আজব মৃত্যু গাঁথা

Posted By:
Subscribe to Boldsky

মৃত্য়ুর হাত থেকে বাঁচার উপায় নাই। যে কোনও সময়, যে কোনও মুহূর্তে জীবনের চলার পথে দারি পরে যেতে পারে। আর একথা যে চরম সত্য় তা প্রমাণ করবে এই প্রবন্ধটি। এই লেখায় এমন কিছু মৃত্য়ুর প্রসঙ্গে আলোচনা করা হল যেগুলি কোনও দিক থেকেই স্বাভাবিক বলা চলা না। তাই তো এই প্রবন্ধটি পড়তে পড়তে আপনার চোখ কপালে উঠতে বাধ্য়।

এর মধ্য়ে কিছু মৃত্য়ু হঠাৎ এসেছিল। যেমন এক ভদ্র লোক জীবন যন্ত্রণা সহ্য় করতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিলেন। আজব ঘটনাটা ঘটেছিল কিন্তু মৃত্য়ুর পর। তার দেহটা আজব ভাবে দুফালা হয়ে গিয়েছিল। কেন এমনটা হয়েছিল, জানতে গেলে চোখ রাখুন বাকি প্রবন্ধে।

কডনি ট্রান্সপ্লান্ট:

কডনি ট্রান্সপ্লান্ট:

ভিনসেন্ট লিউ-এর একটি কিডনির প্রয়োজন ছিল। তাই দরকার পরল ট্রান্সপ্লান্টের। এক মহিলার শরীর থেকে কিডনি নিয়ে বসান হল ভিনসেন্টের শরীরে। যদিও চিকিৎসকেরা এ বিষেয় জানতেন না যে যার শরীর থেকে কিডনি নেওয়া হচ্ছে তিনি ক্য়ানসারে আক্রান্ত। দুঃভাগ্য়বশত ভিনসেন্টর শরীরেও চলে গিয়েছিল ক্য়ানসার সেল। পরবর্তী সময় ক্য়ানসারে আক্রান্ত হয়েই মৃত্য়ু হয় তার।

বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্য়ু:

বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্য়ু:

বিষাক্ত অ্যালকোহল খেয়ে মৃত্য়ুর ঘটনা তো অনেক ঘটে। কিন্তু আপনারা কখনও শুনেছেন যে একটা যন্ত্র ব্য়বহার করতে করতে তা পেটে চলে গিয়ে মৃত্য়ু হয়েছে কারও। হ্য়াঁ, এই ব্য়ক্তির ক্ষেত্রে এমনটাই হয়েছিল। একটি যন্ত্র আচমকাই তার কোলনে চলে যাওয়ার কারণে মারা যায় সে।

মাত্রাতিরিক্ত আয়রণ:

মাত্রাতিরিক্ত আয়রণ:

৩-৪ দিন অসুস্থ থাকার পর ৫০ বছরের এক ব্য়াক্তি হঠাৎই মারা যান। পরে কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জানা যায় ওই ব্য়াক্তি হোমোক্রোমেটাসিস নামে একটি বিরল রোগে ভুগছিলেন। এই রোগে শরীরে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে আয়রণ জমে যায়, যা লিভারকে নষ্ট করে মৃত্য়ু ডেকে আনে।

ভয়ানক আত্মহত্য়া:

ভয়ানক আত্মহত্য়া:

আত্মহননের দৃশ্য় কখনই সুখকর হয় না। তবে এই মৃত্য়ু যেন আরও ভয়ানক। এক ব্যাক্তি গলায় দরি লাগিয়ে নিজের ব্য়লকোনি থেকেই ঝুলে পরেছিলেন। ব্য়ালকোনি থেকে ঝুলতে থাকা শরীরটা এক সময় মাথা থেকে ছিড়ে পরে গিয়েছিল।

ভয়ানক শেষ:

ভয়ানক শেষ:

কুকুরের সামনে মরে পরে থাকলে মাত্রা ৪৫ মিনিটেই সেই দেহ খেয়ে ফেলে তারা। কী ভয়ানক তাই না! এখানেই শেষ নয়। এক বয়স্ক ভদ্র মহিলা অনেক দিন ধরেই শয্য়াশায়ি ছিলেন। একদিন বাড়িতে ওই মহিলার সঙ্গে একটা বুলডাগ কুকুর ছাড়া আর কেউ চিল না। কোনও অজানা কারণ বশত হয়তো কুকুরটির মনে হয়েছিল তার মালকিন মারা গেছে, তাই সে মহিলার পুরো শরীরটা খেয়ে ফেলে। কিন্তু দুর্ভাগ্য়ের বিষয় কি জানেন, মহিলা মারা জাননি। তাকে জীবন্ত অবস্তাতেই খেয়ে ফেল তার কুকুরটি।

গুলি বিদ্ধ হয়ে মৃত্য়ু:

গুলি বিদ্ধ হয়ে মৃত্য়ু:

একজন ৩ টে গুলি খেয়ে মারা যাননি। কিন্তু কী ভাগ্য় দেখুন। ওই গুলি তিনটি বার করার সময় ভুল বশত একটা গুলির কিছুটা অংশ শরীরে থেকে গিয়েছিল। ৩০ বছর পর সেই অংশ রক্তসরবরাহের নালিতে কোনও ভাবে ডুকে যায়, ফলে সঙ্গে সঙ্গে এই ব্য়াক্তি হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন এবং মৃত্য়ু হয় তার। হয়তো গুলি বিদ্ধ হয়েই মৃত্য়ু হওয়ার ছিল তার।

English summary

আজব মৃত্যু গাঁথা

There is no escaping from death, and it can happen or strike at any given point of time. These cases of people dying in the strangest way only goes to show how death can come in at any time.
Story first published: Friday, January 27, 2017, 18:07 [IST]
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more