বাস্তুশাস্ত্র: গুড লাককে রোজের সঙ্গী বানাতে প্যান্টের পকেটে কী কী রাখা চলবে না এবং কী কী রাখতে হবে?

কোনও কোনও সময় বাস্তুশাস্ত্রে আলোচিত অনেক বিষয়কেই সত্যি মেনে নেওয়া কঠিন হয়।

কোনও কোনও সময় বাস্তুশাস্ত্রে আলোচিত অনেক বিষয়কেই সত্যি মেনে নেওয়া কঠিন হয়। কিন্তু বিশ্বাস করুন একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে বাস্তুশাস্ত্রে উল্লেখিত নিয়মগুলি মেনে চললে খারাপ তো হয়ই না, উল্টে নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন প্যান্টের পকেটে আমরা বাড়ির চাবি থেকে শুরু করে, টাকা, পার্স এবং আরও কত কী যে রাখি তার কোনও হিসেব নেই। কিন্তু বাস্তু মতে গুড লাককে সঙ্গী বানাতে হলে বেশ কিছু জিনিস আছে, যা ভুলেও পকেটে রাখা উচিত নয়। অন্য়দিকে এই প্রবন্ধের দ্বিতীয় ধাপে আলোচিত জিনিসগুলি যদি পকেটে রাখা যায়, তাহলে আবার গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। ফলে মনেক ছোট ছোট ইচ্ছা পূরণ হতে সময় লাগে না।

এখন প্রশ্ন হল, সুখের ঝাঁপি ভরাতে এবং অর্থনৈতিক উন্নতির সাক্ষী থাকতে কী কী জিনিস একেবারেই পকেটে রাখা চলবে না?

১. হিজিবিজি লেখা:

১. হিজিবিজি লেখা:

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে হিজিবিজি লেখা পকেটে রাখা নাকি একেবারে উচিত নয়। কারণ বাস্তুশাস্ত্র মতে এই ধরনের লেখা পকেটে জমতে থাকলে চারিদিক থেকে নেগেটিভ এনার্জিরা আক্রমণ শানাতে শুরু করে। আর এমনটা হলে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যে বৃদ্ধি পায়, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে!

২. ওষুধ:

২. ওষুধ:

একেবারে ঠিক শুনেছেন বন্ধু। ভুলেও পকেটে কোনও ওষুধ রাখবেন না যেন! কারণ এমনটা করলে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা পিছু নেবে। সেই সঙ্গে শরীরও ভাঙতে শুরু করবে। কমবে কর্মক্ষমতা। তাই ওষুধ যদি সঙ্গে রাখতেই হয়, তাহলে আলাদা ব্য়াগে তা রাখুন। প্যান্টের পকেটে নৈব নৈব চ!

৩. পুরানো ঝাপসা হয়ে যাওয়া বিল:

৩. পুরানো ঝাপসা হয়ে যাওয়া বিল:

কোনও কিছু কেনার পর পাওয়া বিল অনেকেই পকেটে রেখে দেন। পরে সেটি পকেট থেকে বের করে যে ফেলে দিতে হবে, সেটা অনেকেই করতে ভুলে যান! এমনটা করা একেবারেই উচিত নয়। কারণ বাস্তুশাস্ত্র মতে প্যান্ট বা জামার পকেটে পুরানো বিল রেখে দিলে নেগেটিভ এনার্জি পিছু নেয়। ফলে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই এবার থেকে ভুলেও পুরানো বিল পকেটে রাখবেন না যেন!

৪. ভাঁজ খেয়ে যাওয়া টাকা:

৪. ভাঁজ খেয়ে যাওয়া টাকা:

খেয়াল করে দেখবেন অনেকেই পকেটে টাকা রেখে থাকেন। আর পকেটে থাকতে থাকতে টাকাগুলি মারাত্মক ভাঁজ খেয়ে যায়। এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ বাস্তুশাস্ত্রের উপর লেখা একাধিক বইয়ে এমনটা লেখা রয়েছে যে ভাঁজ খেয়ে যাওয়া টাকা পকেটে রাখলে মা লক্ষী রেগে যান। ফলে অর্থনৈতিক উন্নতি লাভের সম্ভাবনা কমে। তাহলে এখন প্রশ্ন হল কীভাবে রাখতে হবে টাকা? ভুলেও ভাঁজ করে রাখবেন না। মানি ব্যাগে সুন্দর করে গুছিয়ে একের পর এক নোট রাখুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৫. বিশেষ কিছু ছবি:

৫. বিশেষ কিছু ছবি:

বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে মানি ব্যাগে এমন কোনও ছবি রাখা উচিত নয়, যা দেখা মাত্র উত্তেজনা বাড়তে পারে। কারণ এমনটা করলে মন এবং মস্তিষ্ক উত্তেজিত হয়ে ওঠে। ফলে কাজে মনোযোগ বিগ্নিত হয়ই, সেই সঙ্গে মানসিক চাপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই প্যান্টের পকেটে যদি ছবি রাখতেই হয়, তাহলে মা-বাবা অথবা স্ত্রী-ছেলে-মেয়েদের রাখুন। যাদের দেখে আপনার মনের জোর বাড়বে।

৬. চামড়া উঠে যাওয়া মানি ব্যাগ:

৬. চামড়া উঠে যাওয়া মানি ব্যাগ:

অর্থনৈতিক সঙ্কটে পরার ইচ্ছা রয়েছে নাকি? উত্তর যদি না হয়, তাহলে ভুলেও খারাপ হয়ে যাওয়া মানি ব্যাগ পকেটে রাখবেন না। কারণ বাস্তু মতে ছিঁড়ে যাওয়া ব্যাগ সঙ্গে রাখলে নেগেটিভ এনার্জি পিছু নেয়। সেই সঙ্গে খরচের পরিমাণ এত বেড়ে যায় যে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স খালি হয়ে যেতে সময় লাগে না।

পকেটে কীকী রাখা চলবে না, সে সম্পর্কে না হয় জানা গেল। কিন্তু কী কী জিনিস রাখলে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে, সে সম্পর্কে তো জানা হল না। তাই তো বলি বন্ধু বাকি জীবনটা যদি আনন্দে কাটাতে হয়, তাহলে নিচে আলোচিত জিনিসগুলি সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না যেন!

১. রুপার কোনও জিনিস:

১. রুপার কোনও জিনিস:

বাস্তুশাস্ত্র মতে পকেটে রুপোর কোনও জিনিস রাখলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আপনার চিরসঙ্গী হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। তাই সুখ-শান্তির সন্ধান পেতে এই নিয়মটি মেনে চলতে ভুলবেন না যেন!

২. চোখের চিহ্ন:

২. চোখের চিহ্ন:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে চোখের চিহ্ন রয়েছে এমন হার বা কোনও কিছু সঙ্গে রাখলে খারাপ শক্তি ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে কোনও ধরনের বিপদ ঘটার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথ তো প্রশস্ত হয়ই, সেই সঙ্গে কর্মজীবনে উন্নতি লাভের সম্ভাবনাও যায় বেড়ে।

৩. ময়ূরের পালক:

৩. ময়ূরের পালক:

বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে ময়ূরের পালক, হলুদ অথবা লাল সিল্কের কাপড়ে মুড়িয়ে যদি সঙ্গে রাখতে পারেন, তাহলে মনের ছোট থেকে ছোটতর ইচ্ছা পূরণ হতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, গৃহস্থের প্রতিটি কোনায় পজেটিভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধির ঝাঁপি খালি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

৪. সাদা পাথর:

৪. সাদা পাথর:

শুনতে আজব লাগলেও এ ধরণার মধ্যে কোনও ভুল নেই যে পকেটে বা ব্যাগে ছোট্ট একটা সাদা পাথর রাখলে দারুন সব উপকার পাওয়া যায়। বিশেষত স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটির প্রকোপ কমে যায়। সেই সঙ্গে আশেপাশে পজেটিভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে জীবনের ছবিটা বদলে যেতে সময় লাগে না।

Story first published: Saturday, June 30, 2018, 13:06 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion