ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে কর্পূরকে কাজে লাগালে দেখবেন বড়লোক হয়ে উঠতে একেবারে সময়ই লাগবে না!

বাস্তবিকই কর্পূরের অন্দরে এমন কিছু শক্তি মজুত রয়েছে, যা আমাদের আশেপাশে উপস্থিত খারাপ শক্তির প্রভাবকে কমিয়ে ফেলে। যে কারণে কোনও বিপদ ঘটার আশঙ্কা কমে।

হিন্দু শাস্ত্রের উপর লেখা একাধিক প্রাচীন পুঁথিতে এমন অনেক বিষয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়, যা আপাত দৃষ্টিতে আজগুবি বলে মনে হলেও আদতে কিন্তু আমাদের জীবনকে বিদলে দিতে বিশেষ ভূমিকা নিতে পারে এই সব প্রাচীন পদ্ধতিগুলি। যেমন কর্পূরের কথাই ধরুন না। এই আপাত সাধারণ জিনিটিকে যদি এই লেখায় আলোচিত হতে চলা নিয়মগুলি মেনে জ্বালাতে পারেন, তাহলে দেখবেন অনেক অনেক টাকার মালিক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগবে না।

একেবারেই ঠিক শুনেছেন বন্ধু! বাস্তবিকই কর্পূরের অন্দরে এমন কিছু শক্তি মজুত রয়েছে, যা আমাদের আশেপাশে উপস্থিত খারাপ শক্তির প্রভাবকে কমিয়ে ফেলে। যে কারণে কোনও বিপদ ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি খারাপ সময় কেটে যাওয়ার কারণে সৌভাগ্যও রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। ফলে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত নানাবিধ ঝামেলা মিটে যেতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি গুড লাকের প্রভাবে এমন কিছু সুযোগ আসতে শুরু করে যে অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটে চোখের পলকে। শুধু তাই নয়, কর্পূরকে কাজে লাগিয়ে মনের মতো চাকরি পাওয়ার স্বপ্ন যেমন পূরণ করা সম্ভব, তেমনি কিন্তু আরও অনেক উপকার মেলার পথ প্রশস্ত হয়। যেমন ধরুন...

১. কর্পূর এবং লবঙ্গ:

১. কর্পূর এবং লবঙ্গ:

রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে অল্প কিছু কর্পূর নিয়ে তাতে ২-৩ টে লবঙ্গ ফেলে দিয়ে জ্বালিয়ে ফেলুন। এমনটা প্রতিদিন করলে দেখবেন বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন তো পূরণ হবেই, সেই সঙ্গে মনের মতো চাকরিও মিলবে। শুধু তাই নয়, জীবনে কোনও দিন অর্থনৈতিক ঝামেলায় পরার সম্ভাবনাও যাবে কমে।

২. কর্পূর তেলে স্নান করা মাস্ট:

২. কর্পূর তেলে স্নান করা মাস্ট:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতি শনিবার এক বালতি জলে অল্প করে কর্পূর তেল ফেলে স্নান করলে খারাপ সময় খেটে গিয়ে গুড লাক যেমন রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে, তেমনি নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। আর শরীর এবং মন যখন এক সঙ্গে চাঙ্গা হয়ে ওঠে, তখন জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত যে আনন্দে ভরে ওঠে, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে!

৩. কর্পূর এবং হনুমান চাল্লিশা:

৩. কর্পূর এবং হনুমান চাল্লিশা:

শাস্ত্র মতে রাত্রে শুতে যাওয়া আগে যদি অল্প কিছু কর্পূর জ্বালিয়ে হনুমান চল্লিশা পাঠ করা শুরু করেন, তাহলে খারাপ শক্তির প্রভাব কমে যাওয়ার কারণে কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার বা বিপদ ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি দেবের আশীর্বাদে মনের ছোট-বড় সব স্বপ্ন তো পূরণ হয়ই, সেই সঙ্গে আরও একাধিক উপকার মেলে। যেমন ধরুন- কালো যাদুর প্রভাব কেটে যায়, মনের মতো চাকরি মেলে, মনের জোর বাড়ে, সামাজিক সম্মান বৃদ্ধি পায় এবং পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগে।

৪. বাস্তু দোষ কেটে যায়:

৪. বাস্তু দোষ কেটে যায়:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতিদিন ২ টো করে কর্পূর জ্বালালে গৃহস্থে উপস্থিত নেগেটিভ শক্তির প্রভাব তো কমেই, সেই সঙ্গে বাস্তু দোষও মিটে যায়। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে প্রথমে রাখা কর্পূর যখন পুড়তে পুড়তে ছোট হয়ে যাবে তখন আরেকবার নতুন দুটো কর্পূর আগুনে ফেলে দিতে হবে। এমনটা করলে দেখবেন উপকার পাবেই পাবেন! প্রসঙ্গত, বাস্তুদোষ দেখা দিলে কিন্তু চিন্তার বিষয়। কারণ সেক্ষেত্রে কোনও কাজ হতে হতেও হবে না, টাকা-পয়সা সংক্রান্ত নানা ঝামেলা মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রায়শই অশান্তি এবং কলহ দেখা দেবে। ফলে মানসিক শান্তি দূরে পালাতে দেখবেন সময় লাগবে না।

৫. সমস্যা কমবে চোখের পলকে:

৫. সমস্যা কমবে চোখের পলকে:

নানাবিধ সমস্যায় কি জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে? তাহলে প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে ২-৩ টে কর্পূর, ঘিয়ে চুবিয়ে জ্বালানো শুরু করুন। দেখবেন সব ঝামেলা ধীরে ধীরে মিটে যেতে শুরু করবে।

৬. বিবাহ সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যা মিটে যাবে:

৬. বিবাহ সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যা মিটে যাবে:

মনের মতো জীবনসঙ্গীর খোঁজ পাচ্ছেন না? এদিকে মনের মানুষের সন্ধান পেলেও বিয়ে করতে নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে? তাহলে আজই ৬ টা কর্পূরের সঙ্গে ৩৬ টা লবঙ্গ মিশিয়ে হলুদ এবং চালে ছুঁইয়ে মা দূর্গার পায়ের কাছে রেখে এক মনে দেবীর নাম নিন, দেখবেন সম সমস্যার সমাধান মিলবেই মিলবে।

৭. চাঁদের কুপ্রভাব কেটে যাবে:

৭. চাঁদের কুপ্রভাব কেটে যাবে:

জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে কারও জন্ম কুষ্টিতে চাঁদের অবস্থান বিগড়ে গেলে চটজলদি ২ টো কর্পূর এবং ২ টো লবঙ্গ, পান পাতায় মুড়িয়ে মা দুর্গা বা কালীর সামনে রাখতে হবে এবং এক মনে মায়ের নাম নিতে হবে। এমনটা করলে গ্রহ দোষ তো কেটে যাবেই, সেই সঙ্গে মায়ের আশীর্বাদে পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকবে।

৮. শুক্র গ্রহের খারাপ প্রভাব কমে:

৮. শুক্র গ্রহের খারাপ প্রভাব কমে:

এমন গ্রহ দোষের কারণে কি একের পর এক সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে? তাহলে বন্ধু সময় নষ্ট না করে মা কালীর উদ্দেশ্যে যজ্ঞের আয়োজন করে তাতে ২ টো কর্পূর এবং অল্প করে লবঙ্গ ফেলে দিন। সেই সঙ্গে "ইং হ্রিং ক্লিং চামুন্ডায়ে বিচহে নমহ", এই মন্ত্রটি জপ করুন। দেখবেন শুক্রের খারাপ প্রভাব কেটে যেতে সময় লাগবে না।

Story first published: Tuesday, November 27, 2018, 14:09 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion