গর্ভধারণে বিলম্ব কি ক্ষতি করতে পারে?

By Tulika Ghoshal

আজ, বেশিরভাগ দম্পতি ৩৫ বছরের পর গর্ভধারণের পরিকল্পনা করে থাকেন| স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই প্রবণতা সম্পর্কে উদ্বিগ্ন কারণ তারা মনে করেন এটি সত্যিই নিরাপদ নয়|

তবে আজ জগতের জীবনধারা পরিবর্তিত হয়েছে এবং বিয়ের ঠিক পরেই সন্তান ধারণ করতে অনেক দম্পতিই নারাজ|

কিন্তু ৩৫ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করলে ক্ষতি কি? এখানে কিছু সমস্যার কথা আলোচনা করা হল যা গর্ভধারণে দীর্ঘ সময় অপক্ষা করলে সম্মুখীন হতে পারেন|

সমস্যা # ১

সমস্যা # ১

বছর যত গড়াবে, ডিম্বাশয়ের ডিমগুলি কমে যাবে এবং আপনি যখন চান তখন আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পাবে।

সমস্যা # ২

সমস্যা # ২

৩০ এর পরে নারীরা কম পরিমাণে ডিম্বাণু উৎপাদন করে থাকেন| এই সমস্যাটি এমনকি অরক্ষিত মিলনেও সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

সমস্যা # ৩

সমস্যা # ৩

বয়সের সাথে, অন্যান্য সমস্যা (অবরুদ্ধ ফলোপিয়ান টিউব, এন্ডোমেট্রিয়োসিস) আপনার গর্ভাবস্থাকে প্রতিরোধ করতে পারে।

সমস্যা # ৪

সমস্যা # ৪

আপনি যদি দেরীতে গর্ভধারনের পরিকল্পনা করেন তবে শিশুর জন্মগত ত্রুটির সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। যদি ৪৫ বছরের পরে গর্ভবতী হন তবে জন্মগত ত্রুটির সম্ভাবনা ৩০ এর মধ্যে ১ জন| তবে ৩০ বছরের মধ্যে যদি গর্ভধারণ হয়, তা ১০০০ এর মধ্যে ১ সম্ভাবনা; যার অর্থ অল্প বয়সে সুস্থ শিশুর জন্মের সম্ভাবনা বেশি থাকে|

সমস্যা # ৫

সমস্যা # ৫

গর্ভপাতের সম্ভাবনা ও মৃত সন্তান প্রসবের সম্ভাবনা আপনার বয়স বাড়ার সাথে বৃদ্ধি পেতে পারে|

সমস্যা # ৬

সমস্যা # ৬

একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে প্রসব বেদনা (এবং এটির সাথে সম্পর্কিত যন্ত্রনা) সহ্য করা কঠিন হবে।

সমস্যা # ৭

সমস্যা # ৭

৩৫ বছরের পর পুরুষ ও মহিলা উভয় ক্ষেত্রেই উর্বরতা সংক্রান্ত সমস্যার বৃদ্ধির হার বাড়তে পারে। এই জন্যই আপনার ও আপনার সঙ্গীর বয়স অল্প থাকতেই প্রথম সন্তানের পরিকল্পনা করে ফেলা উচিত|

সমস্যা # ৮

সমস্যা # ৮

শেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; আপনার বয়স যত বাড়বে গর্ভধারণ বিলম্ব করলে সন্তান পালনের বিষয়টি কঠিন হয়ে উঠতে পারে|

Story first published: Saturday, May 27, 2017, 14:00 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion