ওরে ভূতের রাজারা আর নেই রে!

একটা সময় ছিল যখন দুঃখে থাকলে বাবা-বাছা বলে ওরা পাশে দাঁড়াতেন, কেন মন খারাপ সে কথাও সময় দিয়ে শুনতেন। তাই না গুপী-বাঘার ভাগ্যে ওমন তিনটে বর জুটেছিল! কিন্তু এখন না আছে বাঁশের বন, না আছে তেমন ভাল ভূতেরা। তাই তো এখন মন খারাপ হলেই সাবধান! কারণ বেশ কিছু বইয়ে উল্লেখ পাওয়া গেছে মন খারাপ থাকলে নাকি ভূতেরা ভর করে। আসলে এমন সময় আমাদের আশেপাশে নেগেটিভ এনার্জির মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে ভূতেরা আমাদের জীবনে এসে প্রবেশ করে। ফলে আরও খারাপ কিছু ঘটার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

জানি জানি শুনতে অজব লাগছে, তাই তো! কিন্তু একটা নয়, একাধিক প্রাচীন গ্রন্থে এমন লেখা রয়েছে যে আমাদের কিছু ভুলের কারণে ভুতেরা আমাদের জীবনে এসে নাক গলায়। ফলে একের এক খারাপ ঘটনা ঘটতে শুরু করে। তাই কী কী কাজ করলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়াটা উচিত নয় কি? জানি আপনারা ভূত-প্রেতে বিশ্বাস করেন না। কিন্তু তাই বলে চান্স নেওয়া কি বুদ্ধামানের কাজ হবে?

মরার কথা বারে বারে নয়:

মরার কথা বারে বারে নয়:

অনেকেই আছেন যারা কারণে-অকারণে বারে বারে মরার কথা বলে থাকেন। এমনটা করলে চারিপাশে নেগেটিভ এনার্জিতে ভরে যায়। ফলে ভূত-প্রেতেরা সুযোগ পেয়ে যায় আমাদের জগতে প্রবেশ করার। তাই ভুলেও মুখে মরার কথা আনবেন না, যদি না ভূতেদের সঙ্গ পেতে চান তো!

অবসাদ পরলোকের দরজা খুলে দেয়:

অবসাদ পরলোকের দরজা খুলে দেয়:

লক্ষ করে দেখবেন যখনই আমাদের মন খুব খারাপ থাকে, তখন কোনও কিছুতেই মন বসতে চায় না। সব সময়ই মনে হয় যেন জীবনটা দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। ফলে খুশি আমাদের সঙ্গ ছেড়ে দূরে পালায়। এমন মুহূর্তে আমাদের চারিপাশ আত্মার বিচরণ ভূমিতে পরিণত হয়। তাই এবার থেকে যখনই মন খারাপ হবে, জানবেন কেউ না কেউ ঠিক আপনার খারাপ করতে পাশে এসে গেছে। যদের আপনি দেখতে পাচ্ছেন, হয়তো অনুভব করছেন মাত্র।

ড্রাগের নেশা:

ড্রাগের নেশা:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে যারা প্রতিদিন ড্রাগের নেশা করেন তারা মানসিক এবং শারীরিক দিক থেকে এতটাই দুর্বল হয়ে পরেন যে খুব সহজেই খারাপ কিছু তাদের শরীরে জায়গা করে নিতে পারে। শুধু তাই নয়, "ডেমোনিক অ্যাটাচমেন্ট" অর্থাৎ ভূতেদের উপদ্রপ বেড়ে যাওয়ার কারণে এমন নেশারু মানুষদের আরও খারাপ হতে শুরু করে।

কালো যাদু ওদের আকৃষ্ট করে:

কালো যাদু ওদের আকৃষ্ট করে:

ব্ল্য়াক ম্য়াজিক সম্পর্কে ভাল জ্ঞান না থাকলে এই সব নিয়ে বেশি নাড়াচাড়া করতে যাবেন না। এমনটা করলেও নাকি আশেপাশে আত্মার দাপট খুব বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, মানব শরীর খারাপ আত্মার বশে চলে যাওয়ারও ভয় থাকে। তাই সাবধান!

ভুলেও প্ল্যানচেট নয়!

ভুলেও প্ল্যানচেট নয়!

কম বয়সিরা অনেকেই বন্ধুবান্ধবদের ভয় দেখাতে খেলার ছলে প্ল্যানচেট করে থাকেন। সেক্ষেত্রে অনেকেই একটা বোর্ড আর কয়েকটি মোমবাতি ব্যবহার করে আত্মার সঙ্গে যোগযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সফল হন না। কারণ পুরো বিষযটাই তো হয় মজা করার জন্য। কিন্তু এমনটা করতে করতেও নাকি আত্মার সঙ্গে ভুল বশত যোগাযোগ স্থাপন হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে প্ল্যানচেট সম্পর্কে জ্ঞান না থাকায় আত্মাকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। ফলে খারাপ কিছু ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই মজা করেও আর প্ল্যানচেট করবেন না যেন!

আরও কিছু কারণে ভূতেরা ভর করতে পারে:

আরও কিছু কারণে ভূতেরা ভর করতে পারে:

খুন বা আত্মহত্যা:

যে জায়গায় কারও খুন হয় বা কেউ আত্মহত্যা করেন সেখানে এত মাত্রায় নেগেটিভ এনার্জি তৈরি হয় যায় যে ভূতেদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। তাই খেয়াল করে দেখবেন সেই সব জায়গাকেই হন্টেড প্লেস হিসেবে গণ্য করা হয়, যেখানে কোনও না কোনও সময় কারও মৃত্যু হয়েছিল।

একাধিক মৃত্যু হয়েছে এমন জায়গা:

একাধিক মৃত্যু হয়েছে এমন জায়গা:

যে জায়গায় একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেখানে ভুলেও যাবেন না। কারণ এমন জয়গায় যাওয়া মানে ভূতেদের খপ্পরে পরা।

তন্ত্র-মন্ত্রের ফাঁদে নয়:

তন্ত্র-মন্ত্রের ফাঁদে নয়:

যে জায়গায় জানবেন কালো যাদুর আরাধনা করা হয়, সেখানে কখনও যাবেন না। কারণ এমন জায়গায় নেগেটিভ এনার্জির মাত্রা খুব বেশি থাকে। আর যেখানে নেগেটিভ এনার্জি থাকে সেখানে যে ভূতেরা থাকবে না, সে কথা কে গ্যারেন্টি দিতে পারে।

আনন্দে থাকবেন:

আনন্দে থাকবেন:

সারাক্ষণ খারাপ চিন্তা করে এমন মানুষদের থেকে যতটা পারবেন দূরে থাকার চেষ্টা করবেন। সেই সঙ্গে নিজের মনকেও তরতাজা রাখবেন। কারণ যেমনটা আগেও বলেছি যে খারাপ চিন্তা নেগেটিভ এনার্জিকে আকৃষ্ট করে। আর নেগেটিভ এনার্জি আমন্ত্রণ জানায় আত্মাদের।

Story first published: Friday, June 16, 2017, 17:09 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion