খোলামেলা পোশাকে লাস্যময়ী পোজ, 'প্লেবয়' ম্যাগাজিনে উষ্ণতা ছড়ালেন মন্ত্রী!

ম্যাগাজিনের কভার পেজে খোলামেলা পোশাকে কিনা খোদ মন্ত্রী! পরনে সাদা রঙের পোশাক। খোলা চুল। স্পষ্ট বক্ষবিভাজিকা। উন্মুক্ত দুই পা। দুই হাত সামনে রেখে চেয়ারের উপর বসে তিনি। বিখ্যাত ম্যাগাজিন 'প্লেবয়'-এর প্রথম পাতায় দেশের মন্ত্রীর এ হেন অবতারে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

ফ্রান্স সরকারের অর্থ এবং সমাজ বিষয়ক মন্ত্রী মার্লিন শিয়েপ্পা। সম্প্রতি তাঁর এই সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন। হুলুস্থুলু পড়ে গিয়েছে দেশজুড়ে। শুধু কভার পেজের জন্য পোজ দেওয়াই নয়, ওই পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর ১২ পাতার ইন্টারভিউ ঘিরেও জোর চর্চা চলছে। এই সাক্ষাৎকারে তিনি মহিলা এবং এলজিবিটিকিউদের অধিকার নিয়ে সরব হয়েছেন।

Marlene Schiappa

তবে তাঁকে নিয়ে যতই সমালোচনা হোক না কেন, মোটেই পাত্তা দিচ্ছেন না তিনি। নিজের সিদ্ধান্ত থেকে নড়ছেন না মার্লিন। এ নিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে মার্লিন সাফ জানিয়েছেন, মহিলারা নিজেদের শরীর নিয়ে যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন।

নারীবাদী হিসেবেই বরাবর পরিচিত বছর ৪০-র মার্লিন। রাজনীতিতে আসার আগে কাজ করতেন এক বিজ্ঞাপনী সংস্থায়। মাতৃত্ব এবং নারীদের নিয়ে একাধিক উপন্যাসও লিখছেন তিনি। তাঁর লেখা বইগুলির মধ্যে প্রবল জনপ্রিয়তা পেয়েছে, 'লেটার্স টু মাই ইউটেরাস' এবং 'হু আর দ্য রেপিস্টস'।

২০১৪ সালে ফ্রান্সের লে মান্স শহরের ডেপুটি মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন মার্লিন। ২০১৫ সালে বর্তমান ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর সঙ্গে দেখা হয় তাঁর। সেই সময় অর্থমন্ত্রী ছিলেন ম্যাক্রোঁ। ২০১৭ সালে 'স্টেট ফর জেন্ডার ইক্যুয়েলিটি'-র সেক্রেটারি হন মার্লিন। এর পর ২০২০ সালে দেশের নাগরিকদের বিশেষ অধিকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তরের মন্ত্রী হন তিনি।

'প্লেবয়' ম্যাগাজিনে ছবি প্রকাশিত হওয়ায় নিজের দলের কাছেই প্রবল সমালোচিত হয়েছেন মার্লিন। ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্ন কড়া ভাষায় তাঁকে আক্রমণ করেছেন।

এই ম্যাগাজিনের তরফে জানানো হয়েছে যে, প্লেবয় একটি সফ্ট পর্ণ ম্যাগাজিন নয়। ৩০০ পাতার বই এবং পত্রিকার মিশ্রণ এটি। তবে এর পরও থামছে না বিতর্ক।

X
Desktop Bottom Promotion