কোন কোন রাশির জাতক-জাতিকারা বেজায় বিপজ্জনক জানা আছে কি?

জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে যে কারও রাশি বিশ্লেষণ করে তার চরিত্রের অন্ধকার দিক সম্পর্কে জেনে ফেলা সম্ভব।

খেয়াল করে দেখবেন নতুন কোনও মানুষের সঙ্গে আলাপ হওয়ার পর পরই তার সম্পর্কে সঠিক ধারণা করে ওঠা আজকাল বেজায় কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেন জানেন?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে নানা সময় একাধিক সমীক্ষা করা হয়েছে। তাতে দেখে গেছে আজকের দিনে বেশিরভাগ মানুষই এত স্বার্থপর যে নিজের স্বার্থ ছাড়া আর কিছু নিয়েই ভাবতে নারাজ, আর পাছে সবাই তাদের এমন চরিত্র সম্পর্কে জেনে যাক, তাই তো আজকাল প্রায় সবাই নানা রঙের মুখোশ পরে ঘুরে বেরাচ্ছে। ফলে কোন মানুষ কেমন, সে সম্পর্কে একেবারে প্রথম সাক্ষাতেই জেনে ফেলাটা আজকের দিনে বেজায় অসম্ভব। অর যতদিনে কারও আসল রং সম্পর্কে জেনে ওঠা সম্ভব হয়, ততদিনে সেই মানুষটি এত মাত্রায় ক্ষতি করে ফেলে যে তা সামলাতে সামলাতে জীবন দুর্বিসহ হয়ে উটতে সময় লাগে না। তাই তো আজকের দিনে দেখবেন কেউই মন খুলে কথা বলতে চান না। পাছে মনের কথা জেনে কেউ ক্ষতি করে ফেলে এই ভয়ে! কিন্তু আমি যদি বলি প্রথম দেখাতেই কারও রাশি সম্পর্কে যদি জেনে ফেলা যায়, তাহলে কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়, তাহলে কী বলবেন! কিন্তু রাশির সঙ্গে ক্ষতি হওয়া বা না হওয়ার কী সম্পর্ক?

আসলে জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে যে কারও রাশি বিশ্লেষণ করে তার চরিত্রের অন্ধকার দিক সম্পর্কে জেনে ফেলা সম্ভব। যেমন ধরুন এই প্রবন্ধে যে যে রাশির সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, তারা সবাই চারিত্রিক দিক থেকে বেজায় ভয়ানক। তাই এদের কারও সঙ্গে যদি ভুলবশত বন্ধুত্ব হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে কিন্তু সাবধান! কারণ এদের থেকে খারাপ মানুষ আর কেউ হয় বলে তো মনে হয় না।

তাহলে এখন প্রশ্ন হল কোন কোন রাশির থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়?

১. বৃশ্চিকরাশি (অক্টোবর ২৩- নভেম্বর ১):

১. বৃশ্চিকরাশি (অক্টোবর ২৩- নভেম্বর ১):

বিশেষজ্ঞদের মতে এই রাশির জাতক-জাতিকারা যে কোনও মূল্যে উপরে উঠতে চায়। তাই তো সফলতার সিঁড়িতে ওঠার সময় কাউতে তোয়াক্কা করা এদের ধাতে নেই। তাই তো বলি বন্ধু এমন মানুষদের সামনে আসা মানে কিন্তু বেজায় বিপদ! এই কারণেই তো কর্মজীবন হোক কী পার্সোনাল লাইফ, বৃশ্চিকরাশির জাতক-জাতিকাদের থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকাই নিরাপদ।

২. সিংহরাশি (জুলাই ২৩- অগাষ্ট ২২):

২. সিংহরাশি (জুলাই ২৩- অগাষ্ট ২২):

বৃশ্চিকরাশির মতোই এরাও কিন্তু লোককে দাবিয়ে রাখতে বেজায় পছন্দ করে। শুধু তাই নয়, ক্ষমতালোভী মানসিকতার হওয়ার কারণে এরা মানুষকে না সম্মান করতে পারেন, না উপকার। উল্টে নিজেদের স্বার্থে ঘা লাগলে কতটা যে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে, সে বিষয়ে কেউ ধরণাও কারে উঠতে পারবেন না। তাই তো বলি বন্ধু সুখে-শান্তিতে যদি থাকতে হয়, তাহলে এদের থেকে দূরে থাকাটাই শ্রেয়। প্রসঙ্গত, আরেকটি বিষয় এদের সম্পর্কে জেনে নেওয়াটা একান্ত প্রয়োজন। তা হল এরা চুপিসারে সারাক্ষণ নজরে রাখেন কে এদের ক্ষতি করতে চাইছে। আর একবার যাদের অপছন্দ করে ফেলেন, তারা সিংহরাশির জাতক-জাতিকাদের চোখে কখনই ভাল মানুষ হয়ে উঠতে পারেন না। তাই তো বলি বন্ধু আপনার পরিচিতের মধ্যে কেউ যদি সিংহরাশির হয়ে থাকেন, তাহলে এই বিষয়টি মাথায় রাখতে ভুলবেন না যেন!

৩. মেষরাশি (মার্চ ২১- এপ্রিল ১৯):

৩. মেষরাশি (মার্চ ২১- এপ্রিল ১৯):

এরা সারাক্ষণ জেতার নেশায় মশগুল থাকেন। শুধু তাই নয়, কীভাবে পাশের জনকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া যায়, কীভাবে সবার অ্যাটেনশনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা যায় এই নিয়ে সারাক্ষণ ভাবতে থাকেন। তাই তো এমন মানুষদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। কারণ কে বলতে পারে, নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কখন আপনার ক্ষতি করে দেয়। প্রসঙ্গত, মেষরাশির জাতক-জাতিকারা কথায় কথায় খুব রেগেও যান। তাই সাবধান!

৪. মকররাশি (ডিসেম্বর ২২-জানুয়ারি ১৯):

৪. মকররাশি (ডিসেম্বর ২২-জানুয়ারি ১৯):

এরা সাধারণত ক্ষতিকারক হয় না। তবে এই রাশির জাতক-জাতিকাদের চরিত্রের একটাই খারাপ দিক রয়েছে , যে কারণে কোনও সময় কারও ক্ষতি হয়েও যেতে পারে। কী সেই চরিত্র? এরা যখন ঠিক করে ফেলেন কোনও লক্ষে পৌঁছাবেন, তখন কারও কথা ভাবেন না। তখন শুধু পাখির চোখ থাকে তাদের লক্ষ। আর এই কারণেই যে কোনও সময় কারও ক্ষতি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে আরেকটি বিষয়ও জেনে রাখা ভাল যে এরা মানুষ হিসেবে কিন্তু খুব উপকারি গোছের হন। কীভাবে অন্যের সাহায্য করা যেতে পারে, তা নিয়ে এরা সারাক্ষণ ভাবতে থাকেন। শুধু যখন একাগ্রতার সঙ্গে কোনও কিছু লাভ করার যুদ্ধে নেমে পরেন, তখন এরা একেবারে অন্য মানুষ!

৫. কন্যারাশি (আগষ্ট ২৩- সেপ্টেম্বর ২২):

৫. কন্যারাশি (আগষ্ট ২৩- সেপ্টেম্বর ২২):

এরা খুব কঠোর সমালোচক। তাই তো কেউ যদি এদের সামনে কোনও ভুল কাজ করে ফেলেন, তাহলে তাদের মারাত্মকভাবে অসম্মান করে সমালোচনা করতেও এরা পিছপা হন না। শুধু তাই নয়, এরা কাউকে অপছন্দ করলে সারা জীবন তার বিরুদ্ধে মনের মধ্যে রাগ পুষে থাকেন। তাই তো এমন মানুষদের না বন্ধু বানানো ভাল, না প্রতিপক্ষ!

৬. মিথুনরাশি (মে ২১- জুন ২০):

৬. মিথুনরাশি (মে ২১- জুন ২০):

এরা দৈত চরিত্রের হন। একটা চরিত্র সবাইকে দেখানোর জন্য, আর অরেকটা প্রকৃত। শুধু তাই নয়, জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ এরা প্ল্যান করে ফেলেন। তাই তো কেউ যদি ভুলবশত এদের প্রতিপক্ষ হয়ে যায়, তাহলে কিন্তু তার কপালে শনি। কারণ এরা যতক্ষণ সেই প্রতিপক্ষকে সমূলে শেষ করে না দিচ্ছেব, ততক্ষণ প্ল্যান চালিয়ে যান। আর সবথেকে ভয়ের বিষয় হল এরা নিজের মনের কথা যেমন কখনও কাউকে বলেন না, তেমনি এদের আসল চরিত্র সম্পর্কে বুঝে ওঠাও বেজায় রঠিন। তাই তো এমন মানুষদের থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।

Story first published: Wednesday, July 25, 2018, 12:54 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion