Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে এই ৫ ভ্যাকসিন! জেনে নিন আপনার সন্তানকে কখন কোন টিকা দেবেন
শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় খুবই কম হওয়ায় তাঁরা প্রায়ই কোনও না কোনও রোগে ভুগতে থাকে। তাই রোগভোগ থেকে বাচ্চাদের বাঁচানোর জন্য চলে টিকাকরণ প্রক্রিয়া। বিভিন্ন সংক্রামক ও মারণ রোগকে নিয়ন্ত্রণ বা নির্মূল করার ক্ষেত্রে অন্যতম হাতিয়ার হল টিকাকরণ। ভ্যাকসিনেশন আপনার বাচ্চাকে নানান ভয়ঙ্কর রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি তাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও শক্তিশালী করে।

এই করোনা পরিস্থিতিতে শিশুকে সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে হলে ইমিউনিটি শক্তিশালী রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর ইমিউনিটি শক্তিশালী করার সবচেয়ে সেরা উপায় হল টিকাকরণ। আজ আমরা আপনাদের এমন পাঁচটি ভ্যাকসিন সম্পর্কে জানাব, যেগুলি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে পারে -

চিকেন পক্স
চিকেন পক্স থেকে শিশুকে রক্ষা করতে হলে তাকে সময়মতো টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এই রোগ থেকে বাঁচতে দু'টি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়, ১২-১৫ মাস বয়সের মধ্যে প্রথম ডোজ এবং পরবর্তী ডোজ ৪-৬ বছরের মধ্যে। এই টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই হালকা এবং অস্থায়ী হয়। সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলি হল হাতে ব্যথা, হালকা জ্বর, র্যাশ এবং জয়েন্ট শক্ত হওয়া। শিশুদের মধ্যে হওয়া সবচেয়ে প্রচলিত রোগগুলির মধ্যে অন্যতম চিকেন পক্স। এই রোগ গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে এবং ইমিউনিটি একেবারে কমিয়ে দিতে পারে। ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাস (VZV) দ্বারা সৃষ্ট এই রোগ অত্যন্ত সংক্রামক।

হাম
বাচ্চাদের মধ্যে হওয়া আরেকটি সাধারণ রোগ হাম। খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এই রোগ এবং সারা শরীরে র্যাশ ভরে যায়, দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই, ১২-১৫ মাস এবং ৪-৬ বছর বয়সের মধ্যে কমপক্ষে MMR টিকার দু'টি শট নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই ভাইরাল রোগটি মরবিলিভাইরাস নামক এক ধরনের ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট। হামের টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চিকেনপক্সের মতোই হালকা। তবে কিছু ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও হতে পারে। এছাড়া এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

ফ্লু
ফ্লু খুবই সাধারণ সমস্যা হলেও, বাচ্চাদের জন্য এই সাধারণ ফ্লু-ও খুব বিপজ্জনক হতে পারে, কারণ বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল হয়। এই রোগ রোধ করতে ছয় মাস পরে একটি বার্ষিক টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ফ্লু-এর ভাইরাস ফুসফুস, নাক এবং গলাকে আক্রমণ করে। ক্রনিক রোগে আক্রান্ত শিশুরা ঘন ঘন ফ্লু-তে আক্রান্ত হয়, বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী বাচ্চারা।

টাইফয়েড
টাইফয়েড ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা দূষিত খাবার ও জলের মাধ্যমে ছড়ায়। এই সংক্রমণ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে সংক্রমিত করে। তাই বাচ্চার জন্মের পরপরই টিকা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। TCV এর প্রথম ডোজ ৯-১২ মাস বয়সে দেওয়া হয়।

টিটেনাস
এটি অত্যন্ত গুরুতর রোগ, যা মূলত স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে। টিটেনাস ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ, যা আমাদের শরীরে টক্সিন উৎপাদন করে। শিশুরা প্রায়ই খেলাধূলার সময় আঘাত পায়, আর ব্যাকটেরিয়া খোলা ক্ষতের মাধ্যমে খুব সহজেই তাঁদের শরীরে প্রবেশ করে। তাই, ২-১২ বছর বয়সের মধ্যে DTaP-এর পাঁচটি ডোজ এবং Tdap-এর একটি বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।



Click it and Unblock the Notifications