লেডি ডায়না : তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য

তিনি আমাদের মধ্যে নেই আজ অনেক বছর হল। তবু, এখনও যদি কাউকে জিজ্ঞাসা করা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা সুন্দরী কে? তাহলে এক বাক্যে প্রত্যেকের মুখে একটাই নাম সবার আগে শোনা যায়, তিনি হলেন প্রিন্সেস ডায়না। তাঁর অপূর্ব রুপের ছটায় মোহিত ছিলেন বাচ্চা থেকে বয়স্ক সবাই। তাঁর পুরো নাম লেডি ডায়না ফ্রান্সেস স্পেনসার। তিনি ছিলেন ব্রিটেনের রাজবধূ। তিনি প্রিন্সেস অফ ওয়েল্‌স নামে পরিচিত ছিলেন।

Princess Diana death anniversary

তাঁর মৃত্যুর ২২ বছর পরেও শুধুমাত্র ব্রিটেনেই নয়, সারা বিশ্বে এখনও তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। অসহায়ের কাছে তিনি 'জনগণের যুবরানী', ফ্যাশন সচেতন বিশ্বের কাছে একজন স্টাইল আইকন, আর সন্তানদের কাছে একজন মমতাময়ী মা। এই তিন পরিচয় ব্রিটেনের রাজবধূর পরিচয়ের বাইরেও যেন তাঁর কাছে বিশেষ কিছু ছিল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ডায়নার পরিচিতি ব্যাপক। তিনি দানশীলতার জন্য খ্যাত ছিলেন। তাঁর জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই আজকের এই লেখা।

তিনি ছিলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য। ১৯৮১ সালে তিনি ব্রিটিশ রাজ পরিবারের পুত্র প্রিন্স চার্লসকে বিবাহ করেন এবং ১৯৯৬সালে তাঁর ডিভোর্স হয়। ১৯৯৭ সালের ৩১ অগাষ্ট গাড়ি অ্যাক্সিডেন্টে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে রইল তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য।

১) ১৯৬১ সালের ১ জুলাই নরফোকের স্যান্ড্রিংহামের পার্ক হাউসে জন্মগ্রহণ করেন ডায়না ফ্রান্সেস স্পেনসার। তাঁদের পরিবারের সাথে বহু প্রজন্ম ধরেই ব্রিটিশ রাজ পরিবারের নিবিড় সম্পর্ক ছিল। ১৯৬১ সালের ৩০ অগাস্ট স্যান্ড্রিংহামের সেন্ট মেরি ম্যাগডালিন চার্চে ডায়নার বাপ্তিস্ম হয়।

২) ছোটবেলা থেকেই তিনি পছন্দ করতেন ব্যালে ডান্স। এই নিয়ে তিনি পড়াশোনাও করেছিলেন।

৩) ১৯৮১ সালে যখন তিনি প্রিন্স চার্লসকে বিয়ে করেছিলেন, তখন বিশ্বের প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন মানুষ এই বিবাহ দেখার জন্য একত্রিত হয়েছিল।

৪) তাঁর প্রিয় রঙ ছিল গোলাপী। তাঁকে প্রায়ই গোলাপী রঙের পোশাক পরতে দেখা যেত।

৫) তার প্রিয় ডেজার্ট ছিল পাঁউরুটি এবং মাখনের পুডিং।

৬) প্রিন্সেস ডায়নার বিয়ের পোশাক ছিল ২৫ ফুট দীর্ঘ এবং দশ হাজার মুক্তো দিয়ে সজ্জিত।

৭) ডায়না তাঁর বিয়ের রিংটি গ্যারার্ড জুয়েলারি কালেকশন ক্যাটালগ থেকে নির্বাচন করেছিলেন। রিংটি ছিল সাদা সোনার এবং ১৪ টি সলিটায়ার হিরের।

৮) তিনি অত্যন্ত দানশীল ছিলেন। ফ্যাশন, সৌন্দর্য, এইডস রোগ প্রভৃতি নানন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে তাঁর অবদান অনেক। এছাড়াও, ভূমি মাইনের বিরুদ্ধে তাঁর আন্দোলন তাঁকে বিখ্যাত করেছে।

৯) ডায়নার প্রিয় ডিজাইনার ছিলেন ক্যাথরিন ওয়াকার, যিনি ডায়নার সবচেয়ে আইকোনিক লুক ডিজাইন করেছিলেন।

১০) তিনি যুক্তরাজ্যে লন্ডন মিডলসেক্স হাসপাতালে প্রথম HIV/AIDS ইউনিট খুলেছিলেন।

১১) তিনি সুইডিশ পপ মিউজিক গ্রুপ ABBA-র বিশাল ফ্যান ছিলেন ।

১২) ১৯৯২ সালে একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যান্ড্রু মর্টন 'ডায়ানা: হার ট্রু স্টোরি - ইন হু ওন ওয়ার্ডস' নামক একটি বই লিখেছিলেন , এই বইটি তিনি তাঁর কাছে ডায়নার বলা কথার রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে লিখেছিলেন।

X
Desktop Bottom Promotion