অনেক অনেক টাকায় ভরে উঠুক পকেট, এমনটা যদি চান তাহলে সকালে উঠে হাতের তালু দেখতে ভুলবেন না যেন!

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে হাই তুলতে তুলতে যদি হাতের তালু দেখতে পারেন, তাহলে কিন্তু জীবনের ছবিটা বদলে যেতে সময় লাগবে না।

জানি বন্ধু জানি হেডিংটা পড়ে হয়তো অবাক হয়ে গেছেন! কিন্তু বিশ্বাস করুন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে হাই তুলতে তুলতে যদি হাতের তালু দেখতে পারেন, তাহলে কিন্তু জীবনের ছবিটা বদলে যেতে সময় লাগবে না। কারণ এমনটা করলে এমন কিছু ঘটবে, যা মনের সব ইচ্ছা পূরণের পথকে প্রশস্ত করবে। সেই সঙ্গে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে উঠবে। আর যেমনটা গুণি মানুষেরা প্রায়ই বলে থাকেন, "নোবডি গেটস জার্সিট। পিপল অনলি গেট গুড লাক অর ব্যাড লাক"। মানে বুঝতে পারেছেন নিশ্চয়! অর্থাৎ পরিশ্রমের পাশাপাশি গুডলাক যদি আপনার সঙ্গী হয়ে ওঠে তাহলে এই দুনিয়া আপনার। তাই তো বলি বন্ধু নিজের জীবনের ছবিটা যদি বদলে ফলতে হয়, তাহলে বাকি প্রবন্ধটি পড়ে ফলতে ভুলবেন না যেন!

সকাল সকাল হাতের তালু দেখার পরামর্শ কেন দেওয়া হয়?
হিন্দু শাস্ত্র মতে আমাদের হাতের তালুতে মা লক্ষ্মী, সরস্বতী এবং ভগবান বিষ্ণু দেব অবস্থান করেন। তাই তো সক্কাল সক্কাল উঠে হাতের তালু দেখলে এই তিন দেব-দেবীর আশীর্বাদ লাভ হয়। আর যেমনটা আপনাদের সবাই জানা আছে যে মা লক্ষ্মীর নেক দৃষ্টি পরলে একদিকে যেমন অর্থনৈতিক সমস্যা মিটে যেতে শুরু করে, তেমনি মা সরস্বতীর আশীর্বাদে পড়াশোনা এবং কর্মক্ষেত্রে উন্নতি লাভের পথ প্রশস্ত হয়। আর যদি সর্বশক্তিমান ভগবান বিষ্ণুর কথা জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে বলতে হয় বিষ্ণু দেব হলেন সর্বশক্তির আধার, তাই তো তাঁর আশীর্বাদ লাভ করলে যে কোনও সমস্যা মিটে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে জীবন অফুরন্ত আনন্দে ভরে ওঠে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পরেছেন বন্ধু সকাল সকাল উঠে হাতের তালু দেখলে কতটাই না উপকার পাওয়া যায়। তবে এই নিয়মটি মেনে চলার পাশপাশি আরও কতগুলি কাজ করতে হবে, তাহলেই কিন্তু সার্বিক সুফল মিলবে। যেমন ধরুন...

১. ঠাকুর ঘর পরিষ্কার করা মাস্ট:

১. ঠাকুর ঘর পরিষ্কার করা মাস্ট:

প্রতিদিন সকাল বেলা উঠে বিছানা পরিষ্কার করতে যেমন ভুলবেন না, তেমনি স্নান সেরে প্রথম কাজ হবে ঠাকুর ঘর পরিষ্কার করা। আসলে এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতিদিন শুদ্ধ মনে ঠাকুর ঘর পরিষ্কার করে, ঠাকুরের মূর্তি ভাল করে মুছে নিয়ে তা প্রতিষ্টিত করলে সারা বাড়িতে পজেটিভ শক্তির প্রভাব বাড়তে শুরু করে। আর এমনটা যখন হয়, তখন কোনও বিপদ ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি পরিবারের অন্দরে কোনও ধরনের কলহ বা অশান্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সম্ভাবনাও কমে যায়।

২. পৃথিবী মায়ের নাম স্বরণ করতে হবে:

২. পৃথিবী মায়ের নাম স্বরণ করতে হবে:

ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম কাজ আমরা কী করি? খাটের উপর কিছু সময় বাবু হয়ে বসার পর মাটিতে পা রাখি। মাটি অর্থাৎ পৃথিবী। তাই তো সকালে উঠে মাটিতে পা রাখা মাত্র মনে মনে ধরিত্রী মায়ের নাম নিতে হবে। আসলে এমন বিশ্বাস রয়েছে যে এই নিয়মটি প্রতিদিন মানলে পরিবারে সুখ এবং সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগে। ফলে দুঃখ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

৩. গরুকে খাবার খাওয়াতে হবে:

৩. গরুকে খাবার খাওয়াতে হবে:

হিন্দু শাস্ত্র মতে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রতিদিন যদি গরুকে খাবার খাওয়ানো যায়, তাহলে গত এবং এ জন্মে করা সমস্ত পাপ ধুয়ে যায়। ফলে এ জীবনে পাপের শাস্তি পওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, হিন্দু ধর্মে গরুর মাহাত্ম যেহেতু অনেক, তাই এমনটা করলে দেবতাদের আশীর্বাদ লাভের পথও প্রশস্ত হয়। আর যারা দেবের সঙ্গ পান, তাদের জীবনে আর কী কষ্ট থাকে বলুন!

৪. সূর্য দেবকে জল দান করুন:

৪. সূর্য দেবকে জল দান করুন:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে সকালে উঠে সূর্য নাম জপতে জপতে যদি সর্বশক্তিমানকে জল দান করা যায়, তাহলে রোগ-ব্যাধির প্রকোপ যেমন কমে, তেমনি শারীরির ক্ষমতাও বাড়তে শুরু করে। শুধু তাই নয়, খারাপ চিন্তাও দূর হতে শুরু করে। ফলে স্ট্রেস এবং মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না।

৫. গায়েত্রী মন্ত্র:

৫. গায়েত্রী মন্ত্র:

ঘুম থেকে ওঠার পর পরই যদি এক মনে গায়েত্রী মন্ত্র পাঠ করা যায়, তাহলে মনের সব ইচ্ছা পূরন হয়, সেই সঙ্গে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠায় জীবনের ছবিটা পদলে যেতে সময় লাগে না। তাই তো বলি বন্ধু, বাকি জীবনটা যদি সুখে-শান্তিতে এবং আনন্দে কাটাতে হয়, তাহলে প্রতিদিন সাকলে গায়েত্রী মন্ত্র পাঠ করতে ভুলবেন না যেন! প্রসঙ্গত, মন্ত্রটি হল: "ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ,তৎ সবিতুর্বরেণ্যং,ভর্গো দেবস্য ধীমহি,ধিয়ো য়ো নঃ প্রচোদয়াৎ।।"

৬. এক টাকায় কয়েন:

৬. এক টাকায় কয়েন:

অল্প সময়ে অনেক অনেক টাকার মালিক হয়ে উঠতে চান নাকি? তাহলে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে এক টাকার কয়েন ঠাকুরের সামনে রাখতে ভুলবেন না যেন! পরে কয়েনটা তুলে একটা পাত্রে রেখে দেবেন। এইভাবে প্রতিদিন নিয়মটা মানলে দেখবেন পকেট অনেক অনেক টাকায় ভরে উঠবে। শুধু তাই নয়, যে কোনও ধরনের অর্থনৈতিক সমস্যা মিটে যেতেও সময় লাগবে না।

X
Desktop Bottom Promotion