নিজের সামান্য রোজগারে ছেলের হার্ট সার্জারী করাতে পারবেন না অঙ্কুর

By Satyaki

"আমরা সব চেষ্টা করেছি। ভিক্ষা চেয়েছি, প্রার্থনা করেছি। এবার আমরা এটাকে স্বীকার করে নিয়েছি। কোন আশ্চর্য ক্ষমতা আমাদের ছেলেকে বাঁচাতে পারবে না। আমাদের যা করার করব বাকি সব অদৃষ্টের হাতে।"

দুই বছরের কার্তিকের কাছে এই আট মাস যেন কয়েক বছরের সমান। সে সারা দিন রাত খালি কাঁদে। অন্যকোন ভাবে সে নিজের ব্যাথাকে প্রকাশ করতে পারে না। তার চামড়া ও চোখ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কয়েকমাস আগেই এই ফুলের মতো শিশুটি হারিয়েছে তার জীবন।

হৃৎপিন্ড সার্জারী

কার্তিকের বাবা অঙ্কুর প্রথম লক্ষ্য করেন তাঁর ছেলে দিন রাত খালি কাঁদে। তার কান্না কোন স্বাভাবিক শিশুর কান্না নয়। লুধিয়ানা ও দিল্লির একাধিক হাসপাতালে দেখানোর পরেও জানানো হয় তার ছেলের 'বিশেষ'কিছুই হয়নি।

অবশেষে দিল্লির ফর্টিস হাসপাতালে গেলে জানানো হয় তার কার্তিকের হৃদপিন্ড শরীরে যথেষ্ট পরিষ্কার রক্ত পাঠাতে পারছে না।

এখন একমাত্র হার্ট সার্জারি বাঁচাতে পারবে কার্তিককে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়।

"একজন সুস্থ ২ বছরের শিশুর ওজন হওয়া উচিত ১০ কেজি। কিন্তু কার্তিকের ওজন ৬ কেজি। ওর হৃদপিন্ড ঠিক করে কাজ করছে না। আর আমরা তা দেখা ছাড়া আর কিছুই করতে পারছি না।"

ড়াক্তাররা জানাচ্ছেন কার্তিকের ওজন এতো কম হওয়ার কারনেই এই সার্জারি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সার্জারির আগে তাকে পর্যাপ্ত পরিমান খাইয়ে আগে শরীরের গঠন মজবুত করতে হবে। আর এই গোটা প্রক্রিয়াতে খরচ হবে ৫ লক্ষ টাকা।

কার্তিকের বাবা অঙ্কুর জলন্ধরে গ্যাস সিলিন্ডার সারাইয়ের কাজ করেন। কোন নিয়মিত রোজগার নেই তাঁর। আর সঞ্চয়ে যা ছিল তা ইতিমধ্যেই শেষ করে ফেলেছেন কার্তিকের চিকিৎসায়। তিনি বলেন "আমার স্ত্রী ও কার্তিক আমার সবকিছু। এদের কাউকেই আমি কোনভাবে হারাতে চাই না।"

আপনার এক সাহায্য কার্তিককে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সাহায্য করবে। কাত্তিকের নেই কোন বিমা। তাই আপনার সাহায্যই ছোট্ট কার্তিকের বেঁচে থাকার একমাত্র আশা।

ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে এই খবরটি শেয়ার করে আপনি সাহায্য করতে পারেন কার্তিককে।

Story first published: Wednesday, May 23, 2018, 17:21 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion