ড্রয়িং রুমে ঘোড়ার শো-পিস রাখলে কী কী উপকার পাওয়া যায় জানা আছে?

বাস্তুশাস্ত্র এবং ফেংশুইয়ের উপর লেখা একাধিক বইয়ে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে ড্রয়িং রুমে ঘোড়ার শো-পিস রাখলে যে কোনও ধরনের সমস্যা যেমন মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না, তেমনি আরও নানা ধরনের উপকার মেলে।

গৃহস্থের অন্দরে করা ছোট্ট ছোট্ট পরিবর্তন কীভাবে আমাদের জীবনকে বদলে দিতে পারে, সে বিষয়ে সিংহভাগই কোনও খোঁজ রাখেন না। তাই তো এই প্রবন্ধটি লেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া।

কী ধরনের পরিবর্তনের কথা বলছেন? বিশাল কোনও পরিবর্তন নয়, এই ধরুন কোথাও বেরাতে গেলে শো-পিস কিনে আনেন নিশ্চয়? হ্যাঁ আনি। জানেন কি শো-পিসগুলি নানাভাবে আমাদের জীবনের উপর প্রভাব ফেলে থাকে। যেমন ধরুন বাড়িতে ঘোড়ার শো-পিস রাখলে নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়। বাস্তুশাস্ত্র এবং ফেংশুইয়ের উপর লেখা একাধিক বইয়ে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে ড্রয়িং রুমে ঘোড়ার শো-পিস রাখলে যে কোনও ধরনের সমস্যা যেমন মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না, তেমনি আরও নানা ধরনের উপকার মেলে। যেমন ধরুন...

১. জীবন পথে কোনও বাঁধা আসে না:

১. জীবন পথে কোনও বাঁধা আসে না:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে ড্রয়িং রুমে লাগাম ছাড়া ঘোড়ার সোপিস রাখলে, জীবন পথে চলতে চলতে কোনও বাঁধা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার কারণে থামকে যাওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে কোনও বিপদ ঘটার সম্ভাবনাও কমে। তাই তো বলি বন্ধু সারা জীবম যদি সুখে-শান্তিতে থাকতে চান, তাহলে এই টোটকাটিকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন!

২. অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে:

২. অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে:

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে বাড়ির দক্ষিণ দিকে দৌড়াচ্ছে এমন ঘোড়ার শো-পিস যদি রাখতে পারেন, তাহলে অল্প সময়ে অনেক অনেক টাকার মলিক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে কোনও ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখিন হওয়ার আশঙ্কাও কমে। তাই বাকি অনেকের মতো যদি আপনিও অল্প সময়ে বড়লোক হয়ে উঠতে চান, তাহলে এই বাস্তু নিয়মটি মেনে চলতে ভুলবেন না যেন!

৩. রোগ-ব্যাধি দূরে পালায়:

৩. রোগ-ব্যাধি দূরে পালায়:

নানাবিধ রোগের খপ্পরে পরে কি জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে? তাহলে বন্ধু বাড়ির দক্ষিণ কোণে একটা ঘোড়ার স্ট্যাচু এনে রাখতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে আগামী সময়ে কোনও ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যাবে কমে। আসলে এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়ির এই নির্দিষ্ট স্থানে ঘোড়ার মূর্তি এনে রাখলে গৃহস্থের অন্দরে পজেটিভ শক্তির মাত্রা এতটা বেড়ে যায় যে তার প্রভাবে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৪. গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে:

৪. গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে:

জীবনের প্রতিটি ধাপে সফলতা পেতে ভাগ্যের যে একটা ভূমিকা রয়েছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই! তাই তো বন্ধু বাড়ির উত্তর দিকে আজই একটা ঘোড়ার শো-পিস এনে রাখুন, দেখবেন উপকার পাবেই পাবেন! কারণ বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে এমনটা করলে গুডলাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। ফলে চরম সফলতার স্বাদ পেতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি জীবনে হারিয়ে যাওয়া সুখ-শান্তিও ফিরে আসে। সেই সঙ্গে কোনও ধরনের কারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কাও যায় কমে।

৫. নেগেটিভ শক্তির মাত্রা কমতে শুরু করে:

৫. নেগেটিভ শক্তির মাত্রা কমতে শুরু করে:

বাস্তুশাস্ত্রের উপর লেখা একাধিক বই অনুসারে বাড়ির সদর দরজার সামনে, বাইরের দিকে মুখ করে যদি একটি ঘোড়ার মূর্তি রাখা যায়, তাহলে গৃহস্থের অন্দরে নেগেটিভ শক্তির প্রবেশ আটকে যায়। ফলে কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি পজেটিভ এনার্জি, নেগেটিভ শক্তির জায়গা নেওয়ার কারণে কোনও ধরনের খারাপ ঘটনা ঘটার সম্ভাবনাও কমতে থাকে। সেই সঙ্গে কর্মক্ষেত্র থেকে সামাজিক জীবন, সবক্ষেত্রেই সম্মান বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা যায় বেড়ে। প্রসঙ্গত, মূল ফটকের সামনে ঘোড়ার মূর্তি রাখলে কালো যাদুর প্রভাব কমতেও সময় লাগে না।

৬. বৈবাহিক জীবনে সুখ-শান্তি বজায় থাকে:

৬. বৈবাহিক জীবনে সুখ-শান্তি বজায় থাকে:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে শোয়ার ঘরে এক জোড়া ঘোড়ার শো-পিস রাখলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেকার সম্পর্কের উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে বৈবাহিক জীবনে কোনও ধরনের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও যায় কমে। তাই তো বলি বন্ধু জীবনসঙ্গীর সঙ্গে যদি বাকি জীবনটা সুখে-শান্তিতে কাটাতে চান, তাহলে আজই দুটো ঘোড়ার মূর্তি কিনে এনে বেড রুমে রাখুন। দেখবেন উপকার মিলবে একেবারে হাতে-নাতে!

৭. সাতটি ঘোড়া:

৭. সাতটি ঘোড়া:

অফিস ডেস্কে সাতটি ঘোড়া এক সঙ্গে দৌড়াচ্ছে, এমন ছবি বা শো-পিস রাখলে কর্মক্ষেত্রে চটজলদি উন্নতি লাভের সম্ভাবনা যায় বেড়ে। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নতিও ঘটে চোখে পরার মতো। প্রসঙ্গত, আপনি যদি কোনও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলেও এই টোটাকাটিকে কাজে লাগাতে পারেন। কারণ এমনটা করলে ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা যায় কমে!

X
Desktop Bottom Promotion