একা হাতে বাচ্চাদের বড় করবেন কীভাবে?

সিঙ্গেল বাবাদের জন্য় থাকল কিছু প্রয়োজনীয় টিপস।

বাচ্চাদের ভালো ভাবে বড় করে তুলতে বাবা-মা, দুজনেরই সমান ভূমিকা রয়েছে। তাই তো একা হাতে ছোটদের বড় করে তুলতে নানা সমস্য়ায় পরতে হয় সিঙ্গেল বাবা অথবা মায়েদের। আপনিও যদি একজন সিঙ্গেল বাবা হন তাহলে বুঝে থাকবেন কতটা ধৈর্য়ের প্রয়োজন হয় সব দিক ঠিক মতো সামলানোর জন্য়। কোনও কোনও সময় এই অতিরিক্ত চাপ নিতে শরীর ও মন না চাইলেও কিছু করার থাকে না। কারণ বাচ্চাকে তো আর ফেলে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই তো যেসব বাবা একা একাই তাদের বাচ্চাদের বড় করে তুলছেন, তাদের জন্য় এই প্রবন্ধে থাকলো এমন কিছু টিপস, যা মেনে চললে দেখবেন সমস্য়া অনেকটাই কমতে শুরু করবে।

উধাও হয়ে যাবেন না:

উধাও হয়ে যাবেন না:

ভালো বাবা হতে চান? তাহলে যতটা পারবেন সময় কাটান বাচ্চাদের সঙ্গে। প্রয়োজনে ওদের সঙ্গে খেলা করুন, গল্প করুন। ওদের মনের কথা জানার চেষ্টা করুন। এমনটা করলে ওরা নিজেদের একা মনে করবে না। সেই সঙ্গে ওদের মনের জোরও বাড়বে এই ভেবে যে, যে কোনও পরিস্থিতিতে তাদের বাবা সঙ্গে আছে। এমনটা হলে দেখবেন একা হাতে বাচ্চাদের বড় করে তুলতে আর কোনও সমস্য়াই হচ্ছে না।

একটা রুটিন বানিয়ে ফেলুন:

একটা রুটিন বানিয়ে ফেলুন:

বাড়ি এবং অফিস, এই দুটি দুনিয়া একসঙ্গে সামলাতে নিশ্চয় আপনার খুব খারাপ অবস্থা হয়ে যাচ্ছে! চিন্তা নেই। এই অসুবিধা থেকে বেরনোর উপায়ও আছে। প্রথমেই একটা রুটিন বানিয়ে ফেলুন। কোন কাজ কখন করতে হবে, সে বিষয়ে যদি আপনার জ্ঞান থাকে তাহলে দেখবেন বাচ্চাকে সময় দিতে আর কোনও অসুবিধাই হচ্ছে না।

বন্ধু-বান্ধব বানান:

বন্ধু-বান্ধব বানান:

বিপদে পড়লে বন্ধু-বান্ধরা খুব সাহায্য়ে আসে। তাই সিঙ্গেল বাবাদের বেশ কয়েকজন ভালো বন্ধু থাকাটা খুব জরুরি। কে বলতে পারে কখন বিপদ আসে। এইসব সময়ে পাশে কেউ থাকলে পরিস্থিতিকে সামাল দেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।

বাকি সিঙ্গেল বাবাদের সঙ্গে আলাপ করুন:

বাকি সিঙ্গেল বাবাদের সঙ্গে আলাপ করুন:

একা হাতে বাচ্চাদের সামলাতে গেলে অনেক কিছু জানার প্রয়োজন পড়ে। আর সবকিছু একজনের পক্ষে জানা সম্ভব হয়ে ওঠে না অনেক সময়। তাই তো অন্য় সিঙ্গেল বাবাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকাটা জরুরি।

কী কী আপনি ভালো জানেন তা লিখে রাখুন:

কী কী আপনি ভালো জানেন তা লিখে রাখুন:

এই ধরনের পরিস্থিতিতে নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে জ্ঞান থাকাটা খুব জরুরি। না হলে অনেক সময় নানা ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হতে হয় বাবাদের। তাই অবজ্ঞাকে বন্ধু না বানিয়ে ধীরে ধীরে নিজের পারা-না পারাটা সম্পকে জ্ঞাম অর্জন করুন, কারণ ভুলে যাবেন না, নিজেকে চিনলেই কিন্তু যুদ্ধ জেতা যায়।

সুস্থ থাকাটা জরুরি:

সুস্থ থাকাটা জরুরি:

অপনি সুস্থ না থাকলে বাচ্চাকে সুস্থ রাখবেন কীভাবে। তাই বাচ্চার পাশাপাশি নিজের খেয়াল রাখাটাও জরুরি। তাছাড়া অপনি অসুস্থ হয়ে পড়লে বাচ্চার খেয়াল রাখবে কে! একথাটা ভুলে যাবেন না যে আপনিই কিন্তু আপনার বাচ্চার একমাত্র সার্পোট।

অর্থনৈতিক দিক থেকে চাঙ্গা থাকুন:

অর্থনৈতিক দিক থেকে চাঙ্গা থাকুন:

বাচ্চাকে বড়ে করে তুলতে গিয়ে অনেক সময়ই সিঙ্গেল বাবাদের অর্থনৈতিক নানা বিষয়ে খেয়াল থাকে না। এমনটা করা কিন্তু একেবারেই উচিত নয়। তাই এখন থেকেই এই একটা বিষয় বেশ গুরুত্ব দিয়ে ভাবুন। কোথায় কী খরচ করছেন তা একটা জায়গায় লিখে রাখুন। এমনটা করলে দেখবেন প্রয়োজনের সময় কোনও সমস্য়াই হচ্ছে না।

Story first published: Monday, January 30, 2017, 17:35 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion