Parenting Tips: ১২ বছর হলেই শিশুকে দিন এই শিক্ষা, না হলে ভবিষ্যৎ হবে অন্ধকার!

By Bhagysree Sarkar

Parenting Tips: একজন প্রকৃত মা-বাবা তাদের শিশুর সুস্বাস্থ্য ও সুশিক্ষা (Child health and education) নিয়ে সর্বদাই চিন্তায় থাকে। শিশু দিন দিন যত বড় হয়, সেই চিন্তা যেন আরও বৃদ্ধি পেতে থাকে। একজন শিশুর যখন বয়স বারো, ঠিক সেই সময়ই আসে তাদের জীবনে টার্নিং পয়েন্ট। শিশুরা এই পর্যায়ে কৈশোরে পরিণত হয়।

মূলত, শৈশব থেকে যৌবনের দিনে এগিয়ে যাওয়ার দশা|এই সময় জুড়ে শিশুর শরীরে বিভিন্ন রকম শারীরিক পরিবর্তন (Physical changes) ঘটে। সঙ্গে আকস্মিক হরমোনের পরিবর্তনের (Sudden hormonal changes) ফলে মানসিক আবেগের তীব্রতারও উত্থান পতন ঘটে।

mother and boy

শিশু চিকিৎসকরা বলছেন, এই সময় শিশুদের কিছু বিশেষ জিনিস (Essential education for children) শেখানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে প্রত্যেক অভিভাবকদের। যা পরবর্তীতে তাদের জীবনে অত্যন্ত কার্যকর বলে প্রমাণ হবে। আসুন জেনে নিই এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (Life skills for children), যা প্রত্যেক অভিভাবকরা শিশুদের এই বয়সের আগে শেখানো উচিত।

  • দায়িত্ববোধ

গৃহস্থালির ছোট ছোট কাজে শিশুদের সাহায্য নিন। ধরুন, আপনি নিজেই ঘর পরিষ্কার করেন, কিন্তু কখনও কখনও সেই কাজ আপনার শিশুকে দিয়েও করান। এছাড়া বাসনপত্র ধোয়ার মত কাজেও তাদের সাহয্য নিন। এইসব কাজে ভুল হওয়ার কোনও জায়গা নেই। তবে এসব কাজ করে আপনার শিশু তার দায়িত্বের অনুভূতি পাবে। তারা পরিবারের দায়িত্ব ভাগ করে নিতে শিখবে।

  • সমস্যা সমাধান করা

জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হই। ঠিক সেইভাবে শিশুরাও হয়। তারা সমস্যার সম্মুখীন হলে নিজেরই সমাধান খুঁজে বের করতে দিন। আপনি তাদের সমাধান খুঁজে বের করতে উৎসাহিত করুন। পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করতে শেখান। এতে তারা সহজেই ভবিষ্যতে আসা যেকোনও সমস্যার সমাধান নিজেরাই খুঁজে বের করতে পারবে।

  • সহযোগিতা করুন

আপনার শিশুকে অন্যদের সাথে একসঙ্গে কাজ করতে শেখান। শিশুদের একত্রিত হয়ে কাজ করার গুরুত্ব বোঝাতে হবে। এতে তারা অন্যদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবে।

  • সময়ের গুরুত্ব

শিশুদের সময়ের গুরুত্ব অবশ্যই বেঝাতে হবে। সময়মতো কাজ সম্পূর্ণ করা এবং সময়ের সদ্ব্যবহার করার অভ্যাস করুন। এতে তারা তাদের লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে।

  • ইতিবাচক চিন্তাভাবনা

শিশুদের মধ্যে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা আনার চেষ্টা করুন। শিশুদের বোঝাতে হবে যে, ইতিবাচক চিন্তাভাবনা থাকলে তারা যে কোনও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারবে।

  • আত্মবিশ্বাসের গুরুত্ব

শিশুদের ছোট থেকেই বোঝাতে হবে যে, তারা কী করতে পারে, আর কী করতে পারে না। তাদের নিজেদের ক্ষমতায় বিশ্বাস করতে শেখাতে হবে। এজন্য তাদের ছোট ছোট লক্ষ্য স্থির করুন। সেগুলি অর্জন করতে অনুপ্রাণিতও করতে হবে। মনে রাখবেন, আত্মবিশ্বাসই তাদের জীবনের প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সাহায্য করবে।

  • অন্যদের সম্মান করা

শিশুদের এই বয়সেই শেখাতে হবে অন্যদের সম্মান করতে, সামনের মানুষ বড় হোক বা ছোট। তাদের বোঝাতে হবে, প্রতিটি ব্যক্তি আলাদা এবং সকলের নিজস্ব মতামত রয়েছে।

Story first published: Thursday, November 7, 2024, 12:37 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion