Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
শনির সাড়ে সাতির খপ্পরে যে পরেছেন তা বুঝবেন কীভাবে জানা আছে?
জন্ম কুষ্টিতে শনি গ্রহের অবস্থান বিগড়ে গেছে বুঝবেন কীভাবে জানেন? যখন দেখবেন কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে গেছে!
এ জীবনে কেউ শনির সাড়ে সাতির খপ্পরে পরুক, এমনটা কেউই চান না। কারণ যার উপর একবার দেবের বক্রদৃষ্টি পরে, তার জীবনে আনন্দে বলতে আর কিছুই থাকে না। অনেকটা খরার সময় যেমন পুকুরের জল একেবারে তলানিতে এসে দাঁড়ায়, ঠিক তেমনি কারও উপর শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব পরলে আনন্দের জয়গা নেয় দুঃখ এবং মানসিক অশান্তি। ফলে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠতে সময় লাগে না। কিন্তু প্রশ্ন হল কারণও জন্ম কুষ্টিতে শনি গ্রহ যে উল্টো পথ ধরেছে তা বোঝা যাবে কীভাবে?
এক্ষেত্রে এমন কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায় যা দেখে সহজেই বুঝে যাওয়া সম্ভব যে আপনি শনির সাড়ে সাতির খপ্পরে পরেছেন। যেমন ধরুন...

১. কর্মজীবনে বারে বারে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখিন হতে হবে:
বিশেষজ্ঞদের মতে কারও উপর শনির বক্র দৃষ্টি পরলে অফিসে একের পর এক বাঁধা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। কোনও কোনও সময় পরিস্থিতি এমন হয় যে সম্মানহানীর আশঙ্কাও থাকে। তবে এক্ষেত্রে একটি জিনিস মাথায় রাখা প্রয়োজন যে আমাদের সবাইকেই কর্মজীবনে এমন পরিস্থিতির সম্মুখিন হতে হয়। তবে তাই বলে প্রতি সময় এমনটা ভেবে নেওয়া ভুল হবে যে শনির বক্র দৃষ্টি পরেছে বলেই এমনটা হচ্ছে। কিন্তু যদি দেখেন হাজারে চেষ্টা করেও খারাপ সময় কাটছে না, তাহলে বুঝে যাবেন সাড়ে সাত বছর এমন ভাবেই চলবে আপনার জীবন।

২. হঠাৎ করে চাকরি চলে যাবে:
সব ঠিকই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই এমন পরিস্থিতি হল যে চাকরিটাই চলে গেল অথবা চাকরি ছাড়তে বাধ্য হলেন আপনি, এমনটা হলে সময় নষ্ট না করে যত শীঘ্র সম্ভব একজন জ্ঞানী জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে হঠাৎ করে চাকরি চলে যাওয়া বা মারাত্মক অ্যাক্সিডেন্ট হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে বুঝতে হবে শনি দেব একেবারেই প্রসন্ন নন আপনার উপরে।

৩. নানাবিধ সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে:
জন্ম কুষ্টিতে শনি গ্রহের অবস্থান বিগড়ে গেছে বুঝবেন কীভাবে জানেন? যখন দেখবেন কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে গেছে! অর্থাৎ ছোট ছোট সমস্যা যখন বড় আকার ধারণ করতে শুরু করবে, তখন নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে নিতে ভুলবেন না। কারণ আগামী সময়ে আরও সমস্যা সামলাতে হবে যে আপনাকে। আসলে এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে শনি দেব আমাদের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে এই কারণে ফেলেন, যাতে আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পারি এবং আগামী সময় নিয়ম-নীতি মেনে জীবনযাপন করি। এই কারণেই তো শনির সাড়ে সাতি শুরু হলে একের পর এক সমস্যায় জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠতে সময় লাগে না।

৪. ধার-দেনা বাড়তে থাকবে:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে শনি গ্রহের অবস্থান বদলাতে শুরু করলে প্রথমেই যে সমস্যাটা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে, তা হল নানা কারণে একের পর পর অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, এই সময় ধার-দেনার পরিমাণও বেড়ে যায়। এই কারণেই তো শনির সাড়ে সাতির প্রভাব থাকাকালীন টাকা-পয়সা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে মানা করেন জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞরা।
এখন প্রশ্ন হল শনি দেব ক্ষুন্ন হলে কি সাড়ে সাত বছর এমন কষ্ট সহ্য করতে হয়? খাতায় কলমে বয় বৈকি! তবে বেশ কিছু নিয়ম আছে, যা মেনে চললে শনি দেব বেজায় প্রসন্ন হন, ফলে সাড়ে সাতির প্রভাব, সময়ের আগে কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে যে যে নিয়মগুলি মানলে এমন উপকার পাওয়া যায়, সেগুলি হল...

১. শিব ঠাকুরের রুদ্র অভিষেক করতে হবে:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতি সোমবার এবং শনিবার শিব লিঙ্গের উপর জল এবং দুধ ঢালার পাশাপাশি যদি নিয়ম করে দেবাদিদেবের রুদ্রাভিষেক করা হয়, তাহলে শনি গ্রহের কুপ্রবাব কাটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে শিব ঠাকুরের আশীর্বাদে নানাবিধ ঝামেলায় জড়িয়ে পরার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

২.কালো তিল বীজের মহিমা:
শনি দেব কালো তিল বেজায় পছন্দ করেন। তাই তো প্রতি শনিবার কালো তিল এবং সরষের তেল সহযোগে সর্বশক্তিমানের আরাধনা করলে দেব এতটাই প্রসন্ন হন যে খারাপ সময় কেটে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে শনি ঠাকুরের আশীর্বাদে জীবনে পুনরায় অনন্দের প্রবেশ ঘটে।

৩. প্রতি শনিবার খিচুড়ি খেতে ভুলবেন না যেন!
শুনতে আজব লাগছে, কি তাই তো? জানি বন্ধু জানি! কিন্তু এমন বিশ্বাস রয়েছে যে প্রতি শনিবার খিচুড়ি খাওয়া শুরু করলে দেব সন্তুষ্ট হন। আর এমনটা হলে দুঃখের জীবনে যে দাড়ি পরে, তা তো বলাই বাহুল্য!

৪. প্রতি শনিবার খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটতে হবে:
যখন ঝড় আসে, তখন বড় বড় গাছেরা ভেঙে পরলেও কিন্তু দুর্বল ঘাসেদের কিছু হয় না। কারণ তারা হাওয়ার পথ অনুসরণ করে নিজেদের শরীরকে দুলিয়ে নেয়। ফলে ঝড় কেটে গেলে তারা আবার নতুন ভাবে বেড়ে উঠতে শুরু করে। জীবনের চলার পথে আসা নানা কষ্ট অনেকটা এই ঝড়ের মতোই। তাই তো ঘাসের মতো নিজেকে কিছু সময়ের জন্য নিচু করে নিতে শিখতে হবে। দেখবেন কষ্ট যখন কমে যাবে, তখন জীবন আগের থেকে আরও বেশি সুন্দর হয়ে উঠবে। এই কারণেই তো প্রতি শনিবার খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটতে বলে। কারণ এমনটা করলে খুব কাছ থেকে ঘাসেদের চরিত্র বুঝতে পারা যায়। তাই তো শনির প্রকোপে কোনও সময় যদি দুঃখের ঝড় ওঠে বা, তবু দেখবেন জীবনকে ঠিক দিশায় নিয়ে যেতে কোনও কষ্টই হবে না।

৫. ইচ্ছা হলে নীলাও পরতে পারেন:
জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে নীলা ধারণ করলে শনির সাড়ে সাতির প্রকোপ কমে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও যেমন কমে, তেমনি নানাবিধ সমস্যায় জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। শুধু তাই নয়, এই স্টোনটি এতটাই ক্ষণতাশালী যে পরা মাত্র ছোট-বড় সব রোগ-ব্যাধিও দূরে পালায়।

৬. দান করতে ভুলবেন না যেন:
শনি দেব হলেন কর্মের দেবতা। তাই তাঁর প্রকোপ থেকে যদি বাঁচতে চান, তাহলে মন খুলে লোকের সেবা করুন। সেই সঙ্গে ক্ষমতা অনুসারে দান-ধ্যানও খরুন। এমনটা করলে শনি দেব তো প্রসন্ন হবেনই, সেই সঙ্গে সুকর্মের প্রভাবে জীবন সুন্দর হয়ে উঠতে দেখবেন সময় লাগবে না।

৭. অশ্বত্থ গাছের পুজো করতে হবে:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে নিয়মিত অশ্বত্থ গাছের পুজো করলে জীবনে পজেটিভ শক্তির প্রভাব বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে শনি দেবও খুব খুশি হন। ফলে খারাপ কোনও ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যায় কমে।

৮. প্রতি শনিবার শনি মন্ত্র জপ করা মাস্ট:
"ওম নীলাঞ্জন সমভাহাসাম রাবি পুত্রাম ইয়ামাগরাজান চায়া মার্তান্ডা-সামভুতাম তাম নমামি শানিশভারাম", এই মন্ত্রটি যদি নিয়মিত পাঠ করতে পারেন, তাহলে শনিদেব এতটাই প্রসন্ন হবেন যে কোনও দিন শনির মহাদশার প্রকোপ সইতে হবে না।

৯. শ্রী হনুমানের পুজো করা জরুরি:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে হনুমানজির পুজো করলে সাড়ে সাতির প্রকোপ কাটতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি গৃহস্থের অন্দরে পজেটিভ শক্তির প্রভাব এতটা বেড়ে যায় যে সুখ-শান্তির ঝাঁপিও কখনও খালি হয় না।



Click it and Unblock the Notifications