For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কে এই 'গুঞ্জন সাক্সেনা', জানুন কেন তাঁকে কার্গিল গার্ল বলা হয়

|

গুঞ্জন সাক্সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনার প্রথম মহিলা পাইলট। যিনি ১৯৯৯ সালে কার্গিলের যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ করেছিলেন। তখন গুঞ্জনের বয়স ছিল মাত্র ২৫ বছর। দশজন পাইলটের একটি দলে তিনি ছিলেন একমাত্র মহিলা। ওই সময়, মহিলাদের যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের অনুমতি ছিল না এবং যুদ্ধবিমান চালানোর অনুমতিও দেওয়া হত না। এমনটা মনে করা হতো যে মেয়েরা এই কাজের পক্ষে উপযুক্ত নন। কিন্তু গুঞ্জন সাক্সেনা এই ভুল ধারণা একেবারে ভেঙে দিয়েছিলেন।

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট গুঞ্জন সাক্সেনা-এর উত্তরপ্রদেশের সেনা পরিবারেই জন্ম। যুদ্ধের প্রথম দিকে তাঁকে শ্রীনগরে যেতে বলা হয়। উধমপুর থেকে শ্রীনগর যাওয়ার জন্য ফোনে বাবা-মাকে খবর দেন তিনি। নিজে একজন সেনা কর্মকর্তা হওয়ার কারণে তাঁর বাবা তাঁর কাজে হস্তক্ষেপ করার কথা একবারও ভাবেননি। কার্গিল যুদ্ধের সময় অসীম সাহসিকতা ও দায়িত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন গুঞ্জন। তিনি ভারতীয় বায়ুসেনার প্রথম মহিলা অফিসার, যিনি যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বহু আহত জওয়ানদের উদ্ধার করেছিলেন এবং তাঁর বিচক্ষণতা ও কাজের প্রতি নিষ্ঠার কারণেই অনেকের প্রাণ বেঁচেছিল।

কার্গিল যুদ্ধের শুরুতে, কেউই বুঝতে পারেননি যে এটি এত বড় যুদ্ধের আকার ধারণ করবে। শ্রীনগরে সেই সময় চারটি হেলিকপ্টার ছিল। কার্গিল যুদ্ধের সময় গুঞ্জন সাক্সেনা-কে দায়িত্ব দেওয়া হয় যে তিনি কো-পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শ্রীবিদ্যা রাজনকে সঙ্গে নিয়ে চিতা হেলিকপ্টারে করে জওয়ানদের ও যুদ্ধের সামগ্রী প্রায় ১৮ হাজার ফিট উচ্চতায় পৌঁছে দেবেন। আবার জখম জওয়ানদেরও উদ্ধার করতেন। এই কাজ কোনও নবাগত পাইলটের পক্ষে অত্যন্ত সহজ ছিল না, কারণ সেখানেও শত্রুদের গুলিতে বিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে গুঞ্জন তাঁর দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সহিত পালন করেছিলেন। তাঁকে জওয়ানদের ওষুধ, খাবার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জিনিসও সরবরাহ করতে হয়েছিল। তিনি মাত্র ২০ দিনে এইরকম দশটি মিশন সম্পূর্ণ করেছিলেন। তাঁর এই বীরত্বের কারণেই অনেকেই তাঁকে 'দ্য কার্গিল গার্ল' বলে অভিহিত করে থাকেন।

আরও পড়ুন : Independence Day : জেনে নিন স্বাধীনতা সংগ্রামের বিশিষ্ট কিছু নারী মুক্তিযোদ্ধার সম্পর্কে

English summary

Who Is Gunjan Saxena The Kargil Girl

The story of Gunjan Saxena, one of India’s first women in combat.
X