Durga Puja 2022 : পুজোর কয়েকদিন এই কাজগুলি ভুলেও করবেন না, তাহলেই ধেয়ে আসবে বিপদ!

হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী ষষ্ঠী থেকেই শুরু হয় বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। ষষ্ঠী থেকে দশমী, এই পাঁচ দিন জীবনের সমস্ত দুঃখ-কষ্ট ভুলে আনন্দে মেতে ওঠেন আপামর বাঙালি। খাওয়া-দাওয়া, হই-হুল্লোড়, আড্ডা দেওয়া, ঘুরতে যাওয়ার মাধ্যমে নিজেদের উৎসবে নিমজ্জিত করেন সকলে। তবে হিন্দু ধর্মে, পুজোর আনন্দে মেতে ওঠার ক্ষেত্রে কিছু নিয়মও রয়েছে, যা সঠিকভাবে পালন না করলে হতে পারে সমূহ বিপদ। তাই মা দুর্গার আশীর্বাদ পেতে পুজোর এই পাঁচ দিন কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয় তা দেখে নিন।

Dos And Donts During Durga Puja

কী করবেন ও কী করবেন না

১) ষষ্ঠী থেকে দশমী, এই পাঁচ দিন প্রতিদিন সকালে স্নানের পর পরিষ্কার জামা কাপড় পরে ১০৮ বার দুর্গা নাম জপ করুন। এতে সকল বিপদ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

২) এই পাঁচ দিন গঙ্গা স্নান করুন। গঙ্গাস্নান সম্ভব না হলে, বাড়িতে স্নান করার পর গঙ্গাজল ছিটিয়ে নিন। এতে সংসারে সুখ ও শান্তি বজায় থাকবে এবং শরীর ও মন শুদ্ধ হবে।

৩) মায়েরা নিয়মিত মা দুর্গার কাছে অঞ্জলি দেওয়ার পর সন্তানের কপালে দই-হলুদের ফোঁটা দিন। এতে সন্তানের দীর্ঘায়ু হয় এবং সুস্থ ও সুন্দর জীবনের আশীর্বাদ মেলে।

৪) প্রতিদিনই মায়ের কাছে পুষ্পাঞ্জলী সহকারে পুজো দিন। যদি প্রতিদিন সম্ভব না হয়, তাহলে কেবলমাত্র সন্ধিপুজোর দিন অবশ্যই পুষ্পাঞ্জলি দিন। এতে নিজের, পরিবারের ও সন্তানের মঙ্গল হবে।

৫) পুজোর পাঁচদিন, ছেলে এবং মেয়েরা নখ, চুল কাটবেন না। ছেলেরা দাড়ি কামানোর বিষয়েও এই নিয়ম মেনে চলুন।

৬) বিষ্ণু পুরাণ অনুযায়ী, যারা নিষ্ঠাভরে পুজো করেন তারা যেন পুজোর এই কয়েকদিন দিনের বেলা ঘুমোবেন না। কারণ, দিবানিদ্রা সর্বনাশের মূল কারণ হয়ে উঠতে পারে।

৭) দশমীর দিন সন্ধ্যায় গুরুজনদের শ্রদ্ধাভরে প্রণাম করুন এবং তাদের আশীর্বাদ নিন। এতে আপনারই মঙ্গল হবে।

৮) পুজোর দিনগুলিতে যদি বাড়িতে কোনও অতিথি আসেন, তবে তাদের আপ্যায়নের যেন কোনও ত্রুটি না থাকে। অবহেলা করলে পরিবারের অমঙ্গল হতে পারে।

৯) পুজোর দিনগুলিতে যদি কেউ সাহায্য চায় তবে তাকে খালি হাতে ফেরাবেন না। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করুন। এতে নিজের ও পরিবারের শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে।

১০) মা দুর্গার কাছে যে ঘট স্থাপন করা হয় ও যে প্রদীপ জ্বালানো হয় তার দিকে বিশেষ নজর দিন। খেয়াল রাখবেন প্রদীপ যাতে না নিভে যায়, পাশাপাশি স্থাপিত ঘট যেন উল্টে না যায় বা জল শুকিয়ে না যায় সেদিকেও নজর রাখবেন। নইলে অমঙ্গল হতে পারে।

১১) পুজোর এই কয়েকটা দিন শারীরিক মিলন থেকে বিরত থাকুন। শারীরিক মিলন হলে পুজো পবিত্রভাবে পালন করা সম্ভব হবে না।

১২) রাস্তায় যদি লেবু, লঙ্কা, সিঁদুর ও হলুদ পড়ে থাকতে দেখেন তবে এগুলি ডিঙিয়ে যাবেন না।

১৩) রাস্তায় যদি শুকনো লঙ্কা ও জবা ফুল পড়ে থাকে, তবে এগুলিকে স্পর্শ করবেন না।

X
Desktop Bottom Promotion