Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
এই বৃষ্টিতে বাড়িতে কোনও অমঙ্গল ঘটুক এমনটা যদি না চান, তাহলে মেনে চলুন এই বাস্তু নিয়মগুলি!
খারাপ শক্তি পিছু ছাড়বে কীভাবে? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে এই প্রবন্ধে চোখ রাখতে ভুলবেন না যেন!
আচ্ছা পেট খারাপ হলে সবাই বারে বারে পটি যায় কেন জানা আছে? অ্যাঁ, এবার কেমন প্রশ্ন! জানি জানি শুনতে আজব লাগছে! কিন্তু আসল উত্তরটা কারও জানা নেই, তাই তো এমন প্রশ্ন করা। আসলে বারে বারে পটি করলে শরীরের অন্দরে জমতে থাকা বিষ বেরিয়ে যেতে শুর করে। ফলে শরীর একটু দুর্বল হয়ে পরলেও আদতে কিন্তু দেহের প্রতিটি অংশ চাঙ্গা হয়ে উটতে শুরু ওঠে।
একই ঘঠনা ঘটে বৃষ্টির সময়ও। আপাতদৃষ্টিতে জমা জল, প্য়াচপ্য়াচে কাদা দেখে মন বিরক্তে ভরে ওঠে ঠিকই। কিন্তু আদতে কিন্তু বৃষ্টির সময় জলের তোড়ে আমাদের আশেপাশে জমে থাকা ময়লা সব ধুয়ে যেতে শুরু করে। তাই তো গাছের পাতা আরও সবুজ এবং প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। বাড়ি-ঘর চকচক করে ওঠে, আর আকাশ উজ্জ্বল নীল রঙে ছেয়ে যায়। কিন্তু বাড়ির ভিতরে জমে থাকা বিষ যে গৃহস্থের অন্দরেই থেকে যায়।
মানে! আরে বন্ধু একথা নিশ্চয় জনেন যে প্রতিটি বাড়িতে শুভ শক্তির যেমন প্রবেশ ঘটে, তেমনি খারাপ শক্তিও জায়গা করে নেয়। কিন্তু বিপদটা তখনই হয়, যখন খারাপ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে। আসলে এমনটা হলে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হাজারো সমস্যায় জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠতেও সময় লাগে না। তাই তো বলছি বন্ধু, কলকাতায় হতে থাকা বৃষ্টি যখন আমাদের চারিপাশকে ধুয়ে সাফ করে দিচ্ছে, তখন ঘরের ভিতরে জমে থাকা খারাপ শক্তিকেও বের করে দিন না!
সবই তো বুঝলাম। কিন্তু খারাপ শক্তি পিছু ছাড়বে কীভাবে? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে এই প্রবন্ধে চোখ রাখতে ভুলবেন না যেন! প্রসঙ্গত, খারাপ শক্তির কারণে যাতে পরিবারের কারও কোনও ক্ষতি না হয়, তা সুনিশ্চিত করতে যে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে, সেগুলি হল...

১. বৃষ্টির পরের মুহূর্ত:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বৃষ্টির পর বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে থাকা জানলা এবং দরজা খুলে দিলে সারা বাড়িতে পজেটিভ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে গুড লাকও রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। ফলে মনের ছোট ছোট ইচ্ছা পূরণ হতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি জীবনের প্রতিটি দিন অফুরন্ত আনন্দে ভরে ওঠে। কিন্তু এক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। তা হল বৃষ্টির সময় ভুলেও বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে থাকা জানলা খুলবেন না যেন। কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে এদিক থেকে বাড়ির ভিতরে বৃষ্টির ছাট এলে খারাপ শক্তির প্রভাব বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। ফলে কোনও বিপদ ঘটার সম্ভাবনাও দেখা দেয়। তাই এই বিষয়টি মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন।

২. চারটি পাতা রয়েছে এমন গাছ:
বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে বৃষ্টির সময় বাড়ির সদর দরজা এবং জানলার সামনে চারটি পাতা রয়েছে এবং গাছ ঝুলিয়ে রাখলে বাড়ির প্রতিটি কোণায় পজেটিভ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে। আর এমনটা হলে কী কী সুফল পাওয়া যায়, তা নিশ্চয় আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না।

৩. বাড়ির ড্রেন:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বর্ষার সময় বাড়ির ভিতরে থাকা প্রতিটি নর্দমা যেন পরিষ্কার থাকে। কারণ এমনটা না হলে পোকা-মাকড়ের উপদ্রব বেড়ে যায়। আর এমনটা হলে শরীর খারাপের খপ্পরে পরার আশঙ্কা যেমন দেখা দেয়, তেমনি বাড়িতে খারাপ শক্তির প্রভাবও বাড়ে। তাই সাবধান! প্রসঙ্গত, বাড়ির ইতি-উতি জল জমে থাকলেও কিন্তু খারাপ শক্তির মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এই বিষয়টি মাথায় রাখাটাও একান্ত প্রয়োজন।

৪. বাড়িতে ফাটল:
খেয়াল করে দেখবেন বাড়ির বয়স বাড়লেই ইতি-উতি ফাটল দেখা দিতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির কারণে তার ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনা তো ঘটেই। এক্ষেত্রে খেয়াল করে ফাটল বুজিয়ে দিতে হবে এবং ছিঁড়ে যাওয়া তারের মেরামতি করে ফেলতে হবে। কারণ বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে বাড়িতে ফাটল দেখা দেওয়া একেবারেই শুভ লক্ষণ নয়। কারণ এমনটা হলে কোনও ধরনের বিপদ ঘটার আশঙ্কা যেমন বাড়ে, তেমনি পরিবারের অন্দরে নানা কারণে অশান্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সম্ভাবনাও থাকে। একই ঘঠনা ঘটে বাড়ির চারিপাশে ছেঁড়া তার থাকলেও।

৫. নিম পাতা এবং কর্পূর:
বাস্তুশাস্ত্রের উপর লেখা একাধিক বই অনুসারে বর্ষার সময় প্রতিদিন এক বালতি গরম জলে পরিমাণ মতো নিম পাতা সেদ্ধ করে সেই জল দিয়ে ঘর পুছলে রোগ-ব্যাধির প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি খারাপ শক্তির প্রভাবও কমতে শুরু করে। একই সুফল পাওয়া যায় কর্পূর জ্বালালেও। তাই বর্ষার সময় পজেটিভিটির সন্ধান পেতে এই ঘরোয়া টোটকাটিকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন!

৬. লেমনগ্রাসের যাদু:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বৃষ্টির সময় বাড়ির সদর দরজার সামনে লেমনগ্রাস প্লান্ট লাগালে নানাবিধ রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি খারাপ শক্তির প্রভাবও কমতে শুরু করে। ফলে কোনও ধরনের বিপদ ঘটার সম্ভাবনাও আর থাকে না।



Click it and Unblock the Notifications