Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
একজন মা কে কোন কথাগুলি বলা উচিত নয়? জেনে রাখুন
একজন মেয়ের জীবনে মা হওয়াটা এক নতুন অধ্যায়। উত্থান পতন, টানা পোড়েন মিশে জীবন এক নতুন অভিজ্ঞতার সামনে একটা মেয়েকে দাঁড় করায়। ঠিক ভুলের মধ্যে দিয়ে নানা জিনিস সে শিখতে থাকে। আমাদের কোনো কথা বা ব্যব
"মা হওয়া মুখের কথা না।" এই কথা আমরা আমাদের জীবনে কম বেশি সব সময় শুনেছি। কখনো বই এর পাতায়, কখনো বা লোকের মুখে। মায়েদের দায়িত্বও কম নয়। শৈশব, কৈশোর, যৌবন এবং বার্ধক্য বাদ দিলে একজন মেয়ের জীবনে মা হওয়াটা এক নতুন অধ্যায়। উত্থান পতন, টানা পোড়েন মিশে জীবন এক নতুন অভিজ্ঞতার সামনে একটা মেয়েকে দাঁড় করায়। ঠিক ভুলের মধ্যে দিয়ে নানা জিনিস সে শিখতে থাকে। এই সময় বিশেষত নতুন মা হলে সবসময় একটা অজানা ভয় কাজ করতে থাকে। নতুন কিছু ভুল হলো না তো, বা নিজের নেওয়া সিদ্ধান্তে বাচ্চার কোনো ক্ষতি হলো না তো। তাই মায়েদের কাছে বা মায়েদের সাথে আমাদের ভালোভাবে চিন্তাভাবনা করে কথা বলা উচিত। সে নতুন মা হয়েছে বা হয়নি তা বিবেচনা করার দরকার পড়ে না। আমাদের কোনো কথা বা ব্যবহার যাতে অন্য কারুর মাকে আহত না করে মানসিকভাবে, তা দেখাটাও কিন্তু আমাদের কর্তব্য। ঠিক কি কি করা উচিত বা উচিত না, তার উপর বিচার করে আজ আপনাদের জন্যে রইলো পাঁচটা কার্যকরী উপদেশ।

১. যারা নতুন মা হচ্ছেন তাদের সাথে কি করবেন না
যারা নতুন মা হয়েছেন বা হতে চলেছেন, তাদের উপর এমনি সামাজিক এবং মানসিক চাপ অনেক বেশি থাকে। নতুন দায়িত্ব তারা কিভাবে সামলাবে বা কতটা সামলাতে পারবে সেই নিয়ে ভীত থাকে। চিকিৎসকেরা বেশি দুশ্চিন্তা করতে বারণ করলেও মন মানতে চায় না। এর মধ্যে কিছু প্রবীণ ব্যক্তি থাকেন যারা ঠিক ভুল ধরিয়ে দেন সহজ ভাবে। কিন্তু কিছু লোক আছে যারা ভালো কথা বলার নাম করে অহেতুক দুশ্চিন্তাকে টেবিলে সাজিয়ে দিয়ে যান। এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকুন।
বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো অবশ্যই একটা মায়ের প্রথম কাজ। কিন্তু কোন কোন সময় শারীরিক সমস্যার কারণে নতুন মা তা করাতে পারেন না। না জেনেই এই ব্যাপারে অহেতুক মন্তব্য করে তার মধ্যে ভয়ের সঞ্চার না করা ভালো।
কেউ কেউ এটা বলে থাকেন যে বাচ্চাকে মোটেই তার বাবা বা মায়ের মত দেখতে হয় নি। সব থেকে নিন্দনীয় এবং কুরুচিকর মন্তব্যের মধ্যে এটা পড়ে। কোনো বাচ্চা তার মায়ের মত হয়েছে কিনা সেটা মা নিজেও জানে। তাই নিয়ে অযথা জ্ঞান না দেওয়া বাঞ্ছনীয়। একই ভাবে শিশুর নাক চোখ মুখের আকার আকৃতি নিয়ে তুলনা টানেন। একই রকম দৃষ্টিকটু বিষয় এটা। এগুলোকে এড়িয়ে চলুন।

২. আকার আকৃতি নিয়ে আলোচনা
একটু আগেই বললাম যে আকার বা আকৃতি নিয়ে আলোচনা করা প্রচলিত হলেও তা কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়। বাচ্চা কম ওজনের বা বেশি ওজনের হতেই পারে। তা হলে কি কি খারাপ হতে পারে তা দিয়ে মায়ের দুশ্চিন্তা না বাড়িয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলা অনেক বিচক্ষণতার পরিচয় দেয়। আপনি যা জানেন তা সবসময় ঠিক নাও হতে পারে। তাই যা জানেন তাই উগরে দেওয়া মূর্খামি।

৩. এটা কি পূর্বপরিকল্পিত
বাচ্চা নেওয়া স্বামী, স্ত্রী উভয়ের আশা বা ভালোবাসার পূর্ণাঙ্গ রূপ। এই সিদ্ধান্ত তাদের বৈবাহিক এবং সাংসারিক জীবনকে পূর্ণ করে তোলে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া একান্তই তাদের ব্যক্তিগত। অহেতুক প্রশ্ন করে তাদের বিব্রত করবেন না। কোন মা তার সন্তানকে নিজের ভুল বলে আখ্যা দিতে চাইবেন না এই বোধ আমাদের সকলের মধ্যে থাকা উচিত। "না, ভুল করে হয়ে গেছে," বা "আমরা চাইনি" এই ধরনের কথা কোনো বাবা মা বলতে চান না। তাই এই ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা অহেতুক হতে দাঁড়ায়।

৪. নিজের সন্তানের সাথে তুলনা টানবেন না
এই দুনিয়াতে কেউ পুরোপুরি ঠিক হয় না। অনেকগুলো ভুল থেকে পাওয়া শিক্ষা একজনকে সম্পূর্ণ করে তোলে। প্রত্যেক মায়েরা চায় তার সন্তান সবথেকে ভালো হোক, ভালো থাকুক। খারাপ কাজ, সে যত ছোটই হোক না কেনো, কোন মা সেটা তার সন্তানকে শেখায় না। কিন্তু অনেকে এই সহজ ছোট্ট কথাটা ভুলে যান। পরিবেশ, পরিজন নির্বিশেষে সব কথায় নিজের ছেলে মেয়ের তুলনা টেনে থাকেন। এতে কোন মা বা তার সন্তান উদ্বুদ্ধ মোটেই হন না। আপনার ছেলেমেয়ের মধ্যেও অনেক ভুল থাকতে পারে। অন্য কেউ যদি তার সন্তানের সাথে তুলনা টানে, আপনি নিশ্চয়ই খুশি হবেন না।

৫. ভুল অযথা আঙুল দিয়ে দেখানো
আগেই বলা হলো যে কেউই পুরো সঠিক হয় না। বাচ্চারা তো সেখানে ভুল করবেই। ভুল থেকেই তারা শিখবে। তাই বলে ছোটখাটো ভুলে সবসময় তাকে স্থান কাল নির্বিশেষে আঙুল তুলে দোষারোপ করলে তার মধ্যেও খারাপ লাগা আসতে পারে।



Click it and Unblock the Notifications