Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
'একদিন দেশ মাতবে এই গানে', বলেছিলেন আত্মবিশ্বাসী বঙ্কিমচন্দ্র
উনিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি ঔপন্যাসিক, সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। রবীন্দ্রনাথের আগে আধুনিক বাঙালি চিন্তাবিদ সাহিত্যিক বলতেই মনে আসে বঙ্কিমচন্দ্রের কথা।
তবে বঙ্কিমচন্দ্র কেবল ঔপন্যাসিক বা প্রাবন্ধিক ছিলেন না। ধর্ম, রাজনীতি, সমাজনীতি এবং ইতিহাস সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব দর্শন ছিল। তিনি ছিলেন দেশপ্রেমিক, সমাজ সংস্কারক এবং সমগ্র জাতির পথপ্রদর্শক। সারা জীবন সাহিত্য সাধনা করে গিয়েছেন। বাংলা সাহিত্যে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র।
১৮৮২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'আনন্দমঠ' উপন্যাস প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে তাঁর রচিত 'বন্দে মাতরম্' গানটির ব্যবহার করা হয়। সংস্কৃত-বাংলা মিশ্র ভাষায় লিখিত এই গান হল বন্দনাগীতি এবং বঙ্গদেশের একটি জাতীয় মূর্তিকল্প। বঙ্কিমচন্দ্র 'বন্দে মাতরম' নিয়ে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন, এই গানটি একদিন গোটা দেশ গাইবে।

শ্রী অরবিন্দ বন্দে মাতরম্ গানটিকে 'বঙ্গদেশের জাতীয় সংগীত' (National Anthem of Bengal) বলে উল্লেখ করেন। ১৯০৯ সালে তিনি 'Mother, I bow to thee' শিরোনামে এই গানটির ইংরেজি অনুবাদ করেন।
১৮৯৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে সর্বপ্রথম গাওয়া হয় এই গানটি। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেই অধিবেশনে বন্দে মাতরম্ গানটি পরিবেশন করেছিলেন। ১৯৫০ সালে রবি ঠাকুরের 'জন গণ মন' গানটি ভারতের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা লাভ করে এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বন্দে মাতরম্' গানটি ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় স্তোত্রের মর্যাদা পায়।
তবে বন্দে মাতরম্ গানটি ঘিরে বহু বিতর্কও রয়েছে। একাধিক ভারতীয় মুসলিম সংগঠন এই গান গাওয়ার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করেছে। তাদের মতে, বন্দে মাতরম্ গানটির মূলভাবনা ইসলাম-নিষিদ্ধ পৌত্তলিকতার অনুসরণ করে।
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে এই গানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হতে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের জাতীয় ধ্বনিতে পরিণত হয় 'বন্দে মাতরম্'। ব্রিটিশ সরকার জনসমক্ষে এই ধ্বনি উচ্চারণ নিষিদ্ধ করে দেয়। সেই সময় বহু স্বাধীনতা সংগ্রামী 'বন্দে মাতরম্' ধ্বনি দেওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। বহু মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুবরণের আগে শেষ উচ্চারিত শব্দ ছিল 'বন্দে মাতরম্'।



Click it and Unblock the Notifications