এই খাবারগুলি খাওয়ার পর যদি এই কাজগুলি না করেন তাহলে কিন্তু মারাত্মক বিপদ হতে পারে!

আমাদের দেশের প্রতিটি অলিগলিতে অন্ধবিশ্বাসের ছড়াছড়ি। তবু বলতে দ্বিধা নেই যে বেশ কিছু বিষয়কে আপাত দৃষ্টিতে অন্ধবিশ্বাস মনে হলেও আমাদের ভাল-মন্দের সঙ্গে কিন্তু সেই বিশ্বাসগুলির যোগ বেশ নিবিড়।

আমাদের দেশের প্রতিটি অলিগলিতে অন্ধবিশ্বাসের ছড়াছড়ি। তবু বলতে দ্বিধা নেই যে বেশ কিছু বিষয়কে আপাত দৃষ্টিতে অন্ধবিশ্বাস মনে হলেও আমাদের ভাল-মন্দের সঙ্গে কিন্তু সেই বিশ্বাসগুলির যোগ বেশ নিবিড়। তাই তো বলি বন্ধু শুনতে যতই আজব লাগুক না কেন, শান্তিতে বাঁচতে এই প্রবন্ধে আলোচিত নিয়মগুলি মেনে চলতে ভুলবেন না যেন!

এক্ষেত্রে যে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে, সেগুলি হল...

১. ডিমের খোসা:

১. ডিমের খোসা:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে ডিম খাওয়ার পর খেসাটা ভাল করে গুঁড়ো করে যদি ফেলে না দেওয়া হয়, তাহলে একদিকে যেমন গৃহস্থের অন্দরে নেগেটিভ শক্তির প্রভাব বাড়তে থাকে, তেমনি ভূত-প্রেতের দাপাদাপিও বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যায় বেড়ে। সেই সঙ্গে নেগেটিভ শক্তির প্রভাবে ব্যাড লাক পিছু নেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠতে সময় লাগে না।

২. রসুনের ক্ষমতা:

২. রসুনের ক্ষমতা:

শরীরকে নানাবিধ রোগের খপ্পর থেকে বাঁচাতে রসুনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তবে একথা কি জানা আছে যে এক কোয়া রসুন সঙ্গে রাখলে খারাপ দৃষ্টির কারণে কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে নেগেটিভ শক্তিও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে দুঃখ-কষ্টের মার সইতে হয় কম। প্রসঙ্গত, এমনটাও বিশ্বাস করা হয় যে পকেটে অল্প করে রসুন রাখলে ভূতেরাও ধারে কাছে আসতে পারে না।

৩. নুন:

৩. নুন:

ব্যাড লাক পিছু ছাড়ুক এমনটা চান নাকি? তাহলে অল্প পরিমাণ নুন নিয়ে ডান কাঁধের উপর দিয়ে পিছনে ফেলে দিন। দেখবেন খারাপ সময় কেটে যেতে সময় লাগবে না। তবে ভুলেও বাড়ির এদিক-সেদিকে নুন ছড়াবেন না যেন! কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে অকারণে নুন নষ্ট করলে খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যায় বেড়ে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। কী বিষয়? শাস্ত্র মতে বাড়ির প্রতিটি কোনায় এবং সদর দরজার সামনে যদি অল্প করে নুন ফেলে রাখা যায়, তাহলে গৃহস্থের অন্দরে খারাপ শক্তির প্রবেশ ঘঠার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে কমে কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও। শুধু তাই নয়, কু-দৃষ্টির কারণে কোনও খারাপ কিছু ঘটার সম্ভাবনাও যায় কমে।

৪. পাঁউরুটিতে হোল:

৪. পাঁউরুটিতে হোল:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এমন কোনও পাঁউরুটি যদি আপনার হাতে আসে, যার মাঝে ফুটো রয়েছে, তাহলে জানবেন আপনার পরিবারে কারও মারাত্মক শরীর খারাপ হতে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ করা শুরু করতে হবে। কারণ শাস্ত্র মতে এই মন্ত্রটিতে এতটাই ক্ষমতা আছে যে আসন্ন মৃত্যুকেও আটকে দিতে পারে।

৫. চায়ের পেয়ালা:

৫. চায়ের পেয়ালা:

শুনতে আজব লাগলেও এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে চায়ের পেয়ালা থেকে ভুলেও দুটি কাপে চা ঢালা উচিত নয়। কারণ এমনটা করলে নাকি খারাপ শক্তির প্রভাব বাড়তে শুরু করে। আর এমনটা হলে কী কী ক্ষতি হতে পারে, তা নিশ্চয় আর আলাদ করে বলে দিতে হবে না।

৬. খ্রিস্টমাস কেক:

৬. খ্রিস্টমাস কেক:

বহু শতাব্দি ধরে খ্রিস্টানরা একটি বিশ্বাসকে মেনে আসছেন যে খ্রিস্টমাস কেক বানানোর সময় পরিবারের প্রতিটি সদস্য যদি কেকের মিশ্রনটি না নারান, তাহলে গৃহস্থে ব্যাড লাকের প্রবেশ ঘটে। ফলে পরিবারের সবার সঙ্গে নানাবিধ খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যায় বেড়ে।

৭. কমলা লেবুর প্রেম নিবেদন:

৭. কমলা লেবুর প্রেম নিবেদন:

যুগ যুগ ধরে প্রেমিক-প্রেমিকারা একে অপরকে প্রপোজ করার সময় গোলাপ ফুল নিবেদন করে থাকেন। কিন্তু জানেন কি এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে মনের মানুষকে সারা জীবন নিজের কাছে রাখতে চাইলে গোলাপের জায়গায় কমলা লেবু নিবেদন করা উচিত। আসলে এমনটা করলে নাকি ভালবাসার সম্পর্কের উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে বৈবাহিক জীবন সুখ-শান্তিতে ভরে ওঠে।

৮. কেক এবং ব্যাড লাক:

৮. কেক এবং ব্যাড লাক:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বড় কেক থেকে একটা স্লাইস কেটে কাউকে দেওয়ার সময় সেই কেকের টুকরোটা যদি উল্টে যায়, তাহলে নাকি একের পর খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যায় বেড়ে। তাই কেক পরিবেশন করার সময় এই বিষয়টি মাথায় রাখাটা কিন্তু একান্ত প্রয়োজন!

Story first published: Wednesday, May 9, 2018, 12:49 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion