২-৪ পেগের পর কোন রাশির জাতক-জাতিকারা কেমন পাগলামো করেন তা জানলে আপনি আবাক হয়ে যাবেন!

তাহলে আর অপেক্ষা কেন, চলুন জেনে ফেলা যাক মদ্যপানের পর রাশি অনুসারে কোন মানুষ কেমন ব্যবহার করে সে সম্পর্কে...

আরে মাশাই আজকের দিনে যেখানে সবাই "দুধ না খেলে হবে না ভাল ছেলে" এর পরিবর্তে মদ না খেলে হবে না ভাল ছেলে, এমন গান গেয়ে বেরাচ্ছে, সেখানে সব পার্টিতেই যে ২-৪ পাত্তরের আয়োজন থাকবে, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে! কেন এমন তির্যক কথা বলছি তাই ভাছেন নিশ্চয়? আসলে বন্ধু পরিসংখ্যান বলছে গত দশ বছরে ১৮-৪০ বছর বয়সিদের মধ্যে মদ খাওয়ার পার্সেনটেজটা যে মারাত্মক হারে বেড়েছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই! কিন্তু এই প্রবন্ধে মদ খেলে কী হতে পারে, এমন কথা বলা হবে না। বরং মদ্যপানের পর কে কেমন উদ্ভট কাজ করে থাকেন, সে বিষয়ে আলোকপাত করার চেষ্টা করা হবে। তাই তো বলি বন্ধু এই লেখাটা পড়ার সময় আপনার চোখ যে কপালে উঠে যাবে, সে কথা আমি হলফ করেই বলতে পারি!

তাহলে আর অপেক্ষা কেন, চলুন জেনে ফেলা যাক মদ্যপানের পর রাশি অনুসারে কোন মানুষ কেমন ব্যবহার করে সে সম্পর্কে...

১. মেষরাশি:

১. মেষরাশি:

মদ খাওয়ার পর এরা তুমুল তান্ডব করার পক্ষেই সাওয়াল করে থাকেন। অর্থাৎ এদের কাছে মদ খাওয়া মনে ২-৪ পেগের পর তুমুল বাওয়ালি করা। শুধু তাই নয়, এক্স প্রেমিকা বা প্রেমিককে ফোন লাগিয়ে এদিক-সেদিকের হাজারো ফালতু কথা বলার ইচ্ছা এদের তখনই জাগে, যখন হুইস্কি বা রামে গ্লাসে চুমুক পরে। তাই তো বলি বন্ধু, তুমুন হ্যাংওভারের কষ্ট, সঙ্গে অসম্মমানের ঝাল ঝাল থাপ্পর যদি খেতে না চান, তাহলে এবার থেকে মদ্যপানের পর ফেনাটা বাবু পকেট থেকে বার করবেন না।

২. বৃষরাশি:

২. বৃষরাশি:

এরা ড্রিঙ্ক করতে যতটা পছন্দ করেন, ততটাই খেতেও ভালবাসেন। তাই তো মদের সঙ্গে চটকদার খাবার না থাকলে এদের মাথা গরম হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, নেশাতুর অবস্থায় হামলে পরে খাওয়ার অভ্যাসের কারণে নানা সময় এদের শরীরও এত মাত্রায় খারাপ হয়ে যায় যে ডাক্তারের কাছে যাওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না।

৩. মিথুনরাশি:

৩. মিথুনরাশি:

এই রাশির জাতক-জাতিকাদের সঙ্গে যতটচা সম্ভব ড্রিঙ্ক না করাই শ্রেয়। কারণ এদের চরিত্র বেজায় আজব ধরনের। কেন এমন কথা বলছি তাই ভাবছেন তো? আসলে বন্ধু এরা কয়েক পেগ খাওয়ার পর কখনও মারাত্মক রেগে যান, তো কখনও এমন কান্নাকাটি শুরু করেন যে শরীর খারাপ হয়ে যাওয়ার জোগার হয়, আবার কান্নাকাটির পর এমন হাসতে থাকেন যে সামলানো মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। তাই এবার আপনিই বলুন, এমন আনপ্রেডিকটেবল মানুষের সঙ্গে মদ্যপান করতে কি আপনি চাইবেন?

৪. কর্কটরাশি:

৪. কর্কটরাশি:

এরা বেজায় ইমোশনাল। তাই তো নেশা করার পর এরা হয় বেজায় খাশি থাকেন, নয়তো এমন কান্নাকাটি শুরু করে দেন যে সামলানো মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। এমনকী একটু বেশি পাত্র পেটে পরে গেলে তো এরা ছোট ছোট বিষয়ে কারও সঙ্গে মারপিট পর্যন্ত শুরু করে দেন! শুধু তাই নয়, নেশা করে প্রিয় মানুষদের যা তা কথা বলতেও এরা পিছপা হন না। তাই তো কর্কট রাশির জাতক-জাতিকাদের ৩-৪ পেগের বেশি মদ্যপান করা উচিতই না!

৫. সিংহরাশি:

৫. সিংহরাশি:

সুযোগ পেলে সিংহ কি তার শিকার কে ছেড়ে দেয়? ঠিক তেমনিই এরাও ড্রিঙ্ক করার পর মারাত্মক ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন। বিশেষত নেশাতুর অবস্থায় অপছন্দের মানুষদের যা নয় তাই বলে অপমান করতেও এরা পিছপা হন না। তাই তো বলি বন্ধু, আপনি যদি এই রাশির জাতক-জাতিকাদের চোখে পছন্দের মানুষ না হয়ে থাকেন, তাহলে ভুলেও নেশা করার সময় এদের সামনে যাবেন না যেন!

৬. কন্যারাশি:

৬. কন্যারাশি:

এরা বেজায় ভালোমানুষ গোছের হন। তাই তো মদ খাওয়ার সময় এরা তেমন একটা হই হুল্লর করেন না, বরং ছোট চোট পেগ নিতে নিতে রিল্যাক্স করতেই বেশি পছন্দ করেন।

৭. তুলারাশি:

৭. তুলারাশি:

এর অনিয়ন্ত্রিত হারে মদ খেতে একেবারেই পছন্দ করেন না। তাই তো নিজের লিমিট অনুসারে পান করে খাবার খেয়ে ঠিক মতো বাড়ির ফেরা এদের ধাতে রয়েছে। এমনকী কেনও কোনও সময় তো এদের দেখে মনেই হয় না যে ড্রিঙ্ক করেছেন। তবে এদের মধ্যেও যে ব্যতিক্রমী চরিত্র রয়েছে, তা তো বলাই বাহুল্য!

৮. বৃশ্চিকরাশি:

৮. বৃশ্চিকরাশি:

মদ্যপানের সময় এরা অতীতকে নিয়ে আলোচনা করতে বেজায় পছন্দ করেন। তবে যতই নেশায় থাকুক না কেন, নিজের সম্পর্কে কোনও কথাই এরা বলেন না। তাই কেউ যদি মনে করেন এদের ড্রিঙ্ক করিয়ে মনের সব কথা জেনে নেবেন, তাহলে কিন্তু সেগুরে বালি! কারণ কেন জানেন? কারণ ১২ টি রাশির জাতক-জাতিকাদের মধ্যে এরাই সবথেকে বেশি সিক্রেটিভ গোছের হয়ে থাকেন!

৯. ধনুরাশি:

৯. ধনুরাশি:

নেশাতুর অবস্তায় চুটিয়ে মজা করাতে এরা বেজায় পছন্দ করেন। তাই তো ধনুরাশির জাতক-জাতিকাদের আয়োজন করা পার্টিতে না কখনও মদের শর্টেজ হয়, না গান-বাজনা বন্ধ হয়!

১০. মকররাশি:

১০. মকররাশি:

এরা যখনই আউট হয়ে যান, তখনই নিজেকে সবথেকে বেশি বুদ্ধিমান বা জ্ঞানী মানুষ ভাবেন। তাই তো ঠিক তখনই ওভার কনফিডেন্সের চক্করে নানা ভুল করে ফেলেন। তাই তো বলি হে মকররাশি, অনিয়ন্ত্রিত ড্রিঙ্ক করার ভুল কাজটি করবেন না যেন! না হলে কিন্তু কোনও না কোনও দিন মারাত্মক ফেঁসে যেতে পারেন!

১১. কুম্ভরাশি:

১১. কুম্ভরাশি:

এরা বন্ধু-বান্ধদের সঙ্গে নয়, বরং বাড়িতে ভাল কোনও সিনেমা দেখতে দেখতে ড্রিঙ্ক করতেই বেশি পছন্দ করেন। শুধু তাই নয়, কতটা মদ্যপান করলে নিয়ন্ত্রণে থাকবেন, সে ব্যাপারে এদের থেকে আর কেউ ভাল জানে বলে তো মনে হয় না। তাই তো কুম্ভরাশির জাতক-জাতিকাদের সচরাচর মদ্যপান করে হই-হুল্লর করতে দেখা যায় না।

১২. মীনরাশি:

১২. মীনরাশি:

এরা স্বপ্নের জগতে থাকতে বেজায় পছন্দ করেন। তাই তো যখনই বাস্তবের মার পরে, তখন তখনই হাতে বোতল নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পথ খোঁজেন এরা। শুধু তাই নয়, মাত্রাতিরিক্তি ড্রিঙ্ক করে মজার নামে হই-হুল্লর করার বিষয়ে এদের যে কেউ টেক্কা দিতে পারবে না, তা তো বলাই বাহুল্য! শুধু তাই নয়, নেশাতুর অবস্থায় যে কোনও আইন ভাঙতে এরা যেমন পিছপা হন না, তেমনি কারও বাড়িতে ঢুকে ঝামেলা-ঝাটি করে বিপদে পরতেও এদের জুড়ি মেলা ভার। তাই তো বলি বন্ধু, যার সঙ্গেই মদ খান না কেন, মীনরাশির জাতকদের সঙ্গেও ভুলেও কখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে মদ খাবেন না যেন!

Story first published: Tuesday, September 18, 2018, 13:01 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion