অষ্ট্রেলিয়ায় ভোটের সময় চলে BBQ পার্টি! জেনে নিন নির্বাচন সংক্রান্ত অদ্ভুত সব নিয়ম

Fun Facts About The Election Across The World: গণতান্ত্রিক দেশ ভারতে সমস্ত নাগরিকেরই অধিকার রয়েছে তাদের পছন্দমতো সরকার নির্বাচন করা। নির্বাচনের গণতান্ত্রিক উৎসবে দেশের সব নাগরিক কোনও বৈষম্য ছাড়াই সমান ভোটাধিকার পায়। ৭ নভেম্বর দেশের পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। রবিবার ৩ ডিসেম্বর এর মধ্যে ৪ রাজ্যের ভোট গণনা সম্পন্ন হল। মিজোরামের ভোট গণনা হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

ভারতের মতো বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশেই ভোট গ্রহণের মাধ্যমে সরকার নির্বাচিত হয়। তবে সব দেশের ভোট গ্রহণ পদ্ধতি কিন্তু আলাদা। এমন অনেক দেশ রয়েছে, যেখানকার নির্বাচন প্রক্রিয়া আপনাকে অবাক করতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, বিভিন্ন দেশের নির্বাচন সম্পর্কিত কিছু মজার তথ্য।

Fun Facts About The Election

ব্রাজিলে বাচ্চারা ভোট দিতে পারে

ব্রাজিলে বাচ্চারও ভোট দিতে পারে। কারণ সেখানকার নাগরিকদের ১৬ বছর বয়সে ভোট দেওয়ার অধিকার রয়েছে। অস্ট্রিয়া, নিকারাগুয়া এবং আর্জেন্টিনায় ১৬ ও ১৭ বছর বয়সের নাগরিকরা ভোট দেওয়ার যোগ্য। ইন্দোনেশিয়া এবং সুদানে ১৭ বছরে ভোট দেওয়া যায়। তবে ভারতে ভোট দেওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর।

অস্ট্রেলিয়াতে ভোটের সময় BBQ পার্টি হয়

ভোটদানের ব্যাপারে জনগণকে আরও উৎসাহিত করার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় ভোটদানের স্থানগুলির কাছেই উদযাপন করা হয় BBQ পার্টি। নানা সুস্বাদু খাবার রান্না করা হয়। সম্ভবত এই কারণেই অস্ট্রেলিয়ায় ভোটের হার প্রায় ৯০ শতাংশ।

চিলিতে পুরুষ এবং মহিলাদের আলাদাভাবে ভোট দেওয়ার নিয়ম

চিলিতে ১৯৩০ সালে স্থানীয় নির্বাচনে মহিলাদের ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়। তখন পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য পৃথক ভোট কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল। তবে পরে সরকার বুঝতে পারে যে লিঙ্গের ভিত্তিতে ভোটদান আলাদা করা উচিত নয়। অবশেষে ২০১২ সালে পুরুষ মহিলা একসঙ্গে ভোট দানের অধিকার পায়।

আমেরিকান মহাকাশচারীরা ভোট দিতে পারে

১৯৯৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্যে মহাকাশ থেকে আইনগতভাবে ভোটদানের অনুমতির জন্য একটি বিল পাস করে। তারপরেই মহাকাশ থেকে ভোট গ্রহণ সম্ভব হয়।

মহাকাশচারীদের জন্য নির্বাচনের ছয় মাস আগেই একটি ইমেইলের মাধ্যমে ব্যালট ফর্ম পাঠানো হয়। মহাকাশচারী ব্যক্তিরা সেই ফর্ম পূরণ করে ইমেইলের মাধ্যমেই পৃথিবীতে ফেরত পাঠায়। ১৯৯৭ সালে সর্বপ্রথম স্পেস ভোটিং নামে এই সুবিধাটি চালু হয়েছিল।

গাম্বিয়ায় ভোটদানের পদ্ধতি

গাম্বিয়ার নাগরিকরা ভোট প্রার্থীদের রঙিন ধাতব ড্রামে পাথর ফেলে তাঁদের ভোট দিতে পারেন। সমস্ত ড্রামে ঘণ্টা লাগানো থাকে। তাই এতে পাথর ফেলে দিলে বাজতে শুরু করে। যদি একাধিকবার ঘণ্টা বেজে ওঠে, তাহলে ভোট কর্মীরা বুঝতে পারেন যে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করেছে।

উত্তর কোরিয়ার নির্বাচন পদ্ধতি

উত্তর কোরিয়ায় একনায়কতন্ত্র সরকারের জন্য সর্বদা খবরের শিরোনামে থাকে। তারপরেও সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ক্ষমতাসীন দল তাদের নিজস্ব নেতাদের প্রার্থী বানিয়ে নাগরিকদের সামনে সীমিত কিছু বিকল্প দেয়। এই ভাবে সেখানে ভোটদান করানো হয়।

ব্রিটিশ সম্রাট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন

ব্রিটেনে গণতান্ত্রিক সরকারের পাশাপাশি রাজতন্ত্রও প্রচলিত। রাজ পরিবার এবং রাজা তৃতীয় চার্লসও ভোটে অংশ নিতে পারেন। তবে জানা যায়, প্রয়াত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ কখনই ভোট দেননি, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন দেশের রাজতন্ত্র সর্বদা রাজনীতির ঊর্ধ্বে।

Disclaimer: এই আর্টিকেলটি ইন্টারনেটে উপলব্ধ তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। এর সত্যতার দাবি করে না বোল্ডস্কাই বাংলা।

X
Desktop Bottom Promotion