For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কাজের চাপে নাজেহাল অবস্থা? দেখে নিন ওয়ার্কলোড সামলাতে কী করবেন

|

আধুনিক জীবনযাত্রায় আমরা সকলেই খুব ব্যস্ত। মানুষ নিজেই নিজেকে ভুলে যেতে বসেছে। সবাই দৌড়োচ্ছে নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণে। এই ব্যস্ত জীবনে যখন মাথার উপর একের পর এক কাজের চাপ এসে পড়ে, তখন জীবন একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। প্রাণভরে শ্বাস নেওয়ার জায়গাও থাকে না। যদিও এই যুগে এটি খুবই সাধারণ ঘটনা, তাই সকলেরই উচিত সবকিছু সঠিকভাবে পরিচালনা করা।

আপনি যদি আপনার কাজের জায়গায় সবকিছু ঠিকভাবে সামলে নিতে পারেন, তাহলে দেখবেন আর কোনও সমস্যা থাকবে না। অফিসে আপনার পারফরম্যান্স বেটার হবে, কাজের জায়গায় আপনার ভালো ইমেজ তৈরি হবে, সকলের সঙ্গে সম্পর্কও ভাল থাকবে। তাহলে দেখে নিন অফিসের কাজের চাপ সামলানোর কিছু টিপস -

১) সময়সূচী তৈরি করুন

১) সময়সূচী তৈরি করুন

একটি সময়সূচী তৈরি করুন, যেখানে আপনার কাজের সমস্ত ডেডলাইন থাকবে। এটি আপনি গুগল ক্যালেন্ডারে করতে পারেন। এক জায়গায় সমস্ত কিছু দেখতে পারলে, আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন যে কোন কাজটিকে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে এবং সামনে কোন কাজটি আসতে চলেছে। আপনি আপনার সময়কে গুরুত্ব দিতে পারবেন। এছাড়াও, আপনার প্রজেক্টগুলিকে ছোট ছোট লক্ষ্যে ভাগ করুন। যার ফলে আপনি আপনার লক্ষ্য সহজেই অর্জন করতে পারবেন।

২) রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন

২) রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন

শুধুমাত্র সময়সূচি তৈরি করাই আপনার একমাত্র কাজ নয়। এই মাস্টার সিডিউলটি, প্রতিদিন সঠিকভাবে মেনে চলাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার জন্য নিয়মিত ক্যালেন্ডারের দিকে নজর রাখতে হবে। এক্ষেত্রে, আপনি কম্পিউটার বা মোবাইলে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখতে পারেন।

৩) অর্গানাইজ করে রাখুন

৩) অর্গানাইজ করে রাখুন

আপনি যখন একই সময়ে অনেকগুলি প্রজেক্টে কাজ করবেন, তখন যাতে সবকিছু গুলিয়ে না যায় সেজন্য সমস্ত তথ্য কম্পিউটার বা মোবাইলের ইনবক্সে আলাদা আলাদা ফোল্ডার করে সেভ করে রাখুন। যাতে আপনি প্রয়োজন মতো, আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সন্ধান করতে পারেন, যেমন- যে অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে কাজ করছেন, সেই অ্যাসাইনমেন্টের একটি সম্পূর্ণ আলাদা ফোল্ডার তৈরি করুন।

৪) আপ টু ডেট থাকুন

৪) আপ টু ডেট থাকুন

প্রতিদিন কাজ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে, আপনি আপনার সিডিউলটি চোখ বুলিয়ে নিন। দৈনিক যা যা কাজ করছেন, তার আপডেট রাখুন। যদি কোনও কাজ বাকি থেকে যায় তাহলে, পরের দিন বা পরবর্তী নির্ধারিত সময়ে সেই কাজটি করুন। দেখবেন এইভাবে আপনি আপনার ব্যস্ত শিডিউলের থেকে কিছুটা ফাঁকা সময় বের করে নিতে পারবেন।

৫) কাজ ভাগ করে নিন

৫) কাজ ভাগ করে নিন

অন্যান্য প্রজেক্ট এর কারণে, অন্য কাজের প্রাধান্যের জন্য কিংবা সময়ের অভাবে আপনি যদি আপনার ছোটো ছোটো লক্ষ্যগুলি অর্জন করার যথেষ্ট সময় না পান, এবং আপনার উপর একের পর এক নতুন কাজের দায়িত্ব এসে জমা হয়, তাহলে অবশ্যই আপনার ম্যানেজারের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলুন। আপনার কিছু কাজ যাতে অন্যান্য সবার মধ্যে ভাগ করে দেওয়া যায়, সে ব্যাপারেও বলতে পারেন।

Read more about: workload office work অফিস
English summary

Things to do when you feel overwhelmed by your workload

Here are some things to do when you feel overwhelmed by workload. Read on.
X