জাতীয় হিন্দি দিবস ২০১৯ : জেনে নিন এর ইতিহাস ও তাৎপর্য

আজ 'জাতীয় হিন্দি দিবস'। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের ১৪ তারিখে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে পালন করা হয় জাতীয় হিন্দি দিবস। হিন্দি ভাষা প্রচার ও চর্চা করা এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। এছাড়াও, যখন দেশের গণপরিষদ হিন্দিকে ভারতের সরকারী ভাষা হিসাবে গ্রহণ করেছিল, সেইদিনের তাৎপর্য বোঝাতেও পালন করা হয় হিন্দি দিবস। এইদিনে দেশের রাষ্ট্রপতি হিন্দি বৃদ্ধি ও প্রচারে যারা অবদান রেখেছেন তাদেরকে দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে 'রাজভাষা পুরষ্কার' প্রদান করেন। বিভাগীয় মন্ত্ৰী, বিভাগ, সরকারি প্ৰতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককেও এই পুরষ্কার প্ৰদান করা হয়।

National Hindi Diwas

দেবনাগরী লিপিতে রচিত হিন্দি, ভারতের ২২টি সংবিধান স্বীকৃত ভাষাগুলির মধ্যে একটি। হিন্দি হল কেন্দ্র সরকারের অন্যতম সরকারী ভাষা, অন্যটি ইংরাজি। বিভিন্ন জায়গায় নানান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। দেশের বিভিন্ন স্কুলে কবিতা, গল্প এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষিত করার জন্য সাহিত্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয়। এথনোলজি সংস্থা অনুসারে, হিন্দি বিশ্বের তৃতীয় সর্বাধিক কথ্য ভাষা।

গণপরিষদ হিন্দি গ্রহণের বহু আগে, ১৯২৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের করাচি অধিবেশন, যখন ভারত ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল, সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, হিন্দি এবং উর্দু ভাষার মিশ্রণই স্বাধীন ভারতের ভাষা হবে। ১৯৪৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ভারতের সংবিধান প্ৰস্তাবনা পরিষদে দেবনাগরী লিপিতে লেখা হিন্দীকে ভারতের সরকারি ভাষারূপে স্বীকৃতি দেয় বলে হিন্দি দিবস এইদিনে পালন করা হয়। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের সংবিধান গৃহীত হওয়ার মধ্য দিয়ে 'হিন্দি' ভারত সরকারের অন্যতম সরকারি ভাষারূপে স্বীকৃতি লাভ করে।

শেঠ গোবিন্দ দাস, মৈথিলি শরণ গুপ্ত এবং কাকা কালেলকর এবং বিশিষ্ট হিন্দি পন্ডিত বেওহর রাজেন্দ্র সিমহা হিন্দি ভাষার প্রচারের জন্য জোর দিয়েছিলেন। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে, হিন্দি ভাষা ভারতের জনসংখ্যার ৪০ শতাংশেরও বেশি মানুষ ব্যবহার করে।

X
Desktop Bottom Promotion