Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
আজ স্নান যাত্রা! এবছর কবে রথযাত্রার শুভ তিথি, জেনে নিন এর পিছনে থাকা ইতিহাস
রথযাত্রা হিন্দুদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এতে রথের উপর দেবতাদের মূর্তি স্থাপন করে রথ চালানো হয়। সনাতন ধর্মের বিভিন্ন পুরাণে একাধিক দেবদেবীর রথযাত্রার উল্লেখ আছে। বিভিন্ন দেবদেবীর রথযাত্রার সময়কালও ভিন্ন। কোথাও বৈশাখ মাসে, কোথাও আষাঢ় মাসে, আবার কোথাও কার্তিক মাসে রথযাত্রার অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। দেশের সর্বাধিক প্রসিদ্ধ রথযাত্রা ওড়িশার পুরী শহরের জগন্নাথ মন্দিরের রথযাত্রা। পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল, হুগলির মাহেশ কলকাতা ও বাংলাদেশের ধামরাই জগন্নাথ রথ ইসকনের রথ বিশেষ প্রসিদ্ধ।
জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে জগন্নাথ দেবের জন্মদিন উপলক্ষ্যে স্নান উৎসব পালিত হয়ে থাকে। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথযাত্রার ১৫ দিন আগে স্নানযাত্রা পালন করা হয়। এই বছর স্নানযাত্রা পড়েছে আজ অর্থাৎ, ২২ জুন শনিবার। রথযাত্রা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে মেলার আয়োজন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে রথযাত্রার সময় যাত্রাপালা মঞ্চস্থের রীতি বেশ জনপ্রিয়। চলতি বছরে ৭ জুলাই অর্থাৎ ২২ শে আষাঢ় রবিবার পড়েছে রথযাত্রা। দ্বিতীয়া শুরু ৬ জুলাই রাত ৪ টে ৩৫ মিনিট থেকে শেষ ৭ জুলাই রাত ৪ টে ৪০ মিনিটে। এদিকে উল্টো রথযাত্রা (পুনর্যাত্রা) ১৬ জুলাই অর্থাৎ ১ শ্রাবণ মঙ্গলবার।

পুরীর জগন্নাথ ক্ষেত্র শাক্ত, বৈষ্ণব এবং শৈবদেরও তীর্থক্ষেত্র। এই মন্দির সংলগ্ন রয়েছে মা বিরজার মন্দির। সনাতন ধর্ম মতে, এই বিরজা সতীর অংশ বিশেষ। যেহেতু প্রতিটি সতীপীঠে ভৈরব থাকেন, তাই পুরীতে ভৈরব জগন্নাথ। জগন্নাথ যেহেতু স্বয়ং বিষ্ণু, তাই এটি বৈষ্ণবদেরও তীর্থক্ষেত্র। জগন্নাথকে স্বয়ং শিব বলে মনে করেন শৈবরা। তাই শিব-ভক্তদের কাছেও পুরীর জগন্নাথ ক্ষেত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। আবার বৌদ্ধদের কাছেও শ্রীক্ষেত্রের গুরুত্ব কম নয়।
বৌদ্ধদের বিশ্বাস, শ্রীক্ষেত্রেই রয়েছে ভগবান তথাগতের দাঁত। জৈনদের বিশ্বাস, জগন্নাথ তীর্থঙ্কর স্বরূপ। কারণ নাথ বলা হয় জৈন তীর্থঙ্করদের। তাছাড়া জগন্নাথ শব্দটিও এসেছে জৈন থেকে। তাই অনেকে মনে করেন, জগন্নাথ উপজাতিদের দেবতা। শবরা গোপনে পুজো করতেন নীলমাধবের। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় তাঁকে। প্রতিষ্ঠা করা হয় পুরীধামে। তাই তিনি উপজাতিদেরও আরাধ্য।
রথযাত্রার দিনে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা এই তিন শ্রীবিগ্রহকে তোলা হয় রথে। বছরের এই একটি দিনেই ভক্তদের কোলে চড়ে রথারোহণ করেন জগতের নাথ। তাঁর সঙ্গে রথে চড়ে মাসির বাড়ি যান দাদা বলরাম ও বোন সুভদ্রা। পুরীর এই তিন শ্রীবিগ্রহ রথে চড়ে যান দু কিলোমিটার দূরের গুন্ডিচা মন্দিরে। ৭ দিন সেখানে পুজো-ভোগ নিবেদন হয় তাঁর। উল্টো রথের দিন ফের শ্রীমন্দিরে ফেরেন ভক্তের ভগবান।



Click it and Unblock the Notifications