত স্নান করতে জড়ো হয়, আধ্যাত্মিক শুদ্ধি কামনা করে। অনেকের মতে, প্রথম এই মেলা শুরু হয়েছিল সত্যযুগে। সমুদ্র মন্থনের পর থেকেই কুম্ভমেলা আয়োজিত হয় বলে প্রচলিত বিশ্বাস।

তবে ইতিহাস যাই বলুক না কেন, বর্তমানে এই মেলা ঘিরে বেশ কিছু ধারণা উঠে এসেছে। অনেকেই বলছেন, এই মেলায় এসে শাহী স্নান সেরে আপনাকে কিছু মন্দিরের করতে হবে দর্শন। এই মন্দিরগুলির যদি দর্শন না করেন, তবে আপনার তীর্থযাত্রা সফল হবে না বলেই মনে করা হবে। আজকের প্রতিবেদনে আমরা এমন কিছু মন্দিরের কথা তুলে ধরবো, যেগুলি এই মেলা শেষে অবশ্যই আপনাকে দর্শন করতে হবে। দেখুন-

sahi snan
  • নাগবাসুকি মন্দির

স্কন্দ পুরাণ, পদ্ম পুরাণ, ভাগবত পুরাণ এবং মহাভারতের মতো প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ অনুসারে, সমুদ্র মন্থনের সময়, সর্প রাজা ভগবান নাগবাসুকি 'সমুদ্র মন্থন'-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রয়াগরাজের পৌরাণিক মন্দিরগুলির মধ্যে নাগভাসুকি মন্দির একটি বিশেষ স্থানে রয়েছে। প্রয়াগরাজের দারাগঞ্জ এলাকায় গঙ্গার পবিত্র তীরে অবস্থিত, মন্দিরটি আধ্যাত্মিক তাৎপর্যের একটি কেন্দ্র। ভক্তরা বিশ্বাস করেন, ত্রিবেণী সঙ্গমের পবিত্র জলে স্নান করার পরে ভগবান নাগবাসুকির দর্শন আশীর্বাদ, আধ্যাত্মিক পরিপূর্ণতা এবং জীবনের বাধা থেকে মুক্তি দেয়।

  • হনুমান মন্দির

প্রয়াগরাজের বড় হনুমানজি মন্দির খুবই বিখ্যাত। শাস্ত্র মতে, এটিই পৃথিবীর একমাত্র মূর্তি, যা ঘুমন্ত অবস্থায় রয়েছে। হনুমানের মূর্তির এক পাশ গঙ্গা নদীর জলে অর্ধেক নিমজ্জিত। মূর্তিটি ২০ ফুট লম্বা এবং ৮ ফুট চওড়া এবং প্রায় ৬০০-৭০০ বছরের পুরনো বলে জানা যায়। তাই আপনি যদি কুম্ভমেলায় এসেও এই মন্দির দর্শন না করেন, তবে ফল কিন্তু একেবারেই পাবেন না। বরং আপনার তীর্থ যাত্রাই বিফলে যাবে।

  • আলোপী মন্দির

আলোপি দেবী মন্দির হল একটি হিন্দু মন্দির , যা ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের প্রয়াগরাজের আলোপিবাগে অবস্থিত। এটি পবিত্র সঙ্গম এর কাছাকাছি, যেখানে গঙ্গা , যমুনা এবং কিংবদন্তি সরস্বতী নদী মিলিত হয় সেখানেই প্রতিষ্ঠিত। প্রয়াগ শক্তিপীঠের তিনটি মন্দিরকে তিনটি ভিন্ন ধারণা থেকে শক্তিপীঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনটি মন্দিরই প্রয়াগ শক্তিপীঠের মাতা সতীর। তিনটি মন্দির হল অক্ষয়বত, মিরাপুর ও আলোপী। পুরাণ অনুসারে, আলোপী দেবীর মন্দির যেখানে রয়েছে, সেখানেই দেবী সতীর হাতের আঙ্গুল পড়েছিল। তাই এই মন্দির দর্শন অবশ্যই করতে হবে আপনাকে।

  • অক্ষয়বত মন্দির

এলাহাবাদ ফোর্টের পাতালপুরী মন্দিরের মধ্যে অক্ষয়বত ডুমুর গাছটি প্রাচীনকাল থেকে পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে। এই প্রাচীন গাছটি অনন্ত জীবনের অন্যতম পবিত্র প্রতীক। পুরাণ অনুসারে, প্রলয়ের সময় যখন পৃথিবী ডুবে যাচ্ছিল, তখন এই বট গাছই বাঁচিয়েছিল। তাই মেলা শেষে একবার হলেও এই মন্দির কিন্তু দর্শন করতে ভুলবেন না।

Story first published: Sunday, January 12, 2025, 12:15 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion