For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কোন কোন প্রাণীকে পোষ্য হিসেবে বাড়িতে আনা উচিত নয় জানা আছে?

|

আজকের ডেটে যেভাবে স্ট্রেল লেভেল বাড়ছে তাতে সবাইকেই পছন্দের কোনও প্রাণী পোষ্য হিসেবে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাদের মতে এমনটা করলে নাকি স্ট্রেল লেভেল মাত্রা ছাড়াতে পারে না। ফলে নানাবিধ মারণ রোগের হাত থেকে রক্ষা মেলে। কিন্তু একথা জানা আছে কি কোন ধরনের পাখি বা প্রাণীকে পোষ্য হিসেবে বাড়িতে আনলে ব্যাড লাক পিছু নেয়?

একেবারেই ঠিক শুনেছেন বাস্তু মতে সব ধরনের প্রাণীকে বাড়িকে রাখা যায় না। কারণ এক একটি প্রাণী পরিবারের অন্দরে যেমন শুভ শক্তির বিকাশ ঘটায়, তেমনি এমনও কিছু প্রাণী আছে যাদের সঙ্গে খারাপ ভাগ্যের যোগ থাকে। ফলে এদেরকে বাড়িতে আনলে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বেড়ে যায়! তাই কোন কোন প্রাণীকে বাড়িতে আনা চলবে না, সে সম্পর্কে জেনে নেওয়াটা জরুরি। আর একাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে এই প্রবন্ধে।

এখন প্রশ্ন হল কোন কোন প্রাণীকে বাড়িতে রাখা যাবে এবং কাদেরকে একেবারেই আনা চলবে না?

১. খরগোস:

১. খরগোস:

এই প্রাণীটির বাড়িতে থাকা বেজায় শুভ! শুধু তাই নয়, বাস্তু মতে বাড়িতে খরগোস পুষলে সেই পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি রোজের সঙ্গী হয়। সেই সঙ্গে পরিবারে কারও থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে তাও কমতে শুরু করে।

২. পায়রা:

২. পায়রা:

আর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সাক্ষী যদি থাকতে চান, তাহলে আজই বাড়িতে নিয়ে আসুন জোড়া পায়রা। কারণ বাস্তুশাস্ত্রে এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই পাখিটিকে বাড়িতে রাখলে পারিবারের অন্দরে অশান্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক নানাবিধ সমস্যাও কমতে শুরু করে।

৩. গরু:

৩. গরু:

হিন্দু শাস্ত্র থেকে বাস্তুশাস্ত্র, সবেতেই এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়িতে এই প্রাণীটিকে পোষ্য হিসেবে নিয়ে এলে গৃহস্থের অন্দরে নেগেটিভ এনার্জির মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ কিছু ঘটার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়।

৪. মাছ:

৪. মাছ:

বাস্তু শাস্ত্রের উপর লেখা একাধিক বইয় এমনটা উল্লেখ পাওয়া যায় যে বাড়িতে মাছ পুষলে খারাপ শক্তি গৃহস্তের অন্দরে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে ব্যাড লাক সঙ্গ ছাড়তে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এমনটাও বিশ্বাস করা হয় যে যেসব মাছ বেজায় ছটফটে, যেমন গোল্ড ফিশ, তেমন মাছ বাড়িতে এনে রাখলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে স্ট্রেস লেভেলও কমতে শুরু করে।

৫. কুকুর:

৫. কুকুর:

পোষ্য হিসেবে এই প্রাণীটির জনপ্রিয়তা আকাশ ছোঁয়া। কারণ পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি সুখ-সমৃদ্ধির আগমণ ঘটাতে এই প্রাণীটির কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। তবে এখানেই শেষ নয়। একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে কুকুরের গায়ে থাকা বেশ কিছু ব্যাকটেরিয়া মানব শরীরে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এতটা শক্তিশালী করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৬. ব্যাঙ:

৬. ব্যাঙ:

এই প্রাণীটিকে অনেকেই বাড়ির ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না, কিন্তু বাস্তু মতে ব্যাঙের গোঙানি পরিবারে জন্য বেজায় শুভ। কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয়, যে বাড়িতে ব্যাঙ ডাকে, সেই পরিবারকে কোনও দিন অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখিন হতে হয় না। সেই সঙ্গে অশুভ শক্তির প্রভাবও কমতে শুরু করে। তাই এবার থেকে বাড়িতে ব্যাঙ দেখলে তাদের ভুলেও তাড়িয়ে দেবেন না যেন!

৭. বিড়াল:

৭. বিড়াল:

হিন্দু শাস্ত্রের উপর লেখা নানা বইয়ে এমনটা উল্লেখ পাওয়া যায় যে বাড়িতে বিড়াল পোষা একেবারেই উচিত নয়। কারণ এই প্রানীটি অশুভ শক্তির আগমণ ঘটায় গৃহস্তে। ফলে খারাপ কিছু ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

৮. তোতাপাখি:

৮. তোতাপাখি:

অনেকেই পোষ্য হিসেবে এই পাখিটিতে পুষে থাকেন। কিন্তু বাস্তু মতে বাড়িতে তোতাপাখি রাখা বেজায় অশুভ। কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় এই পাখিটিকে খাঁচায় রাখার কারণে অশুভ শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে সময় লাগে না। আর এমনটা হলে খারাপ কিছু ঘটতে যে সময় লাগে না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৯. স্করপিয়ান:

৯. স্করপিয়ান:

বাস্তুশাস্ত্র মতে বাড়িতে এই প্রাণীটিকে রাখা একদিকে যেমন বেজায় বিপদের, তেমনি অশুভও বটে। কারণ বাড়ির এদিক-সেদিকে যদি বিছে ঘোরাফেরা করে, তাহলে পরিবারে অশান্তির মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে নেগেটিভ এনার্জির মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ভয়ঙ্কর খারাপ কিছু ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই সাবধান!

Read more about: বিশ্ব
English summary

একথা জানা আছে কি কোন ধরনের পাখি বা প্রাণীকে পোষ্য হিসেবে বাড়িতে আনলে ব্যাড লাক পিছু নেয়?

in case of good luck it is said that if you can't afford the actual animal, keeping a picture of it too is beneficial in your house. but there are certain pets that only bring negativity in the house --- you should not keep such pets in the house.
Story first published: Friday, March 2, 2018, 12:43 [IST]
X