অনেক অনেক টাকার মালিক হতে চান নাকি? তাহলে পুজোর ঘরে এই জিনিসগুলি রাখতে ভুলবেন না!

Written By:
Subscribe to Boldsky

অনেক অনেক টাকার মালিক হয়ে উঠতে এবং চরম সফলার স্বাদ পেতে পরিশ্রমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কিন্তু ভাগ্য যদি সঙ্গ না দেয়, তাহলে শুধুমাত্র পরিশ্রমের বলে কি সফল হওয়া সম্ভব? মনে তো হয় না! তাই তো ভাগ্যকে নিজের সফর সঙ্গী করতে এই প্রবন্ধে চোখ রাখতে ভুলবেন না যেন!

আসলে হাজার হাজার বছর আগে হিন্দু শাস্ত্রের উপর লেখা প্রাচীন সব গ্রন্থে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে পুজোর ঘরে যদি এই প্রবন্ধে আলোচিত জিনিসগুলি রাখতে পারেন, তাহলে বড়লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে গৃহস্থের অন্দরে পজেটিভ শক্তির মাত্রা এতটা বেড়ে যায় যে পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে কোনও ধরনের খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কাও যায় কমে।

প্রসঙ্গত, যে যে উপাদানগুলি ঠাকুর ঘরে রাখলে জীবন বদলে যেতে সময় লাগে না, সেগুলি হল...

১. ঘন্টা:

১. ঘন্টা:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতিদিন পুজো করা সময় যদি কয়েক মিনিট ঘন্টা বাজানো যায়, তাহলে সারা বাড়িতে পজেটিভ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। আর এমনটা যখন হয়, তখন জীবনের ছবিটা বদলে যেতে যে সময় লাগে না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই তো বলি বন্ধু জীবনকে যদি সুখে-শান্তিতে ভরিয়ে তুলতে চান এবং হতে চান অনেক অনেক টাকার মালিক, তাহলে ঠাকুর ঘরে ঘন্টা রাখতে ভুলবেন না যেন!

২. ছোট্ট ঘটিতে নারকেল এবং আম পাতা:

২. ছোট্ট ঘটিতে নারকেল এবং আম পাতা:

ঠাকুরের আসনের সামনে সিঁদুর দিয়ে একটা পদ্মফুল এঁকে তার উপর ছোট্ট একটা ঘটি রেখে তার উপরে আম পাতা এবং নারকেল রেখে দিন। কিছু সময় অন্তর অন্তর আম পাতা এবং নারকেলটা বদলে ফেলুন। এমনটা করলে দেখবেন পকেট টাকায় ভরে উঠতে সময় লাগবে না। সেই সঙ্গে কোনও ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও যাবে কমে। প্রসঙ্গত, এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে ঘটিতে নারকেল রেখে ঠাকুর ঘরে রাখলে গৃহস্থে মা লক্ষ্মীর প্রবেশ ঘটে। ফলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির স্বাদ পেতে সময় লাগে না।

৩. সোয়াস্তিকা এবং ওম চিহ্ন একসঙ্গে:

৩. সোয়াস্তিকা এবং ওম চিহ্ন একসঙ্গে:

যে কোনও দশকর্মার দোকানে মেটালের এমন শো-পিস পেয়ে যাবেন। এমনটা অনেকে বিশ্বাস করেন যে এই শো-পিসটি ঠাকুর ঘরে রাখলে পজেটিভ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে। যার প্রভাবে অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে গৃহস্থের অন্দরে খারাপ শক্তির মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে কোনও ধরনের খারাপ ঘটনা ঘটার সম্ভাবনাও যায় কমে। তাই তো বলি বন্ধু, অল্প সময়ে যদি অনেক অনেক টাকার মালিক হয়ে উঠতে চান, তাহলে এই সহজ টোটকাটিকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন!

৪. শঙ্খ:

৪. শঙ্খ:

একেবারে ঠিক শুনেছেন! আসলে ঠাকুর ঘরে শঙ্খ রাখলে সেখানে মা লক্ষ্মী এবং ধন দেবতা কুবেরের আগমণ ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বড়লোক হয় ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে জীবনে কোনও সময় অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। শুধু তাই নয়, এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে পরিবারের অন্দরে মায়ের আগমণ ঘটলে কোনও ধরনের অশান্তি বা কলহ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সম্ভাবনাও কমে। ফলে বাকি জীবনটা আনন্দে কেটে যায়।

৫. প্রদীপের তেজ:

৫. প্রদীপের তেজ:

শাস্ত্র মতে নিত্য পুজো করার পর ঠাকুরের আসনের দু কোনায় একটা করে যদি প্রদীপ জ্বালানে যায়, তাহলে অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। তবে এক্ষেত্রে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে। তা হল প্রদীপ জ্বালানোর আগে সোলতেটা ঘিতে চুবিয়ে নিয়ে জ্বালাবেন। এমনটা দিনের পর দিন করে গেলে দেখবেন জীবনের ছবিটা বদলে যেতে সময় লাগবে না।

প্রসঙ্গত, এই নিয়মগুলি মেনে চলার পাশাপাশি আরও কতগুলি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেমন ধরুন...

১. পুজো করতে হবে পশ্চিম দিকে মুখ করে:

১. পুজো করতে হবে পশ্চিম দিকে মুখ করে:

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে পুজো করার সময় যদি পশ্চিম দিকে মুখে করে বসা যায়, তাহলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে দেবের আশীর্বাদে মনের ছাট থেকে ছোটতর ইচ্ছা পূরণ হতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে সুখের ঝাঁপি কোনও সময় খালি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

২. ঠাকুর ঘরে সূর্যালোক:

২. ঠাকুর ঘরে সূর্যালোক:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে ঠাকুর ঘরে আলো-বাতাস প্রবেশ করলে সেই স্থানে পজেটিভ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে অর্থনৈতির উন্নতির স্বাদ তো মেলেই, সেই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে এবং সামাজিক জীবনে সম্মান বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বাড়ে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। তা হল ঠাকুর ঘরে যদি সূর্যালোক প্রবেশ না করে, তাহলে বাস্তু দোষ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা যায় বেড়ে। আর এমনটা হলে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

৩. এই জিনিসগুলি ভুলেও ঠাকুর ঘরে রাখবেন না:

৩. এই জিনিসগুলি ভুলেও ঠাকুর ঘরে রাখবেন না:

ভুলেও ঠাকুর ঘরে অথবা ঠাকুর ঘরের আশেপাশে চামড়ার কোনও জিনিস রাখবেন না। সেই সঙ্গে খেয়াল রাখবেন পুজোর ঘরে যেন মৃত মানুষের ছবি রাখা না হয়। কারণ এমনটা করলে বাড়িতে খারাপ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে হাজারো প্রচেষ্টার পরেও বড়লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ তো হয়ই না, সেই সঙ্গে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কাও যায় বেড়ে।

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Read more about: ধর্ম
    English summary

    Always Keep These 5 Things In Your Puja Room If You Wish Financial Prosperity In Home

    Setting up a puja room inside the house is a devotional pathway to connect with God. According to shastras, there are 5 things that a person must keep at a place of worship. And this is not just restricted to Hinduism, because there are scientific reasons behind keeping these things.
    Story first published: Wednesday, May 30, 2018, 11:15 [IST]
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more