Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ ফেব্রুয়ারি কেন পালিত হয় 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস'? জেনে নিন দিনটির ইতিহাস ও গুরুত্ব
আজ ২১ ফেব্রুয়ারি, 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস'। প্রতিটি দেশের মানুষ এদিন তাদের মুখের ভাষা বা মাতৃভাষাকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি আয়োজন করে নানা কর্মযজ্ঞের। বিশেষ করে, বাংলাদেশে এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়ে থাকে। প্রতি বছরই মাতৃভাষা দিবসের একটি নির্দিষ্ট থিম থাকে। ইউনেস্কো অনুযায়ী, ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের থিম হল - 'multilingual education - a necessity to transform education.'
মাতৃভাষার আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্বীকৃতি কিন্তু খুব পুরানো দিনের কথা নয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কেন ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে ভাষা দিবস পালন করা হয়।

মাতৃভাষা দিবসের ইতিহাস
দীর্ঘ ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে ১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। তবে ভারত ছাড়ার আগে ব্রিটিশরা ভারতকে দু'টি স্বাধীন রাষ্ট্রে ভাগ করে দিয়ে যায় - একটি হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ভারত ও একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ পাকিস্তান। দুটো আলাদা ভূখণ্ড এবং দুটো ভিন্ন ভাষার জাতিসত্তাকে মিলিয়ে ১৯৪৭ সালে জন্ম হয়েছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রের। পশ্চিম পাকিস্তানে প্রধান ভাষা উর্দু, আর পূর্ব পাকিস্তানের হল বাংলা। স্বাধীনতার পর উর্দু ভাষাকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ভাষা করার জন্য পাকিস্তান সরকার নড়ে চড়ে বসে। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তান তা একেবারেই চায় না। শুরু হয় প্রতিবাদ। বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা দিতে হবে - এই দাবি নিয়েই পূর্ব পাকিস্তানের মাটিতে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্গত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও সমাজকর্মীরা পাকিস্তান সরকারের এই ভাষা নীতির ঘোর বিরোধিতা করেন। নিজেদের মাতৃভাষাকে রক্ষা করতে পথে নামেন তাঁরা।
১৯৫২ সালের আজকের দিনেই অর্থাৎ ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। রফিক, সালাম, আব্দুল জব্বার, শফিউল, বরকত-সহ আরও অনেক তরুণ শহীদ হন। সেদিন পাকিস্তানের পুলিশ গুলি চালালেও প্রতিবাদ থামানো যায়নি। তাই এই দিনটি ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। বাংলা ভাষার জন্য শহীদ হওয়া মানুষদের স্মরণে, প্রতি বছর এই দিনটিকে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা হয়।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো (UNESCO) ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটিতে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের পাশাপাশি বহুভাষিকতার গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে 'মাতৃভাষা দিবস' উদযাপন করা হয়। ২০০০ সালে বিশ্বে প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। তারপর থেকে প্রতি বছর পালিত হয়ে আসছে। ২০১০ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' পালন করা হয়।
মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
বাংলাদেশে এই দিনটি পূর্ণ মর্যাদায় অনেক বড়ো করে পালিত হয়, যা দেখলে স্বাধীনতা দিবসের থেকে কম কিছু মনে হবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই শহিদ মিনার। ভাষা দিবসের কাকভোর থেকেই সেখানে অগণিত মানুষের জমায়েত হয়। সকলে ফুল, মালা নিবেদন করেন। ভাষা শহিদ স্মরণে গানের সুরে তাঁরা ভরিয়ে দেন চতুর্দিক। ভাষা শহিদ স্মরণে কবিতার পঙক্তি উচ্চারিত হয় তাঁদের কন্ঠে। প্রভাতফেরি ও শোভাযাত্রায় বহু মানুষ যোগ দেন। শহিদদের কবর ও শহীদ মিনারে ফুল প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে ও ত্রিপুরাতেও এই দিনটি অত্যন্ত গর্বের সহিত পালিত হয়। নানা উৎসব, অনুষ্ঠান, সেমিনার, বক্তৃতার মাধ্যমে দিনটি পালিত হয়ে থাকে।



Click it and Unblock the Notifications
