Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
RIP KK : কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ থেকে কী ভাবে কেকে হয়ে উঠেছিলেন? জেনে নিন তাঁর জীবনের নানা অজানা কথা
'হম, রহে ইয়া না রহে কাল...' মঞ্চে গাওয়া এটিই শেষ গান ছিল কেকে'র। তারপরের ছবিটা এখনও মেনে নিতে পারছে না দেশবাসী। মঙ্গলবার কলকাতার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে প্রয়াত হলেন বলিউডের বিখ্যাত গায়ক কেকে। মাত্র ৫৩ বছর বয়সে মৃত্যু হল এই গায়কের। চিকিৎসকদের অনুমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে খ্যাতনামা গায়কের।
গুরুদাস কলেজের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন কেকে। নজরুল মঞ্চে চলছিল অনুষ্ঠান। সেখানেই অসুস্থ বোধ করেন। তারপর হোটেলে ফিরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। দ্রুত তাঁকে এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সম্পূর্ণভাবে সুস্থ থাকা সত্ত্বেও এত কম বয়সে চলে যাওয়াটা মেনে নিতে পারছে না কেউই।

কেকে-র জীবনের অজানা কথা
১) ১৯৬৮ সালের ২৩ অগষ্ট দিল্লিতে এক মালায়লি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ। তবে তিনি 'কেকে' নামেই বিশ্ব বিখ্যাত। দিল্লির মাউন্ট সেন্ট মেরি স্কুলে পড়াশুনা করেন কেকে, এরপর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিরোরি মাল কলেজ থেকে স্নাতক হন। এরপর তিনি বিপণন সহযোগী হিসেবে প্রায় আট মাস কাজ করেছিলেন। তারপর চাকরি ছেড়ে মুম্বইয়ে চলে যান।
২) ছোট থেকেই সঙ্গীতের আবহে বড় হয়ে ওঠা কেকে-র। মা-বাবা দু'জনেই খুব ভাল গান গাইতেন। ১৯৯১ সালে দীর্ঘ দিনের প্রেমিকা জ্যোতি-কে বিয়ে করেন। তাঁদের এক ছেলে এবং এক মেয়ে, ছেলে নকুলকৃষ্ণ কুন্নাথ এবং মেয়ে তামারা কুন্নাথ।
৩) ছোটো থেকেই তাঁর গানের গলা ভাল। কখনও কোথাও তিনি সঙ্গীত প্রশিক্ষণ নেননি। তাঁর বাবা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য পাঠালেও দু'দিনেই প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া বন্ধ করে দেন। বলতেন, কিশোর কুমার কখনও গান শিখে গায়ক হননি। তাই তিনিও ভাল গায়ক হলে গান না শিখেই হবেন। গায়ক কিশোর কুমার এবং সঙ্গীত পরিচালক আর ডি বর্মন-এর থেকেই তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।
৪) এক ইন্টারভিউতে কেকে জানিয়েছিলেন, দিল্লীতে গান গাওয়ার সময় বিখ্যাত গায়ক হরিহরণ-এর নজরে আসেন তিনি। সেখানেই হরিহরণ তাঁকে মুম্বই আসার জন্য উৎসাহ দেন।
৫) ১৯৯৬ সালের বিখ্যাত চলচ্চিত্র 'মাচিস'-এ 'ছোড় আয়ে হাম' গানটির একটি ছোটো অংশ গেয়েছিলেন কেকে। এর পর ১৯৯৯ সালে 'হম দিল দে চুকে সনম' সিনেমার বিখ্যাত গান 'তড়প তড়প কে ইস দিল সে...' গানের মাধ্যমেই বলিউডে তাঁর দাপট শুরু হয়।
৬) ১৯৯৯ সালেই মুক্তি পায় তাঁর বিখ্যাত অ্যালবাম 'পল'। যার গান 'হম রহে ইয়া না রহে কাল...' রাতারাতি লোকের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর আর তাঁকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কৃষ্ণকুমার থেকে হয়ে ওঠেন কেকে।
৭) এর ঠিক আট বছর পর ২০০৮ সালে কেকে-র দ্বিতীয় অ্যালবাম 'হামসফর' রিলিজ হয়।
৮) বলিউডে আত্মপ্রকাশের আগেই কেকে ১১টি ভাষায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিজ্ঞাপনী গান গেয়ে ফেলেছিলেন। ১৯৯৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সমর্থনে তিনি 'জোশ অব ইন্ডিয়া' বলে একটি গান গেয়েছিলেন। এই গানের ভিডিয়োতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরাও ছিলেন।
৯) ২০০৯ সালে, 'বচনা অ্যায় হাসিনো' সিনেমার 'খুদা জানে' গানটির জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে সেরা নেপথ্য গায়কের পুরস্কার জেতেন।
১০) গানের রিয়্যালিটি শো 'ফেম গুরুকুল'-এ তিনি জুরি সদস্য হিসেবে আমন্ত্রিত হন। এ ছাড়াও আরও অনেক গানের রিয়্যালিটি শোয়ে জুরি সদস্য এবং অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন কেকে।
১১) হিন্দি, বাংলা, তামিল, কন্নড়, তেলুগু, মারাঠি, ওড়িয়া, মালয়ালম, গুজরাতি এবং অসমীয়া-সহ অনেক ভাষায় গান গেয়েছেন কেকে। জীবদ্দশায় হিন্দিতে ৫০০টিরও বেশি এবং অন্যান্য ভাষায় ২০০টিরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কেকে।
১২) কেবল ভারতেই নয়, পাকিস্তানেও তিনি তাঁর জনপ্রিয়তার ছাপ রেখেছেন। পাকিস্তানের একটি টিভি শো-তে 'তনহা চলা' গান গেয়ে সকলের মন কেড়েছিলেন।
১৩) আন্তর্জাতিক অ্যালবাম 'রাইজ আপ কালার্স অব পিস'-এ 'রোজ অব মাই হার্ট' গানটি গেয়েছিলেন কেকে।
১৪) কেকে-র গাওয়া 'হম রহে ইয়া না রহে কাল... কাল ইয়াদ আয়েঙ্গে ইয়ে পল', এই গান কখনও ভুলে যাওয়ার নয়। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ছাড়ার সময় এই গান বাজানো ভারতীয়দের কাছে এক অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সহজে সেই অভ্যাস যাওয়ার নয়।
১৫) এছাড়াও তাঁর গাওয়া, 'খুদা জানে', 'অলবিদা', 'তু জো মিলা', 'আজব সি', 'ও মেরি জান', 'কোই কহে কহতা রহে', 'সচ কহে রহা হ্যায় দিওয়ানা', 'তু হি মেরা শব হ্যায়', 'দিল ইবাদত', 'কেয়া মুঝে পেয়ার হ্যায়', 'দিল কিউ ইয়ে মেরা', 'লাবো কো', 'তড়প তড়প', 'পল', 'বিতে লমহে', গানগুলি দেশবাসীর মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। এই গানগুলি কখনই ভোলার মতো নয়।



Click it and Unblock the Notifications
