আপনার হাতের তালুতে যদি এই রেখাগুলি থাকে তাহলে জানবেন আপনি বড়লোক হয়ে উঠবেই উঠবেন...!

অনেক অনেক টাকার মালিক হয়ে উঠতে পরিশ্রমের যে কোনও বিকল্প নেই, তা তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু ভাগ্য যদি সহায় না হয়, তাহলে কি আদৌ স্বপ্ন পূরণ সম্ভব, মনে তো হয় না!

অনেক অনেক টাকার মালিক হয়ে উঠতে পরিশ্রমের যে কোনও বিকল্প নেই, তা তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু ভাগ্য যদি সহায় না হয়, তাহলে কি আদৌ স্বপ্ন পূরণ সম্ভব, মনে তো হয় না! আর ঠিক এই কারণেই পামিস্ট্রি বা হস্তরেখা বিচারের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে আমাদের জীবন কোন পথে যাবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে আমাদের হাতের কিছু রেখার উপর। তাই তো বলি বন্ধু, আপনার "ভাগ্যে" কি আদৌ বড়লোক হয়ে ওঠা লেখা আছে, তা না জেনে অন্ধের মতো কাজ করে যাওয়াটা যে বোকামি, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে?

নিশ্চয় লক্ষ করেছেন আমাদের হাতের তালুতে একাধিক রেখা রয়েছে। কোনওটি সোজা যেতে যেতে হঠাৎ বাঁয়ে বেঁকে গেছে, তো কোনও কোনওটি ইংরেজির "এস" মতো দেখাচ্ছে। মজার বিষয় হল এই সব রেখাই নানাভাবে আমাদের জীবন সম্পর্কে নানা কথা বলে থাকে। এই যেমন ধরুন এই প্রবন্ধে আলোচিত রেখাগুলি যদি আপনার হাতে থাকে, তাহলে জানবেন অল্প সময়েই আপনার পকেট ভরে উঠতে চলেছে অনেক অনেক টাকায়। সেই সঙ্গে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত নানা ঝামেলাও মিটবে চোখের পলকে!

তাহলে আর অপেক্ষা কেন বন্ধু, চলুন খোঁজ নেওয়া যাক কোন কোন রেখার উপর নির্ভর করে আমাদের আর্থনৈতিক উন্নতি। আর সেগুলির কোনওটি আপনার হাতে রয়েছে কিনা...

১. সোজা লাইন:

১. সোজা লাইন:

হস্তরেখা বিশেষজ্ঞদের মতে আপনার হাতের তালুতে থাকা নানা আঁকা-বাঁকা রেখার মাঝে যদি হঠাৎ করে একটা সোজা রেখা থাকে, যা তালুর নিচ থেকে এক্কেবারে সোজা পৌঁছে গেছে তালুর শেষ প্রান্তে, তাহলে জানবেন অল্প দিনেই আপনার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স মোটা হতে চলেছে।

২. উঁচু উঁচু ঢিপির মতো:

২. উঁচু উঁচু ঢিপির মতো:

খেয়াল করে দেখবেন আমাদের তালুর বিশেষ কিছু অংশ ঢিপির মতো উঁচু হয়, বিশেষত আঙুল যেখানে তালুতে এসে শেষ হয়েছে সেই অংশটা। প্রসঙ্গত, এই ঢিপির মতো অংশগুলি যদি স্বাভাবিকের থেকে একটু বেশি মাত্রায় উঁচু হয়, তাহলে জানবেন আর কিছু দিনেই মধ্যেই চরম অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটতে চলেছে আপনার। সেই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রেও উন্নতির সম্ভাবনা বাড়বে।

৩. টর্টয়েজ সাইন:

৩. টর্টয়েজ সাইন:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে পামিস্ট্রিতে উল্লেখিত টর্টয়েজ সাইন যাদের হাতের তালুর ঠিক মাঝামাঝি থাকে, তাদের অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি গুড লোক এদের রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। ফলে মনের সব ইচ্ছা পূরণ হয় চোখের পলকে।

৪. সোয়াস্তিকা চিহ্ন:

৪. সোয়াস্তিকা চিহ্ন:

হাতে সোয়াস্তিকা চিহ্ন!শুনতে হয়তো আজব লাগছে। কিন্তু একথা ঠিক যে কারণ কারও হাতের তালুতে একাধিক রেখা মিশে অনেকটা সোয়াস্তিকা চিহ্নের মতো একটা ছবি তৈরি করে বৈকি! আর এমনটা যাদের সঙ্গে হয়, তাদের এ জীবনে বড়লোক হয়ে উঠতে যে কেউ আটকাতে পারবে না, তা নিশ্চিত করে বলা যেতেই পারে। শুধু তাই নয়, এমন চিহ্নের অধিকারীরা বেজায় লাকি হন। ফলে জীবনের প্রতিটি বাঁকে সফলতা স্বাদ পেতে এদের কেউই আটকাতে পারে না।

৫. সাদা আঁচিল:

৫. সাদা আঁচিল:

সব সময় নানা রেখাই যে আমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে থাকে, এমন নয় যদিও। কিছু ক্ষেত্রে আঁচিলও নানাভাবে আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করে থাকে। যেমন সাদা আঁচিলের কথাই ধরুন না। বিশেষজ্ঞদের মতে কারও ডান হাতের তালুতে যদি সাদা তিন থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তির ভাগ্য বেজায় সহায় হয়। ফলে শুধু অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে না, সেই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে চটজলদি পদন্নতি লাভের পথও প্রশস্ত হয়।

৬. হাতের রেখার ধরণ:

৬. হাতের রেখার ধরণ:

হস্তরেখা বিশেষজ্ঞদের মতে যাদের হাতের রাখে বেজায় গাড় এবং স্পষ্ট হয়, তাদের জীবন খুব সফল হয়। শুধু তাই নয়, এমন মানুষেরা জীবনকালে চরম অর্থনৈতির উন্নতিরও স্বাদ পান। তাই বন্ধু একবার দেখে নিন তো আপনার তালুতে থাকা রেখাগুলির ধরণ এমন কিনা!

৭. দুটি ভাগ্য রেখা:

৭. দুটি ভাগ্য রেখা:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে যাদের হাতের তালুতে একটা নয়, বরং দুটো ভাগ্য রেখা থাকে, তাদের বড়লোক হয়ে উঠতে কেউই আটকাতে পারে না। শুধু তাই নয়, এদের ভাগ্যও বেজায় সহায় হয়। আর গুড লাক যখন কারও রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে, তখন জীবনের প্রতিটা দিন যে আনন্দে ভরে ওঠে, তা তো কি আর বলার অপেক্ষা রাখে না!

৮.

৮. "মাউন্ট অব স্যাটার্ন":

রিং ফিঙ্গারের ঠিক নিচের অংশকে পামিস্ট্রিতে "মাউন্ট অব স্যাটার্ন" বলা হয়ে থাকে। ঠিক এই স্থানে যদি চক্রের মতো একটি চিহ্ন সৃষ্টি হয়, তাহলে জানবেন আপনি বড়লোক হয়ে উঠবেই উঠবেন। সেই সঙ্গে ভাগ্যের সঙ্গ পাওয়ার কারণে কর্মক্ষেত্রেও আপনার সম্মান বৃদ্ধি পাবে চোখে পরার মতো।

৯. লাক লাইন:

৯. লাক লাইন:

আপনার ভাগ্য রেখা যদি রিং ফিঙ্গার থেকে শুরু হয়ে তালুর একেবারে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যায়, তাহলে জানবেন আপনি বেজায় ভাগ্যবান। আর যাদের গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে, তাদের যে শুধু অর্থনৈতির উন্নতি ঘটে এমন নয়, সেই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রেও বেজায় সফল হন এমন মানুষেরা!

১০. তর্জনী:

১০. তর্জনী:

আপনার ভাগ্যরেখাটি যদি মাউন্ট অব স্যাটার্ন পর্যন্ত গিয়ে হঠাৎ করে ভেঙে গিয়ে তর্জনীতে এসে মেশে, তাহলে জানবেন আপনি বেজায় ভাগ্যবান। আর যাদের লাক সারাক্ষণ সঙ্গ দিয়ে যায়, তাদের যে অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না, তা তো বলাই বাহুল্য!

Story first published: Friday, September 21, 2018, 12:52 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion