Valentine's Day: একদিনের ছুটি কাটাতে ‘তাকে’ নিয়ে ঢুঁ মারুন এইসব অফবিট জায়গাগুলিতে!

By Bhagysree Sarkar

Valentine's Day: সামনেই ভ্যালেন্টাইনস ডে (Valentine's Day)। প্রেম দিবস উদযাপন করতে প্রেমিক যুগলরা কোথায় যাবেন, কী খাবেন তা ভেবে রাখেন প্রায় এক-দু সপ্তাহ আগেই। তবে এবার নিজের শহর ছেড়ে প্রিয় মানুষকে নিয়ে পারি দিন এক মন মুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশে।

ব্যস্ত কর্মজীবন ও সংসারের হাজার কাজের মধ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়া যেন দায়। তাই ব্যাগ গুছিয়ে সঙ্গীকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন প্রকৃতির কোলে। যেখানে গাড়িই ভরসা। সেখানে এবার না হয় ট্রেনই হোক যাত্রা। চলুন আজ কলকাতা (Kolkata) থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে এমন কিছু জায়গার (Places to visit on Valentine's Day) হদিশ।

valentines day
  • হেনরিজ আইল্যান্ড (Henry's Island)

ভেজা বালির ছোঁয়া ও নোনা ঢেউয়ের স্পর্শ পেতে অনেকেই ছুটে যান দিঘা বা মন্দারমণি। তবে এই জায়গাগুলি বড্ড একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে। তাই উইকেন্ডে এক বা দেড় দিনের ছুটিতে ঘুরে আসুন সমুদ্র, ঝাউ আর ম্যানগ্রোভ অরণ্যের অপরূপ মিশেল দেখতে হেনরি আইল্যান্ডে। সংস্কৃতির ছোঁয়া এখানে কম। দক্ষিণ ২৪ পরগনায়, বকখালি থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের পথ। সমুদ্র ভরিয়ে রাখবে মন। সাদা বালির সৈকতে বসে কেটে যাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কলকাতা থেকে বেশি দূরেও নয় হেনরি আইল্যান্ড। এই জায়গাটি একেবারেই নিরিবিলি। কোলাহল মুক্ত, শান্ত, নির্জন পরিবেশে ঘেরা হেনরি আইল্যান্ড।

  • গোপগড় ইকোপার্ক (Gopgarh Ecopark)

কলকাতা থেকে সামান্য কিছুটা দূরে মেদিনীপুর শহরের রয়েছে গোপগড় ইকোপার্ক। সবুজে ঘেরা সাজানো একটি জায়গা। রয়েছে ফুল বাগানও। এই জায়গা নিয়ে নানান ইতিহাসও রয়েছে। তাই এটি শুধু একটি পার্ক নয়, ইতিহাসক্ষেত্রও। বিশালাকার এলাকা জুড়ে শুধুই সবুজ গাছে ভরা। রয়েছে রাস্তার দুপাশে দেবদারু গাছের সারি। রয়েছে ক্লক টাওয়ার, ফুলের বাগান। গোপগড় পার্কের মধ্যেই ঢুকলে দেখা যাবে, রয়েছে ভগ্নপ্রায় একটি আবাসনের কিছু অংশ। জা যায়, পাঁচ- ছ'শো বছর আগে ওড়িশার রায়বনিয়ার গড়ের রাজা বিরাটগুহ মেদিনীপুরে উঁচু টিলার উপর একটি দুর্গ তৈরি করেছিলেন। সেটিই পরে গোপগড় নামে পরিচিত হয়।

  • তেপান্তর থিয়েটার ভিলেজ (Tepantar Theater Village)

বর্ধমানের সাতকাহনিয়া গ্রামে অবস্থিত এই জায়গাটি। নাম শুনেই বুঝতে পারছেন, এখানকার পরিবেশ একেবারে সাংস্কৃতিক। এখানে, নাচ, গান, নাটকে ভরে থাকবে আপনার সময়টা। এই গ্রামের বৈশিষ্ট এই সংস্কৃতিই। সকালে এখানে যিনি রান্নাঘরের কাজ করেন, সন্ধ্যায় তিনিই থাকবেন মঞ্চে। তবে শুধু নাটক নয়, নাটকের পাশাপাশি আছে আরও আকর্ষণীয় ক্রিয়াকলাপও। এই জায়গাটি একেবারেই অজয় নদীর কাছে। ফলে ঘর থেকে বেরিয়ে কিছু দূর গেলে পেয়ে যাবেন নদীর ধার। আবার অল্প অনুরোধ করলেই শুনতে পাবেন ভাদু গান।

  • তিনপাহাড়

কলকাতার থেকে অল্প দূরে অবস্থিত বোলপুর। অনেকেই তো শান্তিনিকেতন গিয়েছেন, কিন্তু কোনওদিন ঘুরে দেখেছেন তিনপাহাড়? তিনপাহাড়-এর নাম প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে একদমই প্রায় নতুন। শান্তিনিকেতন স্টেশন থেকে নেমে মাত্র ২০ টাকার বিনিময়ে আপনাকে পৌঁছে দেওয়া হবে, এই পাহাড়ে। তিনপাহাড় বোলপুর শান্তিনিকেতনের মধ্যে এক ঐতিহ্যবাহী জায়গা। তিনপাহাড় অর্থাৎ তিনটি নুড়ির ধাপ দিয়ে তৈরি এই পাহাড়। এখানে অবস্থিত রয়েছে একটি প্রাচীন বটগাছ। এই গাছটি রোপন করেছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা স্বয়ং। জানা যায়, প্রথম যখন তিনি শান্তিনিকেতন আসেন, তখন তিনি এই গাছটি রোপন করেন। এই গাছটি যখন বড় হয় তখন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তিনটি নুরি দিয়ে গাছটিকে সুন্দর ভাবে বাধিয়ে তোলেন। যা বর্তমানে তিনপাহাড় নামেই পরিচিত।

Story first published: Thursday, January 30, 2025, 16:28 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion