Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
Durga Puja 2021 : আজ মহাষষ্ঠী, দেবীর বোধন, জেনে নিন নির্ঘণ্ট ও ষষ্ঠীর তাৎপর্য
শুরু হয়ে গেল বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। আজ মহাষষ্ঠী। দেবীর বোধন। ঢাক ও কাঁসরের আওয়াজে গমগম করছে চতুর্দিক। যদিও করোনার কারণে গত বছরের মতো এবারও দুর্গাপুজো নিয়ে হাইকোর্টের একাধিক বিধি নিষেধ রয়েছে। তবুও উৎসবের আবহে গা ভাসিয়েছে বাঙালি।

পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, মহাষষ্ঠীর দিন দেবী দুর্গা তাঁর চার সন্তান - সরস্বতী, লক্ষ্মী, গণেশ এবং কার্তিককে নিয়ে মর্ত্যে অবতরণ করেন। এই দিন মায়ের বোধনের পর সমস্ত আচার-অনুষ্ঠান শুরু হয়। এই তিথিতে দেবী দুর্গা পূজিত হন মা কাত্যায়নী রূপে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, ২০২১-এর দুর্গা ষষ্ঠীর দিনক্ষণ, পূজার শুভ সময় ও তাৎপর্য।

দুর্গা ষষ্ঠীর দিন ও শুভ সময়
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে
দুর্গাপূজার ষষ্ঠী তিথি আরম্ভ - ১০ অক্টোবর, বাংলার ২৩ আশ্বিন, রবিবার। রাত ২টো বেজে ১৬ মিনিটে।
ষষ্ঠী তিথি শেষ - ১১ অক্টোবর, বাংলার ২৪ আশ্বিন, সোমবার। রাত ১১টা বেজে ৫১ মিনিটে।
গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে
ষষ্ঠী তিথি আরম্ভ - ১১ অক্টোবর, বাংলার ২৪ আশ্বিন, সোমবার। সকাল ৬টা ২৩ মিনিট ০৮ সেকেন্ডে।
ষষ্ঠী তিথি শেষ - ১১ অক্টোবর, বাংলার ২৪ আশ্বিন, সোমবার। ভোর ৪টে ০৩ মিনিট ০৪ সেকেন্ডে।

দুর্গা ষষ্ঠীর তাৎপর্য
পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, দেবীপক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে দুর্গার বোধন করে পুজো করেন শ্রীরামচন্দ্র। বোধন শব্দটির অর্থ হল জাগ্রত করা। মর্ত্যে দেবী দুর্গার আবাহনের জন্য বোধনের রীতি প্রচলিত রয়েছে। এই দিন কল্পারম্ভ-এর মাধ্যমে সূচনা হয় পুজোর। তারপর আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্যে মা-কে বরণ করে নেওয়া হয়। অকাল বোধনের মাধ্যমেই উন্মোচন করা হয় মায়ের মুখ। এরপরই মহা সমারোহে শুরু হয় দুর্গাপুজো।
এই দিনটি বাঙালি হিন্দু ঘরের মায়েদের কাছে একটি বিশেষ দিন। কারণ, মায়েরা তাদের সন্তানের মঙ্গল কামনার্থে উমার দ্বারস্থ হন। সন্তানের সমৃদ্ধির জন্য উপোস করে অঞ্জলি দেওয়ার মাধ্যমে প্রার্থনা করে থাকেন মায়েরা।

অকাল বোধনের কাহিনী
পুরাণে বলা আছে যে, সীতাকে লঙ্কারাজ রাবণের হাত থেকে উদ্ধার করতে রাবণের সঙ্গে বিশাল যুদ্ধ হয় শ্রীরামচন্দ্রের। যুদ্ধের শুরুতে দেবী দুর্গার কাছ থেকে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন রাম। কিন্তু দেবীর পুজোর জন্য ১০৮টি নীলপদ্মের জায়গায় ১০৭টি নীল পদ্মের আয়োজন করতে পারেন রাম। তাই শেষ পর্যন্ত নিজের একটি চোখ দেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি। রামচন্দ্রের এই মনোভাবনায় প্রসন্ন হয়ে আবির্ভূত হন স্বয়ং দেবী দুর্গা এবং তাঁকে আশীর্বাদও করেন।
হিন্দু শাস্ত্রমতে বসন্তকালই হল দুর্গাপুজোর সঠিক সময়। চৈত্র মাসে রাজা সুরথ এই দুর্গাপুজোর প্রচলন করেন, যা বাসন্তী পুজো নামে পরিচিত। আর শরৎকালে আমরা যে পুজো করি, তা চালু করেছিল রামচন্দ্র। যাকে অকাল বোধন বলা হয়। পুরাণ মতে, সূর্যের উত্তরায়ণ হচ্ছে দেবতাদের দিন। সূর্যের এই গমনে সময় লাগে ছয় মাস। আর এই ছয় মাস দেবতাদের কাছে একদিনের সমান। দিনের বেলায় দেবতারা জেগে থাকেন। তাই দিনেই দেবতাদের পুজো করার বিধান রয়েছে শাস্ত্রে। সূর্যের দক্ষিনায়ণ হল দেবতাদের রাত। এই গমনকালের ছয় মাস দেবতাদের কাছে এক রাত। আর রাতে যেহেতু দেবতারা ঘুমিয়ে থাকেন, তাই সেই সময় পুজো করা হয় না। কিন্তু শ্রীরাম শরৎকালে, দক্ষিনায়ণের সময় দুর্গার পুজো করেছিলেন। তাই সেদিক থেকে শরৎকাল হল মায়ের পুজোর জন্য অকাল। আর দেবীর পুজো করতে গেলে তাঁকে তো জাগ্রত (বোধন) করতেই হবে। তাই শরতের এই পুজোকে অকাল বোধন বলা হয়।
রাবণ ছিলেন মহাদেবের বরপ্রাপ্ত এবং দেবীর দুর্গার বড় ভক্ত। তাই রাম-রাবণের যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী দেখে প্রজাপতি ব্রহ্মার স্মরণ নিলেন দেবতারা। এরপর ব্রহ্মা রামকে দেবী দুর্গার আরাধনা করতে বলেন। রামচন্দ্র নিজ হাতে দেবীর মূর্তি গড়ে তাঁর আরাধনা করেছিলেন।



Click it and Unblock the Notifications