Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
টেনিসকে বিদায় সানিয়ার, শেষ হল দু’দশকের বর্ণময় টেনিস জীবন!
চোখের জলে টেনিসকে বিদায় জানালেন সানিয়া মির্জা। যে কোর্টে তাঁর টেনিস জীবন শুরু হয়েছিল, হায়দরাবাদের সেই লাল বাহাদুর স্টেডিয়ামে খেলার পরই অবসর নিলেন সানিয়া। দু-দশক আগে এই কোর্টেই প্রথম ডব্লিউটিএ সিঙ্গলস শিরোপা জিতেছিলেন তিনি। রবিবার (৫ মার্চ ২০২৩) সানিয়ার শেষ ম্যাচ দেখার জন্য গ্যালারিতে হাজির ছিলেন - কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু, ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন, রোহন বোপান্না, যুবরাজ সিংহ, সানিয়ার প্রিয় বন্ধু বেথানি মাটেক স্যান্ড-কে।
খেলার শেষে সানিয়া বলেন, "দেশের হয়ে ২০ বছর ধরে টেনিস খেলা আমার কাছে খুবই গর্বের। সমস্ত ক্রীড়াবিদেরই স্বপ্ন থাকে নিজের দেশের হয়ে খেলার। এটা করতে পেরে ভালো লাগছে।" কথা বলতে বলতেই কেঁদে ফেলেন সানিয়া। নিজেকে কোনও মতে সামলে নিয়ে সানিয়া আরও বলেন, "এটা আনন্দের কান্না। এর থেকে ভালো ভাবে আমার বিদায় হতে পারত না।"

প্রাথমিক জীবন এবং টেনিস ক্যারিয়ার
১৯৮৬ সালের ১৫ নভেম্বর হায়দ্রাবাদের এক মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সানিয়া। মাত্র ছয় বছর বয়সে প্রথমবার টেনিস ব়্যাকেট হাতে তুলেছিলেন। সানিয়ার বাবা ইমরান মির্জা ১২ বছর বয়স থেকেই টেনিসের প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন। তাঁর বাবা ছিলেন একজন ক্রীড়া সাংবাদিক। মেয়েকে সাপোর্ট করার জন্য তিনি তাঁর সাংবাদিকতার ক্যারিয়ারে বড় ঝুঁকিও নেন।
টেনিসে তাঁর প্রথম কোচ ছিলেন কৃষ্ণা ভূপতি, টেনিস খেলোয়াড় মহেশ ভূপতির বাবা। পরে তিনি কোচ রজার অ্যান্ডারসনের কাছ থেকে খেলার প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।
পুরস্কার এবং স্বীকৃতি
ক্যারিয়ারের শুরুতে সানিয়া একজন সিঙ্গলস প্লেয়ার হিসেবে খেলতেন। তারপরে ডবলস প্লেয়ার হিসেবে খেলা শুরু করেন। ২০০৩ সালে উইম্বলডন জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিলেন। প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে ২০০৪ সালে Women's Tennis Association-এর খেতাব জিতেছিলেন সানিয়া। ২০০৭ সালে তিনি সিঙ্গেলসে সেরা ২৭ নম্বর ব়্যাঙ্কিংয়ে পৌঁছোন।
২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে কিংবদন্তি মহেশ ভূপতির সঙ্গে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছিলেন সানিয়া। ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও ২০১২ সালের ফরাসি ওপেন জেতার পাশাপাশি ২০১৪ সালে ব্রুনো সোয়ারেসের সঙ্গে মিলে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনও জেতেন।
২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে সানিয়ার বিশ্বের এক নম্বর মহিলা ডাবলস টেনিস খেলোয়াড় হন। কিংবদন্তি মার্টিনা হিঙ্গিসের সঙ্গে জুটি বেঁধে সানিয়া মির্জা ওই সময়ই পরপর তিন গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতেন।
২০০৪ সালে অর্জুন পুরস্কার এবং ২০১৫ সালে রাজীব গান্ধী খেল রত্ন পুরস্কার পান সানিয়া। তেলেঙ্গানা রাজ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর তিনি।



Click it and Unblock the Notifications
