Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
ডঃ রুথ ফাও : জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে গুগল তৈরি করেছে একটি হৃদয়স্পর্শী ডুডল
আজ পাকিস্তানের "মাদার তেরেসা" নামে খ্যাত ডঃ রুথ ক্যাথেরিনা মার্থা ফাও-এর ৯০ তম জন্মবার্ষিকী। সেই উপলক্ষ্যে গুগল তাঁর জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি হৃদয়স্পর্শী ডুডল তৈরি করেছে। তিনি ছিলেন একজন চিকিৎসক ও সন্ন্যাসিনী।

১৯২৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর জার্মানির লাইপজিগ শহরে জন্মগ্রহণ করেন ডঃ রুথ ফাও। ১৯৫৭ সালে পূর্ব জার্মানিতে চিকিৎসা শাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা করেন, পরে একসময় তিনি ক্যাথলিক খ্রিস্টান মহিলাদের সংঘ 'Daughters of the Heart of Marry '- তে যোগ দেন। ১৯৬০ সালে, তিনি যখন ভারতে আসার পথে করাচির (পাকিস্তান) ম্যাকলয়েড রোডে অবস্থিত একটি কুষ্ঠরোগীদের কলোনি খুঁজে পান। সেটা পরিদর্শন করার পর তিনি সেখানে সারা জীবন থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
প্রাচীনকাল থেকেই কুষ্ঠরোগ একটি ঘৃণ্য ও অশ্পৃশ্য রোগ হিসেবে সমাজে প্রচলিত। কুষ্ঠরোগীকে পরিবার, সমাজ সবাই ত্যাগ করে একাকীত্বর জীবনে ঠেলে দিত। কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আশঙ্কাজনক অবস্থা দেখে তিনি সারাজীবন এই মানুষদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। সিদ্ধান্ত নেন, বাকি জীবন কুষ্ঠরোগীদের সেবা করে তিনি পাকিস্তানেই কাটিয়ে দেবেন। এটি তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য হয়ে ওঠে। এর পাঁচ বছর পর, তিনি প্রথম কুষ্ঠরোগীদের চিকিৎসার জন্য প্যারামেডিকেল কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়াও শুরু করেন।
তাঁর হাত ধরে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের করাচিতে প্রতিষ্ঠিত হয় 'Marie Adelaide Leprosy Clinic', যা ছিল মূলত কুষ্ঠরোগ চিকিৎসার হাসপাতাল। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম এবং চেষ্টার কারণে সরকারও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। ১৯৭১ সালে সরকারের সহায়তায় কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত প্রদেশগুলোতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন কুষ্ঠরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র। বেলুচিস্তান, সিন্ধ, উত্তর পাকিস্তান, স্বাধীন কাশ্মীর, এমনকি আফগানিস্তান পর্যন্ত গিয়েছেন কুষ্ঠরোগীদের চিকিৎসার জন্য।
তাঁর চেষ্টার ফলে এই রোগের প্রকোপ কমতে থাকে। ১৯৯৬ সালে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ঘোষণা করেন যে, পাকিস্তানে কুষ্ঠরোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসা করার জন্য তৈরি একটি ছোট্ট হাসপাতাল থেকে, MALC এখন পাকিস্তানের অন্যতম বৃহত্তম NGO। বর্তমানে ৬৪ টি বেডসহ একটি পরিপূর্ণ হাসপাতাল।
শুধুমাত্র কুষ্ঠরোগই নয়, তিনি আরও নানান ভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। যে কোনও বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর এই কাজকর্মের জন্য তিনি পাকিস্তানের "মাদার তেরেসা " নামে পরিচিত ছিলেন।২০১৭ সালের ১০ অগাস্ট ৮৭ বছর বয়সে হৃদরোগের কারণে করাচির একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি । তবুও তাঁর সহৃদয় ভরা কাজকর্মের জন্য তিনি চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।



Click it and Unblock the Notifications