বাড়িতে পেতলের কচ্ছপ রাখলে কী কী উপকার পেতে পারে জানেন?

Subscribe to Boldsky

বাস্তুশাস্ত্র মতে বড়িতে কপার বা মাটি দিয়ে তৈরি কচ্ছপের মূর্তি রাখলে পজেটিভ শক্তির প্রভাব বাড়তে শুরু করে। ফলে খারাপ শক্তির প্রভাব কমতে থাকে। যার প্রভাবে সফলতার স্বাদ তো পাওয়া যায়ই, সেই সঙ্গে সুখ-শান্তির ছোঁয়া লাগে পরিবারে। প্রসঙ্গত, এমনটাও বিশ্বাস করা হয় যে গৃহস্থের অন্দরে তামার কচ্ছপকে জায়গা করে দিলে অর্থনৈতিক নানা সমস্যাও কমতে শুরু করে। ফলে সঞ্চয় বাড়ার কারণে বড়লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতেও সময় লাগে না।

পূরণের দিকে নজর ফেরালে জানতে পারবেন সাগর মন্থনের সময় সমগ্র মানবকূলকে বাঁচাতে ভগবান বিষ্ণু, কচ্ছপের অবতার নিয়ে নিজের পিঠে তুলে নিয়েছিলেন সমগ্র বিশ্বকে। তাই হিন্দু ধর্মেও কচ্ছপের গুরুত্বকে অস্বীকার করা সম্ভব নয়। তাই তো লোহা, তামা, মাটি বা ক্রিস্টালের কচ্ছপ বাড়িতে বা অফিসে এনে রাখলে ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তো কমেই, সেই সঙ্গে আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়। যেমন...

১.পরিবারে শান্তি ফিরে আসে:

১.পরিবারে শান্তি ফিরে আসে:

মাটি দিয়ে বানানো কচ্ছপের মূর্তি বাড়ির উত্তর-পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম রাখলে পজেটিভ শক্তির প্রবেশ ঘটতে শুরু করে গৃহস্থে। ফলে সুখ-শান্তির বাতাবরণ বজায় থাকে। সেই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কোনও ধরনের কলহ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

২. লোহার কচ্ছপ:

২. লোহার কচ্ছপ:

বাস্তুশাস্ত্র মতে এই ধরনের কচ্ছপের মূর্তি বাড়ির উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিকে রাখলে বেজায় উপকার পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে মনের মতো চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। সেই সঙ্গে নানাবিধ অর্থনৈতিক সমস্যাও কাটতে শুরু করে। ফলে বড়লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না।

৩. ক্রিস্টালের কচ্ছপ:

৩. ক্রিস্টালের কচ্ছপ:

এই ধরনের সোপিস বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিকে রাখলে নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন ব্যবসায় সাফল্য আসার সম্ভাবনা বাড়ে। সেই সঙ্গে আত্মবিশ্বাস এতটা বেড়ে যায় যে, যে কোন ও ধরনের বাঁধা পেরতে সময় লাগে না।

৪. কাঠের কচ্ছপ:

৪. কাঠের কচ্ছপ:

ছোট ছোট ঘটনায় মন খারাপ হয়ে যায়? সেই সঙ্গে হাজার চেষ্টা করেও মানসিক শান্তি মেলে না? তাহলে আজই বাড়িতে একটা কাঠের কচ্ছপ এনে রাখুন। এমনটা করলে পজেটিভ শক্তির প্রভাব এত বাড়বে যে মনের অন্দরে জায়গা করে নেওয়া খারাপ চিন্তা দূরে পালাবে। ফলে হারিয়ে যাওয়া সুখ-শান্তি ফিরে আসতে সময় লাগবে না।

৫. কচ্ছপের পরিবার:

৫. কচ্ছপের পরিবার:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে লিভিং রুমে মা কচ্ছপের সঙ্গে তার বাচ্চাদেরও যদি মূর্তি রাখা যায়, তাহলে গৃহস্থে সুখ শান্তি বজায় থাকে। সেই সঙ্গে যে কোনও ধরনের পারিবারিক কলহ কমতেও সময় লাগে না।

৬. কচ্ছপ এবং জল:

৬. কচ্ছপ এবং জল:

বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে একটি ছোট পাত্রে অল্প পরিমাণ জল নিয়ে তাতে কচ্ছপের মূর্তিটি রাখলে পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকে। সেই সঙ্গে আয়ু বৃদ্ধি পায় পরিবারের প্রতিটি সদস্যের এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে চোখে পরার মতো। প্রসঙ্গত, ভুলেও মাটি দিয়ে তৈরি কচ্ছপ যেন জলে রাখবেন না, গলে যাবে যে!

৭. কচ্ছপের পা:

৭. কচ্ছপের পা:

খেয়াল রাখবেন কচ্ছপের পা যেন সব সময় জলের নিচে থাকে। সেই সঙ্গে প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে মূর্তিটা। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে কচ্ছপের মূর্তিটা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখলে কর্মক্ষেত্রে দ্রুত সফলতা পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে মন আনন্দে ভরে ওঠে। শুধু তাই নয়, পকেট ভর্তি টাকার অধিকারি হয়ে ওঠার স্বপ্নও পূরণ হয়। ফলে জীবন এতটাই সুন্দর হয়ে ওঠে যে দুঃখ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Read more about: বিশ্ব
    English summary

    বাস্তুশাস্ত্র মতে বড়িতে কপার বা মাটি দিয়ে তৈরি কচ্ছপের মূর্তি রাখলে পজেটিভ শক্তির প্রভাব বাড়তে শুরু করে। ফলে খারাপ শক্তির প্রভাব কমতে থাকে। যার প্রভাবে সফলতার স্বাদ তো পাওয়া যায়ই, সেই সঙ্গে সুখ-শান্তির ছোঁয়া লাগে পরিবারে।

    As tortoise is gifted with long life therefore in Vastu Shastra and in Feng Shui it gives Long Life.As in Puranas, Lord Vishnu took the form of tortoise to uphold the earth and its beings during the Sagar Manthan; Lord Vishnu’s Tortoise is second avatar and is called as Kurma avatar.These days you can find tortoise in all homes who believe in Vastu Shastra and in Feng Shui. They are made up of Resins, Metal, glass, Mud, crystals or else of Wood.While placing a tortoise at your home or in your office, there are few Vastu rules which you should know and follow them and this can give you some benefits in your life...
    Story first published: Saturday, March 24, 2018, 12:51 [IST]
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more