হাতের তালুতে এই চিহ্নগুলি থাকলে জানবেন ভগবান শিব এবং বিষ্ণুর সদা আশীর্বাদ রয়েছে আপনার উপর!

হস্তরেখা নিয়ে যারা চর্চা করেন, তাদের মতে কারও ডান হাতের তালুতে যদি এই প্রবন্ধে আলোচিত চিহ্ন বা রেখাগুলি থাকে, তাহলে নাকি পুজো-অর্চনা না করেই ভগবান শিব এবং বিষ্ণুর আশীর্বাদ লাভ করা সম্ভব হয়।

কী কী চিহ্নের কথা বলছেন মশাই? বাহ্হ...গুড! এই প্রশ্নটা করছেন যখন তখন একথা বুঝে নেওয়াটা ভুল হবে না যে আপনি নাস্তিক নন, ভগবানে কিছুটা হলেও বিশ্বাস রয়েছে তাহলে এখনও! আসলে কী জানেন বন্ধু আজকের যুব সমাজের সিংহভাগই নিজের মূলকে উপড়ে ফেলে অন্য কিছু হওয়ার তালে লেগে রয়েছে। ফলে স্পিরিচুয়ালিটি বা রিলিজিয়ানের ক্ষমতা সম্পর্কে কেউ আর আজ জানতে আগ্রহী নন, বরং এই দুটিকে অস্ত্র হিসেবে তুলে দিয়েছে কিছু রাজনৈতিক নেতাদের হাতে, যারা ভোট দখলের তাগিদে বলুন বা অন্য কোনও আগ্রহে বারে বারে কাজে লাগিয়ে চলেছে ধর্ম নামক অস্ত্রটিকে। কিন্তু আমরা চুপ! তাই তো বাবরির পরেও এখনও কখনও-সখনও আগুন জ্বলে ভারতের নানা প্রান্তে। কিন্তু আর নয়, এবার আমরা শুধু অন্ধের মতো হিন্দুত্বের ঝান্ডা হাতে তুলে পাগন নেত্য করবো না, বরং হিন্দু ধর্মের অন্দরে যে শক্তি মজুত রয়েছে, তাকে কাজে লাগিয়ে ভাল মানুষ তো হয়ে উঠবই, সেই সঙ্গে জীবনকেও ভরিয়ে তুলবো অনেক অনেক আনন্দে।

মানে, ধর্মকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে সম্ভব সুখে-শান্তিতে থাকা? এই প্রশ্নটির উত্তর মিলবে বহু কাল আগে লেখা পুরান নামক গ্রন্থে। সেখানে বলা হয়েছে ত্রিশক্তির অন্যতম ভগবান শিব এবং বিষ্ণুর যদি আরাধনা করা যায়, তাহলে জীবন পথে চলতে চলতে সামনে আসা যে কোনও সমস্যা মিটে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে আরও অনেক উপকার মেলে। যেমন ধরুন- আমাদের আশেপাশে উপস্থিত নেগেটিভ শক্তির প্রভাব কমে যায়, রোগ-ব্যাধি সব দূরে পালায়, বড়লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হয়, কর্মজীবনে উন্নতি লাভের পথ প্রশস্ত হয়, মনের জোর বাড়ে, গ্রহ দোষ কেটে যায়, দৈহিক শক্তি বাড়ে এবং জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি মেলে।

এত দূর পড়ার পর নিশ্চয় মনে আর কোনও সন্দেহ নেই বন্ধু যে ধর্মের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাস্তবিকই জীবনকে সুন্দর করে তোলা সম্ভব। কিন্তু মজার বিষয় কি জানেন হস্তরেখা নিয়ে যারা চর্চা করেন, তাদের মতে কারও ডান হাতের তালুতে যদি এই প্রবন্ধে আলোচিত চিহ্ন বা রেখাগুলি থাকে, তাহলে নাকি পুজো-অর্চনা না করেই ভগবান শিব এবং বিষ্ণুর আশীর্বাদ লাভ করা সম্ভব হয়, আর এমনটা হলে কী কী উপকার মিলতে পারে, সে সম্পর্কে নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না!

তাহলে এখন প্রশ্ন হল হাতের তালুতে কী কী রেখা থাকলে দেবাদিদেব এবং ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ লাভ করতে সময় লাগে না?

১. ত্রিভুজ:

১. ত্রিভুজ:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে হাতের তালুর ঠিক মাঝামাঝি যদি একটা ত্রিভুজের মতো চিহ্ন সৃষ্টি হয়, তাহলে বুঝতে হবে দেবাদিদেব এবং বিষ্ণুর আশীর্বাদ রয়েছে আপনার উপর। শুধু তাই নয়, বিশেষজ্ঞদের মতে এমন চিহ্ন থাকার অর্থ হল সেই ব্যক্তি অল্প সময়েই কর্মক্ষেত্রে দারুন উন্নতি লাভ করবেন। সেই সঙ্গে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠার কারণে জীবনে কখনও খারাপ সময়ের সম্মুখিন হতে হবে না।

২. ত্রিশূল:

২. ত্রিশূল:

তালুর উপরের দিকে যদি তিনটি রেখা মিলে অনেকটা শিবের ত্রিশূলের মতো চিহ্ন তৈরি করে, তাহলে জানবেন দেবাদিদেবের আশীর্বাদে কোনও খারাপ শক্তি আপনাকে ছুঁতে পারবে না, সেই সঙ্গে যে সমস্য়াই মাথা চাড়া দিয়ে উঠুক না কেন, তা মিটে যেতে দেখবেন সময় লাগবে না।

৩. তারা বা স্টারের মতো চিহ্ন:

৩. তারা বা স্টারের মতো চিহ্ন:

হস্তরেখা বিশেষজ্ঞদের মতে কারও ডান হাতের তালুতে যদি তারার মতো কোনও চিহ্ন থাকে, তাহলে তাকে কাজকর্ম নিয়ে কখনই চিন্তায় থাকতে হবে না। কারণ সর্বশক্তিমানের আশীর্বাদে এমন ব্যক্তিরা অনেক কম সময়েই কেরিয়ারের একেবারে উপরের দিকে উঠে যাওয়ার সুযোগ পান। শুধু তাই নয়, নানা কারণে সফলতা এদের রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। তাই তো জীবন অনন্দে ভরে ওঠে চোখের পলকে।

৪. হিরে:

৪. হিরে:

আপনার হাতের তালুতে কি হিরের মতো কোনও চিহ্ন রয়েছে? উত্তর যদি হ্যাঁ হয় বন্ধু, তাহলে চটজলদি ব্যাগ গুছিয়ে নিতে দেরি করবেন না যেন! কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এমন চিহ্নের অধিকারীরা দেবের আশীর্বাদে এ জীবনে নানা জায়গা ঘোরার সুযোগ পান। শুধু তাই নয়, এরা এতটাই বুদ্ধিমান হন যে সফলতার স্বাদ পেতে বেশি দিন অপেক্ষাও করতে হয় না।

৫. চাঁদের মতো চিহ্ন:

৫. চাঁদের মতো চিহ্ন:

এমন রেখা যাদের হাতে থাকে, তারা মূলত কেনাও সময় ভুল সিদ্ধান্ত নেন না। শুধু তাই নয়, দেবাদিদেব এবং ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ থাকার কারণে এমন মানুষেরা যে কাজই করুক না কেন তাতে সফল আসেই আসে!

৬. চৌকো বক্স:

৬. চৌকো বক্স:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এমন চিহ্ন রয়েছে যাদের হাতে, তারা কখনও কোনও বিপদে পরেন না। কারণ শিব পূরণ অনুসারে যাদের উপর দেবাদিদেবের আশীর্বাদ থাকে, তাদের যে কোনও পরিস্থিতিতেই কোনও বিপদ পরার কোনও আশঙ্কা থাকে না বললেই চলে। তাই এমন হস্ত রেখার অধিকারীরা যে বেজায় "লাকি", তা তো বলাই বাহুল্য!

৭. গ্রিল:

৭. গ্রিল:

চৌকো বক্সের মাঝে জালি-জালি, এমন চিহ্ন সৃষ্টি হলে জানবেন ভগবান শিব এবং বিষ্ণুর নেক দৃষ্টি রয়েছে আপনাদের উপরে। তাই তো আপনার জীবনে যে সমস্যাই মাথা চাড়া দিয়ে উঠুক না কেন, তা থেকে আপনি যে ঠিক বেরিয়ে আসবেনই, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৮. কাটাকুটি বা ক্রস:

৮. কাটাকুটি বা ক্রস:

হস্তরেখা বিশেষজ্ঞদের মতে যাদের ডান হাতে এমন চিহ্ন সৃষ্টি হয়, তাদের উপর সারা জীবন ভঘবান বিষ্ণু এবং নীলকষ্টের নেক দৃষ্টি থাকে, যে কারণে সমস্ত বাঁধার পাহাড় পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে এদের কেউ আটকাতে পারে না। শুধু তাই নয়, সর্বশক্তিমানেদের আশীর্বাদে এদের পরিবারে সুখ এবং সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগে। সেই সঙ্গে কোনও ধরনের বিবাদ বা কলহ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও যায়া কমে। ফলে এদের জীবন বেশ আনন্দেই কেটে যায়।

Story first published: Thursday, October 4, 2018, 12:57 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion