Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
Parenting Tips: শিশু কথা শুনছে না, অবাধ্য আচরণ? মা-বাবার এই অভ্যাসগুলোই হতে পারে দায়ী
Parenting Tips: বাবা-মা হওয়া সহজ কথা নয়। যত দিন যায় ততই শিশুকের ঘিরে চিন্তা বাড়তে থাকে। শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গেই ক্রমশ বাড়তে থাকে মা-বাবার চিন্তা। ছোটবেলা থেকেই শিশুর মধ্যে ভালো-মন্দ বোঝার দায়িত্ব বাবা-মায়ের। শিশুকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও অনুগত বানানো (Making children disciplined and obedient) প্রত্যেক মা-বাবার কর্তব্য। শিশুর সঠিকভাবে লালন-পালন করতে না পারলে দোষ আসে বাবা-মায়েরা উপর। কারণ শিশুরা তাদের বাবা-মায়ের আচরণ (Parental behavior) দেখেই শেখে।
বাবা-মায়েরাই চান যে তাদের শিশু তাদের সব কথা মেনে যেন চলে। খামখেয়ালী মনভাব বা মা-বাবার কথা না শোনার প্রবণতা প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই থাকে। তাই শিশুকে প্রকৃত মানুষ বানাতে কিছু আচরণ বদলানো উচিত মা-বাবারও। চলুন আজকের প্রতিবেদনে জেনে নেওযা যাক, বাবা-মায়ের এমন কোন আচরণ (Parents should change this behavior) সময় থাকতেই বদলে ফেলা উচিত। যাতে আপনার শিশুও হয়ে উঠবে আপনার বাধ্য।

- ছোট অর্জনের প্রশংসা করুন
মনে রাখবেন, শিশুদের সুশৃঙ্খল এবং ভাল মূল্যবোধ দিতে, মা-বাবার উচিত তাদের ছোট ছোট সাফল্য বা অর্জনের প্রশংসা করা (Appreciate small achievements)। এটি তাদের ভালো বোধ করাবে। এতে আপনার কাছাকাছি থাকবে শিশু। সঙ্গে আপনি যা বলবেন, তাও গুরুত্ব দেবে শিশু।
- শিশুকে অযথা বক্তৃতা দেবেন না
যদি আপনার শিশু কথা না শোনে নিজের ইচ্ছা অনুসারে কাজ করে, তবে বাবা-মায়ের উচিত নয় তাদের জীবনের সম্পকে অহেতুক জ্ঞান দেবেন না। সঠিক এবং ভুল বোঝানোর জন্য আপনার বেশি লেকচার দেওয়া উচিত নয়, কারণ আপনার এই অহেতুক জ্ঞানে শিশু আপনাকে সিরিয়াসলি নেবে না। আপনার ইমেজ তার চোখে ভাল থাকবে না। এমন পরিস্থিতিতে শিশুকে সহজ ভাষায় বোঝাতে হবে।
- আঘাত এড়িয়ে চলুন
বড় ধরনের ভুল না হলে, অভিভাবকদের উচিত তাদের শিশুদের মারধর করা। এই কাজ যত এড়ানো যায় ততই মঙ্গল। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের আপনার কাছে বসিয়ে আদর করে বোঝাতে হবে। এতে তারা আপনার কথা বুঝবে এবং তার করা ভুল পরবর্তীতে এড়ানোর চেষ্টা করবে।
- রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
অনেক সময় এমনও হয় যে বারবার চেষ্টা করার পরও শিশুরা রাজি হয় না। এমতাবস্থায় অভিভাবকদের উচিত তাদের রাগ নিয়ন্ত্রণ করা। রাগের মাথায় খারাপ কথা বলা উচিত নয়, কারণ আপনার কথা শিশুর মানসিকতাকে প্রভাবিত করে। এটি তাদের আচরণকে বিষাক্ত করে তোলে।
- বাধা এড়িয়ে চলুন
যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো অন্যায় না হয়, ততক্ষণ শিশুদের ইচ্ছানুযায়ী করতে দিন। শিশুরা যদি নতুন কিছু করার চেষ্টা করে, তবে তাদের উৎসাহ দিন। অভিভাবকদের অত্যধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এড়ানো উচিত। মনে রাখবান, শিশুর উপর খুব বেশি বিধিনিষেধ আরোপ করা উচিত নয়। এসব অভ্যাসের উন্নতি না করলে সে আপনার থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করবে। তাই এই বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।



Click it and Unblock the Notifications