এই মন্দিরটিতে প্রবেশ করতে লোকে ভয় পায়, কেন জানেন?

আমাদের দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি মন্দিরে ভক্তদের সমাগম হতেই থাকে। কিন্তু এই মন্দিরটিতে কেউ ঢুকতেই চান না, পাছে প্রাণটাই যদি চলে যায়!

মানে? মন্দিরে যাওয়ার সঙ্গে প্রাণ যাওয়ার কী সম্পর্ক? আছে মশাই আছে। তাই না আজ পর্যন্ত গুটি কয়েক মানুষ ছাড়া কারওরই পা পরেনি অপূর্ব সুন্দর এই মন্দিরটিতে। আসলে পাহাড় ঘেরা এই মন্দির যার আরধনা করা হয়, তিনি হলেন মৃত্য়ুর দেবতা যম রাজ! তাই তো ভয়ে কারও সাহসই হয় না এই মন্দিরে যাওয়ার। সবাই বিশ্বাস করেন কেবল মৃত্যুর পরেই যম রাজের সম্মুখিন হতে হয়। তার আগে হওয়া মানেই হাজারো বিপদকে আমন্ত্রণ করা। কিন্তু প্রশ্নটা হল, তাহলে কেন এত সুন্দরভাবে যম রাজের এই মন্দিরটি স্থাপন করা হয়েছিল? এই উত্তর পাওয়া না গেলেও যম রাজের এই মন্দির সম্পর্কিত আরও সব আকর্ষণীয় তথ্য পরিবেশন করা হল এই প্রবন্ধে।

যম রাজের একমাত্র মন্দির:

যম রাজের একমাত্র মন্দির:

সারা ভারতবর্ষে মৃত্যুর দেবতার কেবল মাত্র একটিই মন্দির আছে। সেটির অবস্থান হিমাচল প্রদেশের চম্বা জেলার ভারমর নামক একটি জায়গায়।

Image Source

সাধারণ মানুষ ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে:

সাধারণ মানুষ ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে:

মৃত্যুর সম্মুখীন হওয়া কি সহজ কাজ? মোটেই না। তাই তো কোনও মানুষকে এই মন্দিরে দেখা যায় না। কারণ তাদের বিশ্বাস মৃত্যুর দেবতার সামনে গেলে কোনও ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই বাইরে থেকেই সবাই প্রণাম সেরে নিজ নিজ কাজে চলে যান। কেউই ভিতরে যাওয়ার ইচ্ছাটুকুও প্রকাশ করেন না।

তিনি একা থাকেন না!

তিনি একা থাকেন না!

স্থানীয় মানুষদের বিশ্বাস এই মন্দিরে যম রাজ নাকি একা থাকেন না। তার সঙ্গে থাকেন চিত্রগুপ্ত। এই মন্দিরের এক গোপন কুটুরিতেই নাকি যম রাজের সহায়কের নিজস্ব ঘর রয়েছে। সেখানে বসেই নাকি তিনি আমাদের সবার ভাল-মন্দের হিসেব রেখে যান। যখন আমাদের মৃত্যু ঘটে, তখন সেই ফাইল পৌঁছে যায় যম রাজের দরবারে।

গোপন দরজা আছে নাকি এখানে:

গোপন দরজা আছে নাকি এখানে:

এই মন্দিরে নাকি চারটি অদৃশ্য দরজা রয়েছে। যার কোনওটা সোনা, কোনওটা রুপো, কোনওটা ব্রঞ্জ এবং লোহা দিয়ে তৈরি। পুরানেও এমন চারটি দরজার বিষয়ে লেখা রয়েছে। বলা হয়েছে যম রাজের মর্জি মতো আত্মারা মৃত্যুর পর এই দরজাগুলির কোনওটা পেরিয়েই স্বর্গ অথবা নরকে প্রবেশ করে থাকে।

এমনও বিশ্বাস করে লোকে!

এমনও বিশ্বাস করে লোকে!

সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন মৃত্যুর পরেই আত্মার ঠাঁই হয় যম রাজের দরবারে। সেখানে চিত্রগুপ্ত সেই আত্মার ভাল-মন্দের হিসেব পেশ করেন মৃত্যুর দেবতার সামনে। তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, কোন দরজা খোলা হবে।

এবার বুঝলেন তো এই মন্দিরে কেন পা পরে না সাধারণ মানুষের।

Story first published: Tuesday, June 27, 2017, 14:40 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion