বিশ্ব শরণার্থী দিবস ২০২০ : শরণার্থী দিবস সম্পর্কে কিছু তথ্য

প্রতি বছর ২০ জুন 'বিশ্ব শরণার্থী দিবস' (World Refugee Day) দিবস পালন করা হয়। ২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অনুমোদিত হয় যে, ২০০১ সালে থেকে জুন মাসের ২০ তারিখ আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবস হিসেবে পালন করা হবে। ১৯৫১ সালে অনুষ্ঠিত শরণার্থীদের অবস্থান নির্ণয় বিষয়ক কনভেনশনের ৫০ বছর পূর্তি হয় ২০০১ সালে।

World Refugee Day 2020

আজকের এই বিশেষ দিনে, আমরা গোটা বিশ্বে বিদ্যমান শরণার্থীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদের জানাব, দেখে নিন সেগুলি-

১) শরণার্থী বা উদ্বাস্তু একজন ব্যক্তি, যিনি নিজ দেশ ছেড়ে অথবা আশ্রয়ের সন্ধানে অন্য দেশে অস্থায়ীভাবে অবস্থান করেন। জাতিগত সহিংসতা, ধর্মীয় উগ্রতা, জাতীয়তাবোধ, রাজনৈতিক আদর্শগত কারণে সমাজবদ্ধ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাহীনতাই এর প্রধান কারণ। যিনি শরণার্থী বা উদ্বাস্তুরূপে স্থানান্তরিত হন, তিনি আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে পরিচিত হন।

২) গোটা বিশ্বে ৫০ শতাংশেরও বেশি শরণার্থী ১৮ বছরের কম বয়সী।

৩) রিফিউজি কাউন্সিলের মতে, ২০১৪ সালে ৮.৩ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ তাদের দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এটিই সর্বোচ্চ রেকর্ড বলে জানা গেছে।

৪) বিশ্বের বেশিরভাগ আশ্রয়প্রার্থী হলেন ইরান ও পাকিস্তানের।

৫) রিফিউজি কাউন্সিলের মতে, বিশ্বের ৮৬ শতাংশ শরণার্থী উন্নয়নশীল দেশগুলির। এর মধ্যে কয়েকটি দেশ বেশ দরিদ্র।

৬) ২০১৪ সালে ৩৪,৩০০ জনেরও বেশি সংখ্যক নিঃসঙ্গ শিশু আশ্রয়প্রার্থী হওয়ার জন্য দাবি করেছে। এই শিশুদের বেশিরভাগই ইরিত্রিয়ান, আফগান, সোমালি এবং সিরিয়ার মতো দেশগুলির ছিল।

৭) আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, কেউ শরণার্থীদের নিজের দেশে ফিরে যেতে বাধ্য করতে পারে না।

৮) ২০১৪ সাল অবধি, ৫৯.৫ মিলিয়ন মানুষ বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে তাদের দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে। যদি এই সমস্ত মানুষদের জন্য একটি নতুন জাতি গঠন করা যায় তবে এটি বিশ্বের ২৪তম বৃহত্তম জাতি হয়ে উঠবে।

৯) বিশ্বের মোট শরণার্থীর মধ্যে ব্রিটেনের রয়েছে মাত্র ০.৬ শতাংশ।

১০) ইরান, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক এবং লেবানন হল শরণার্থীদের জন্য শীর্ষস্থানীয় ৫টি দেশ।

X
Desktop Bottom Promotion